প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪:৩৬ পিএম
আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:৩২ পিএম
হীরের আংটি খুঁজে পাওয়া গেছে পুরোনো কমোডে। ছবি: সংগৃহীত
বাগদানের আংটি যুগল জীবনের মধুর স্মৃতিস্মারক। আর সে স্মারক হারিয়ে গেলে ঠিক কতটা কষ্ট পেতে হয়, তা কেবল ভুক্তোভোগী মাত্রই বুঝতে পারে। বিয়ের আগে ভালোবেসে তেমনই এক প্রেমিকের দেওয়া আংটি মনের ভুলে হারিয়ে ফেলে প্রেমিকা। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তখন এর হদিস পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে আফসোস করে আসছিলেন তারা। তবে ২১ বছর পর নিজ বাড়ির শৌচাগারেই কি না মিলল সেই অমূল্য রতন।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, শৌচাগারে ভুলবশত ফ্লাশ করে ফেলা ওই আংটি খুঁজে পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দম্পতি নিক ডে ও শাইনা ডে।
নিক বলেন, একদিন শাইনা আমাকে এসে বলেন যে তিনি বাগদানের আংটিটি হারিয়ে ফেলেছেন। বাথরুমের কমোডের কাউন্টারের উপর খুলে রেখেছিলেন তিনি।
শাইনা সেদিন নিককে বলেছিলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমি ভুল করে কমোডে ফ্লাশ করে দিয়েছি আংটিটি।’
এরপর তারা পুরো ঘর, বাথরুমের ভেতর বাইরে তন্নতন্ন করে খোঁজাখুঁজি করেন।
শাইনা বলেন, ‘আমি সেপটিক ট্যাংক খুলে তাতে বিশেষ পদ্ধতিতে ছাঁকুনি লাগিয়েও সে আংটি খুঁজেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য, তা আর পাওয়া যায়নি।’
এরপর একে একে কেটে গেছে ২১ বছর। গত নভেম্বরে নিকের মা রেনি সিদ্ধান্ত নেন বাথরুমে লাগানো পুরানো কমোড বদলে নতুন কমোড বসাবেন। আর মিস্ত্রি সে কমোড খুলতেই মিলল শাইনার বাগদানের আংটি।
মিস্ত্রি রেনিকে আংটির কথা বলতেই তিনি বুঝেছিলেন এটি পুত্রবধূ শাইনার হারিয়ে যাওয়া আংটি। এরপর তিনি আংটিটি পরিষ্কার করে ক্রিস্টমাস ডের উপহার হিসেবে পাঠিয়ে দেন দম্পতির কাছে।
২১ বছর পর সে আংটি ফিরে পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন শাইনা। নিক, শাইনা দম্পতি জানান, ‘এ আংটির হীরে খুলে তা নতুন কোনো গয়নায় বসানোর পরিকল্পনা করছেন।’
তবে নিক বলেন, এ ঘটনা থেকে তিনি একটি দারুণ শিক্ষা পেয়েছেন, তা হলো- কোনো কিছু হারিয়ে গেলে অবশ্যই টয়লেটে খোঁজ করা উচিত।