প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৩ ২৩:২০ পিএম
আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৩ ০০:০২ এএম
চীন-বাংলাদেশ কালচার এন্ড আর্ট নাইট অনুষ্ঠানে চীনের শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করছে। প্রবা ফটো
চীনের কুমিং ন্যাশনাল সং অ্যান্ড ড্যান্স থিয়েটার এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ কালচার অ্যান্ড আর্ট নাইট’ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে চীনের বিভিন্ন প্রদেশের মাটি ও মানুষ, বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের চিরন্তন আখ্যানের কথা ফুটে উঠে নৃত্যে। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের বোঝাপড়া, ঋতুভিত্তিক নানা উৎসবের কথা ধ্বনিত হয়েছে সংগীতে।
শনিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় চীনা সাংস্কৃতিক দলের সঙ্গে পারফর্ম করে বাংলাদেশের শিল্পীরা। চীনা শিল্পীরা নৃত্য ও অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীতে তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও লোকজ ঐতিহ্য।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সিনিয়র কর্নেল অব ডিফেন্স অ্যাটাচ ডিউ জিনশেং, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সং ইয়াং, পলিটিক্যাল কাউন্সিলর ওয়াং ঝিহং এবং কালচারাল কাউন্সিলর ইয়ু লিওয়েন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব (পশ্চিম) সাব্বির আহমদ চৌধুরী ও সংস্কৃতি সচিব আবুল মনসুর।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই চীনের শিল্পী ইয়াংঝো, ‘ব্লেজিং বা আশীর্বাদ’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করেন। ‘সং অব হর্স হার্ডিং বা অশ্ব পালনের গান’ শিরোনামে সংগীত পরিবেশন করে বিলুডা। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় ‘রোহিঙ্গানামা’, দলীয় নৃত্য এবং বিশেষ এ্যাক্রোবেটিক শো পরিবেশিত হয়। দলীয় নৃত্য ‘রেড ফিশ’ নিয়ে আসে চীনের শিল্পীরা। চীনের শিল্পী জু ঝোওটিং এর পরিবেশনায় নৃত্য ‘হর্স রেইসিং বা ঘোড়দৌড়’।
এরপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনায় হয় ‘ক্যাপ ডান্স’। মেহরাজ হক তুষারের নৃত্য পরিচালনায় সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’কবিতার নৃত্যরূপ নিয়ে মঞ্চে আসে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। চীনের শিল্পীরা পরিবেশন করেন দলীয় নৃত্য। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল নিয়ে আসে ‘রিং ডান্স’। ‘কালারফুল ইউনান বা রঙিন ইউনান’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করেন ইয়াং ইয়াং, বিলুডা।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্য শিল্পীদের পরিবেশনা ‘সহজ মানুষ’ ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন লিয়াকত আলী লাকী। ‘ক্যামেলিয়া স্লোক বা ক্যামেলিয়া ভার্স’ শিরোনামে সবশেষ চীনের শিল্পীরা পরিবেশন করেন দলীয় নৃত্য।
পরে অতিথি শিল্পীদের উত্তরীয় প্রদানের মাধ্যমে শেষ হয় ‘চীন-বাংলাদেশ কালচার এন্ড আর্ট নাইট’ আয়োজন।