প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ১৯:১৮ পিএম
আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ১৯:২১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
দেশের জলবায়ু সহিষ্ণু প্রকল্প ‘গ্রিন সিটিস ইনিশিয়েটিভ (জিসিআই), কাঁঠালের উৎপাদন পরবর্তী সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখাসহ মোট চারটি প্রকল্পে কারিগরি ও অনুদান সহায়তা হিসেবে মোট ৭ লাখ ৯৪ লাখ ডলার দেবে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। প্রতি ডলার ১০৫ টাকার মূল্যে যা দাঁড়ায় ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইআরডি জানায়, এফএও কারিগরি ও আর্থিক (অনুদান) সহায়তায় রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং এফএওর মধ্যে চারটি প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পগুলো পল্লী, কৃষি ও পরিবেশ খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষত. গ্রামীণ কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোসহ পুষ্টিমানসম্পন্ন ফসল উৎপাদন এবং পরিবেশগত উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এটি কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও মনে করছে সরকার।
প্রকল্পগুলো হল- গ্রিন সিটিস ইনিশিয়েটিভ, কাঁঠালের উৎপাদন পরবর্তী সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) নিশ্চিত করে মূল্যমান বাড়ানো, শস্যভিত্তিক প্রত্যেক গ্রামে পুষ্টিমান নিশ্চিত করা ও এর প্রচার করা এবং লিডার প্রযুক্তির মাধ্যমে ফাস্ট ট্র্যাকিং কৃষিপণ্য উৎপাদন ও উন্নয়ন প্রকল্প।
চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এবং এফএওর পক্ষে সংস্থাটির বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি রবার্ট ডগলাস।
১৯৭৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত এফএও বাংলাদেশে ৩৫০টি প্রকল্পে কারিগরি গ্রান্ট সহায়তা প্রদান করেছে। এটি বৃহত্তর কৃষিখাতসহ (ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), পরিবেশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
জাতিসংঘের এ সংস্থাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহত্তর কৃষি খাতে আধুনিক পদ্ধতির প্রচলন, উত্তম-অনুশীলন ইত্যাদির স্থানান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। আলোচ্য প্রকল্পগুলো কৃষি খাতে অষ্টম-পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের বিভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের সঙ্গে এফএওর কান্ট্রি প্রোগ্রামিং ফ্রেমওয়ার্ক ২০২২-২০২৬ এর আওতায় এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। যেখানে মূলত. অধিকতর কৃষি উৎপাদন, অধিকতর পুষ্টি, পরিবেশগত উন্নয়ন ও উন্নততর জীবনযাত্রার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।