× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

একটু হাঁটলেই মন-মগজের ক্ষমতা বাড়ে

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৩৩ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

উপভোগ না করা সত্ত্বেও প্রকৃতির মাঝে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট হাঁটলেই আমাদের মনোযোগ ক্ষমতা ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক বারম্যান ও তার দলের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৫০ মিনিটের মতো প্রকৃতির মাঝে হাঁটলে মনোযোগ ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। তবে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকলেও উল্লেখযোগ্য উপকার পাওয়া যায়।

তিনি জানান, তার গবেষণা এবং অন্যদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের মানসিকতায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই শহরগুলো সাজানোর সময় যদি আরও বেশি প্রাকৃতিক উপাদান যুক্ত করা যায়, তাহলে মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ বাড়বে।

গবেষণার বিষয় নিয়ে বারম্যান বলেন, ‘আমরা দেখতে চেয়েছিলাম, আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ কীভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে।’

অ্যাটেনশন রিস্টোরেশন থিউরি তত্ত্বের অন্যতম মূল ধারণা হলোÑ মানুষের মনোযোগ দুই ধরনের হতে পারে। প্রথমটি হলো ডাইরেক্টেড অ্যাটেনশন বা নির্দেশিত মনোযোগ। এখানে ব্যক্তি নিজেই ঠিক করেন তিনি কী বিষয়ে মনোযোগ দেবেন। যেমন, আশপাশের সবকিছু বাদ দিয়ে আপনি এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এ লেখাটি শেষ করবেন। 

এই ধরনের মনোযোগে মানুষ দক্ষ হলেও, এর সীমাবদ্ধতা আছে। দীর্ঘ সময় ধরে একনাগাড়ে মনোযোগ ধরে রাখতে গিয়ে আমরা মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। বই নিয়ে সারাদিন বসে থেকেও কোনো পড়া হয় নাÑ এমন অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই আছে।

বারম্যান বলেন, ‘যখন আর মনোযোগ ধরে রাখা যায় না, তখন আমরা তাকে ডাইরেক্টেড অ্যাটেনশন ফ্যাটিগ স্টেট বলি। তখন আপনার নির্দেশিত মনোযোগের ভান্ডার শেষ হয়ে যায়।’

এর বিপরীতে রয়েছে ইনভলান্টারি অ্যাটেনশন বা অনিচ্ছাকৃত মনোযোগ। এ প্রক্রিয়ায় উজ্জ্বল আলো, জোরালো শব্দ ইত্যাদির মতো উদ্দীপক বিষয়গুলো হঠাৎ করেই আমাদের মনোযোগ কেড়ে নেয়। এ ক্ষেত্রে নিজেদের ওপর আমাদের তেমন কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।

বারম্যান বলেন, ‘এই ধরনের মনোযোগ সহজে ফুরিয়ে যায় না। আপনি সচরাচর কাউকে বলতে শুনবেন নাÑ আমি আর ওই জলপ্রপাতের দিকে তাকাতে পারছি না, ওটা এত সুন্দর যে আর সহ্য হচ্ছে না।’

অ্যাটেনশন রিস্টোরেশন থিউরি অনুসারে, যে পরিবেশে ডাইরেক্টেড অ্যাটেনশনের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না, কিন্তু ইনভলান্টারি অ্যাটেনশনকে সক্রিয় করেÑ সে পরিবেশ আমাদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই সেই উদ্দীপক বস্তুকে চোখ ধাঁধানো কিছু হলে চলবে না, বরং ধীরে ধীরে ও গভীর মনোযোগের মাধ্যমে ভালো লাগে এমন কিছু হতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা