প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৩ ২৩:০১ পিএম
আপডেট : ০২ মে ২০২৩ ২৩:১৩ পিএম
চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। ছবি : সংগৃহীত
চলচ্চিত্রে নতুন এক শিল্পভাষ্য তৈরি করে বাঙালি সংস্কৃতিকে বিশ্বসভায় সার্থকভাবে উপস্থাপন করে গেছেন সত্যজিৎ রায়। বাঙালি সংস্কৃতিতে এক নবতর ঐতিহ্য রূপায়নের পথে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রকে এক নতুন গন্তব্য দান করে গেছেন।
মঙ্গলবার (২ মে) সকালে বাঙালি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় স্মরণে বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় কথাসাহিত্যিক, কবি ও চলচ্চিত্রকারদের ভাষ্যে বর্ণিত হয় তার চলচ্চিত্র জীবনের নানা অধ্যায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা ড. মাহবুবা রহমান।
কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। একক বক্তৃতা প্রদান করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক রাজীব সরকার।
কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বলেন, সত্যজিৎ রায় বাংলা ও বাঙালির গর্ব। তিনি তার অনন্যসাধারণ চলচ্চিত্রগুচ্ছের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রকে নতুন গন্তব্য দান করেছেন।
কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, সত্যজিৎ রায় বাঙালি প্রতিভার অত্যুচ্চ নিদর্শন। বাংলা সাহিত্য ও বাঙালি সংস্কৃতিকে বিশ্বমানে উন্নীতকরণের ক্ষেত্রে তার জীবনব্যাপী সাধনা কখনও বিস্মৃত হওয়ার নয়।
রাজীব সরকার বলেন, সত্যজিৎ রায় নতুন চলচ্চিত্রভাষার নির্মাতা। তিনি পিতামহ ঊপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং পিতা সুকুমার রায়ের ঐতিহ্য বহন করে নিজেই নির্মাণ করেছেন বাঙালি সংস্কৃতির নতুন ঐতিহ্য। বাংলা চলচ্চিত্রকে সত্যজিৎ রায় তার অসাধারণ সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে বিশ্বসভায় সার্থকভাবে উপস্থাপন করেছেন।
সুব্রত কুমার ভৌমিক বলেন, সত্যজিৎ রায় বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি-নাম। চলচ্চিত্রের সঙ্গে সঙ্গে শিশুসাহিত্যে তার অবদানও অবিস্মরণীয়। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুব্রত কুমার ভৌমিক। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলা একাডেমির সচিব এএইচএম লোকমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।