প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৩ ১৪:১০ পিএম
আপডেট : ২৫ জুন ২০২৩ ১৪:৩৫ পিএম
ছোটখাট চেহারার বাদামী রঙের বস্তুটির পরিচয় বর্তমানে নক্ষত্র ও গ্রহের মাঝামাঝি কিছু। ছবি : সংগৃহীত
তার পরিচয় ঠিক কী হওয়া উচিত, জানা নেই। এটি গ্রহও নয়, আবার নক্ষত্রও নয়।
তবে গ্রহের মতোই একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে এটি। তার উত্তাপ সূর্যপৃষ্ঠের থেকেও বহু গুণ বেশি! প্রায় ১৪০০ আলোকবর্ষ দূরের এই মহাজাগতিক বস্তুটিকে দেখে হকচকিত মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।
ছোটখাটো চেহারার বাদামি রঙের বস্তুটির পরিচয় বর্তমানে নক্ষত্র ও গ্রহের মাঝামাঝি কিছু।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বস্তুটির সঙ্গে তার নক্ষত্রের দূরত্ব একেবারেই কম। এর কক্ষপথ তারার এত কাছে যে এর উত্তাপ ৮০০০ কেলভিন অর্থাৎ ৭৭২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি। সেখানে সৌরপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৫৭৮৮ কেলভিন।
এটি এতটাই গরম যে, এর অণুগুলো স্থির অবস্থায় থাকতে পারে না, ভেঙে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় বায়ুমণ্ডলে।
বিজ্ঞানীদের মতে, নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণকারী এত উত্তপ্ত ‘গ্রহের’ খোঁজ আগে কখনও পাওয়া যায়নি।
এই অনুসন্ধান পর্বের সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন ইসরায়েলের ওয়েজম্যান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের জ্যোতির্বিজ্ঞানী নামা হালাকোন।
তিনি মহাজাগতিক বস্তুটির নাম দিয়েছেন ‘ডব্লিউডি০০৩২-৩১৭বি’। এ-সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হতে চলেছে নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে।
বিজ্ঞানী দলটি জানিয়েছে, এই আবিষ্কারের সূত্রে বৃহস্পতির মতো দৈত্যাকার উত্তপ্ত গ্যাসীয় পিণ্ডকে বোঝা সম্ভব হবে। প্রকাণ্ড নক্ষত্রের চরিত্র বিশ্লেষণ করা যাবে।
নাসা জানিয়েছে, ‘এটি সূর্য ও বৃহস্পতির মতো প্রধানত হাইড্রোজেন গ্যাস দ্বারা গঠিত। সূর্যের বিপরীতে তাদের কোনো অভ্যন্তরীণ শক্তির উৎস নেই এবং এটি কোনো দৃশ্যমান আলো নির্গত করে না।’
সূত্র : বিবিসি