কেরালায় নিপাহ সংক্রমণ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫:১৫ পিএম
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫:০৭ পিএম
কেরালায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড করা হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
ভারতের কেরালায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণে দুজনের মৃত্যুর পর রাজ্যটির সাতটি গ্রামে কঠোর নিয়ম জারি করা হয়েছে। চলাচল সীমিত করা হয়েছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য স্কুল ও ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ভারতের দক্ষিণের রাজ্যটিতে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত আরও দুই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন সাবালক, অন্যজন নাবালক। তা ছাড়া বুধবার পর্যন্ত ১৩০ জনের বেশি মানুষকে নিপাহ ভাইরাসের পরীক্ষা করা হয়েছে।
কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, নিপা ভাইরাস আক্রন্ত ব্যক্তিদের আলাদা করা হচ্ছে। তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। যারা শুরুতে আক্রান্ত হয়েছে তারা কাদের সঙ্গে মিশেছে বা কোথায় থেকে এসেছে তা শনাক্তের কাজ চলছে। তা ছাড়া এবারের ভাইরাসের ধরন নিয়ে ইতোমধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
২০১৮ সালে কেরালায় সর্বপ্রথম নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়। এবার নিয়ে রাজ্যটিতে চারবার এ দুর্লভ ও মস্তিষ্ক ধ্বংসকারী ভাইরাসটি শনাক্ত হলো। ২০১৯ ও ২০২১ সালেও নিপাহ ভাইরাসে কেরালায় দুই ব্যক্তি মারা গিয়েছিল।
বন ধ্বংস ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে ভারতের রাজ্যটি বাদুড় থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের জন্য অনুকূল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
আক্রান্ত শূকর, বাদুড় বা মানুষের সরাসরি সংস্পর্শ থেকে নিপাহ ভাইরাস ছড়ায়। বিশেষ করে আক্রান্ত পশু-পাখি বা মানুষের লালা বা তরল থেকে এটা সহজে ছড়ায়।
মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে ১৯৯৯ সালে সর্বপ্রথম নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়। আক্রান্ত শূকরের সংস্পর্শ থেকে তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল।
সূত্র : আলজাজিরা, রয়টার্স