সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০০:৩৩ এএম
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:৫৬ এএম
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা রবিবার উৎপাদনে ফিরেছে। ফাইল ছবি
দেশের বৃহৎ ও একমাত্র দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দির যমুনা সার কারখানা ১৩ মাস ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়েছে। এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড যমুনা সার কারকানায় গ্যাস সংযোগ চালু করে। এ গ্যাস দিয়ে ইউরিয়া প্লান্টে শনিবার রাতে অ্যামেনিয়া উৎপাদন শেষে রবিবার সন্ধ্যায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়েছে।
যমুনা সার কারখানার উপপ্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক ও মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘যমুনা সার কারখানার ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়েছে। আমরা এখন যেন কারখানার চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ পাই সেজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।’
তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) অধীন কারখানাটি দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম। আর নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য কারখানায় দৈনিক ৪২-৪৩ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। গ্যাসের চাপস্বল্পতা ও বিভিন্ন ত্রুটির কারণে উৎপাদন কমে সময়ে সময়ে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টনে নেমে আসে। উৎপাদিত সার যমুনা সার কারখানা থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলাসহ মোট ২১ জেলায় ২ হাজার ডিলারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।
এদিকে সার কারখানা উৎপাদনে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক, ডিলার, পরিবহনশ্রমিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং এলাকাবাসী উচ্ছ্বসিত।
যমুনা সার কারখানা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ)-এর সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ তালুকদার বলেন, ‘গ্যাসসংযোগ পেয়ে সার উৎপাদনে যেতে পারায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’