মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান
প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৪ ১৩:১৫ পিএম
স্বর্ণের চেয়েও দামি বলা হয় আগর গাছের কাঠকে
স্বর্ণের চেয়েও দামি বলা হয় এই গাছের কাঠকে। বলছি, আগর গাছের কথা। প্রাকৃতিকভাবে সুগন্ধি উৎপাদনে আগর গাছের জুড়ি মেলা ভার। ফলে প্রাচীনকাল থেকেই এর ব্যবহার হয়ে আসছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া আগর চাষের উপযোগী। দারুণ অর্থকরী এই গাছের নানা দিক নিয়ে লিখেছেন উদ্যোক্তা ও আগর বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান
আগর গাছের আদি উৎস বা উৎপাদন অঞ্চল বাংলাদেশের পূর্বাংশ ও সংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম অঞ্চল। যদিও আমাদের বন বিভাগ আগর গাছের আদি উৎস হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টকেই নির্দেশ করেন। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি মালয়া’র গবেষকরা বলেন, আগর গাছের আদি উৎস পূর্ব ভারত।

আগর গাছ বিশ্বের সব অঞ্চলে জন্মে না। বর্তমানে আগর গাছ উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ এবং ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো। আগর গাছের কিছু কিছু প্রজাতি শ্রীলঙ্কা, চীন, পাপুয়াতেও জন্মে। আগরের প্রধান ভোক্তা অঞ্চল আরব রাষ্ট্রগুলো। সুপ্রাচীনকাল থেকে আরব বণিকরা সুগন্ধি আগর কাঠ কিনতে বর্তমান ফেনী জেলা শহরের পাশের অধুনালুপ্ত একটি বন্দরে আসত বলে প্রাচীন ইতিহাসগ্রন্থে উল্লেখ আছে। তারা ওই বন্দরে এসে আগরতলা, সিলেট ও আসামের আগর কাঠ কিনত।
কয়েক হাজার বছরের পুরোনো ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলার নামকরণও হয়েছিল এ আগর গাছ থেকেই। আগর গাছের প্রজাতি ১৭টি। কোনো কোনো বর্ণনায় ১৩টি হলেও বেশ কয়েকটি প্রজাতি ইতোমধ্যে বিলুপ্ত। বাণিজ্যিকভাবে বেশি চাষ হওয়া প্রজাতি হলো অ্যাকিউলারিয়া ম্যালাকানসিস প্রজাতি (aquilaria malaccensis)। বিশ্বে সুগন্ধি আগর উৎপাদনের প্রায় ৫০ শতাংশ এ প্রজাতি থেকে আসে। আর এ ম্যালাকানসিস প্রজাতিই আমাদের এ অঞ্চলের আবহাওয়ায় ভালো জন্মে।

আগরের কাঠ নরম প্রকৃতির, অনেকটা তুলা গাছের কাঠের মতো। নরম ও সাদা, বহুবর্ষজীবী এ গাছ দেড় থেকে দুইশ বছর পর্যন্ত বাঁচে। লম্বায় ৭৫ ফুটের বেশি ও ভূমিসমতলে ৭ ফুট পর্যন্ত বেড়ে মোটা হতে পারে। এ গাছের ডালপালা কম হয়। ঘন গাছগাছালির মধ্যেও দ্রুত বেড়ে ওঠে, অনেকটা অ্যাকাশিয়া গাছের মতো। আগর গাছে তিন বছর বয়সে প্রথম ফুল আসে। আগর গাছের পাতা, কাঠ, শেকড়, চামড়া সবই ব্যবহৃত হয়। পাতা থেকে উৎপাদিত চা বা পানীয় সুগন্ধিযুক্ত হারবাল পানীয় হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন রোগে এ চা যথেষ্ট কার্যকর। যদিও আমাদের দেশে এর প্রচলন নেই। বিশ্ববাজারে আগর গাছের পাতা থেকে উৎপাদিত চা বা পানীয়র মূল্য সাধারণ চায়ের থেকে অন্তত ৩০-৪০ গুণ বেশি! তিন বছর বয়সি একটি আগর গাছ থেকে বছরে ৫ থেকে ৭ কেজি শুকনো ‘আগর চা’ পাতা সংগ্রহ করা যায়। জুনে থোকায় থোকায় সাদা রঙের ফুল ফোটে। এ ফুল থেকে মৌমাছি মধু আহরণ করে।
আগর কাঠ মূলত সাদা, গাছের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছর হলে এ সাদা কাঠের বিভিন্ন স্থানে এক প্রকার ছত্রাকের সংক্রমণের প্রভাবে প্রাকৃতিকভাবে কালো রঙ ধারণ করে। আর এ কালো রঙ ধারণ করা কাঠই সুগন্ধি আগর কাঠ। কিন্তু প্রতিটি আগর গাছ প্রাকৃতিকভাবে ছত্রাকে সংক্রমিত হয় না, তাই শতবর্ষজীবী হলেও আমাদের আকাঙ্ক্ষিত প্রাকৃতিক কালো কাঠও উৎপাদন হয় না, সাদাই থেকে যায়। শতকরা ৫ থেকে ৭টি আগর গাছই শুধু প্রাকৃতিকভাবে ছত্রাকে আক্রান্ত হয়।
আসাম, মেঘালয়সহ ভারতের কয়েকটি অঞ্চল থেকে শুরু করে দেশের শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, বৃহত্তর সিলেট এবং কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার অঞ্চলের প্রকৃতিতে একসময় প্রচুর আগর গাছ পাওয়া যেত। একটা সময় এ অঞ্চলের সংগ্রাহকরা কালো আগর কাঠের খোঁজে একের পর এক গাছ কাটত। ১০০ আগর গাছ কাটলে হাতেগোনা কয়েকটিতে কালো কাঠ পেত। এভাবেই এ অঞ্চল প্রাকৃতিক আগর গাছশূন্য হয়ে পড়ে।কালো আগর কাঠ সংগ্রহ করে তার এক প্রান্ত আগুনে পুড়িয়ে দিলে জ্বলতে থাকত আর সুগন্ধি ধোঁয়া বের হতো। দেখা গেল, এ কাঠ পানিতে সেদ্ধ করলেও এক প্রকার সুগন্ধি তেল ভেসে উঠত। আর ওই সুগন্ধি তেলকেই বলা হয় ‘আতর’। বিভিন্ন ধর্মেও আগর কাঠ বা এর সুগন্ধির ব্যবহার ও এ সম্পর্কে বলা আছে। বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত কালো আগর সুগন্ধি কাঠের পরিমাণ খুবই সামন্য, দুষ্প্রাপ্য এবং অতি উচ্চমূল্যের।

ঘটনাচক্রে মার্কিন-ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় থেকে কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগর গাছে ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটিয়ে কালো কাঠ উৎপাদন শুরু হয়। ঘটনাটি বললে এমন শোনাবেÑভিয়েতনাম-লাওস সীমান্তের বনাঞ্চলে প্রচুর আগর গাছ পাওয়া যায়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন বাহিনীর ভয়ে লোকজন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। মার্কিন সেনারা জঙ্গলে অভিযানের সময় এলোপাতাড়ি গুলি করত। যুদ্ধ শেষে স্থানীয় সংগ্রাহকরা সুগন্ধি আগরের খোঁজে জঙ্গলে গিয়ে দেখে সব আগর গাছেই কমবেশি সুগন্ধি কালো কাঠের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এত দিন ধরে দেখে আসছিল শত শত আগর গাছ কাটলে দু-চারটিতে সুগন্ধি কালো কাঠের সৃষ্টি হয়। অনুসন্ধানের পর দেখা গেল, আগর গাছের যে স্থানে গুলির (ধাতব পদার্থের) চিহ্ন রয়েছে সে স্থানে কম বয়সি গাছেও সুগন্ধি কালো আগর কাঠের সৃষ্টি হয়েছে। এর পর থেকেই আগর গাছ জন্মে এমন অঞ্চলে লোহা/তারকাঁটা/পেরেক দিয়ে কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগর উৎপাদন ছড়িয়ে পড়েছে।
লোহা বা তারকাঁটা দিয়ে কালো কাঠ উৎপাদন করতে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগে। সাধারণত পাঁচ থেকে সাত বছর বয়সের আগর গাছের গোড়া থেকে ডালপালা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অংশে প্রতি দুই ইঞ্চি পরপর লোহা ঢুকিয়ে দিতে হয়। এর পরও বেশ কয়েকটি নতুন পদ্ধতি এসেছে আগর সেক্টরে। যেমন CA kit, (cultivated agar kit), AGAR wid, ন্যানো টেকনোলজি, বায়ু ইনকোলেশন ইত্যাদি। ca kit, agar wid এখন প্রায় সব আগর গাছ অধ্যুষিত অঞ্চলেই পরিত্যক্ত/বাতিল পদ্ধতি হিসেবে পরিগণিত। ন্যানো টেকনোলজিও মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ অনেক অঞ্চলে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যর্থ। বাংলাদেশেও এ পদ্ধতি ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো বায়ু ইনকোলেশন। এটিরও আছে বেশ কয়েকটি মাধ্যম।
লোহা/তারকাঁটা পদ্ধতির চেয়ে বায়ু ইনকোলেশন পদ্ধতিতে সুগন্ধি কালো আগর কাঠ ও তেলের উৎপাদন কয়েক গুণ বেশি হয়। খরচ এবং সময়ও অনেক কম লাগে। এভাবে উৎপাদিত সুগন্ধি কাঠ ও তেলে লোহা/তারকাঁটা পদ্ধতির মতো আয়রন অক্সাইডের সংমিশ্রণের সম্ভাবনা থাকে না। বায়ু ইনকোলেশনের মাধ্যমে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ছয় থেকে আট মাসেই যেকোনো বয়সি আগর গাছ থেকে সুগন্ধি কালো কাঠ উৎপাদন করে বহুদিন ধরে।
সম্প্রতি আগেই উল্লেখ করেছি আগর গাছের কাণ্ড বা কাঠ নরম ও সাদা, সেই সাদা কাঠের যেকোনো স্থানে প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম যেকোনোভাবে ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটলে আগর গাছ তার নিজের প্রতিরক্ষার জন্য নিজে থেকেই এক প্রকার রস বা RESIN উৎপাদন করে। সেই ছত্রাক আক্রান্ত স্থানের চারপাশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে, যাতে ছত্রাক গাছটির পুরো দেহে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। কালক্রমে সে রস সাদা কাঠের সঙ্গে জমাট বেঁধে কালো রঙ ধারণ করে সুগন্ধিতে রূপান্তরিত হয়।
সাধারণত আগর গাছের বয়স তিন বছর হলে প্রথম ফুল আসে। তখন একটি আগর গাছ মাঝারি আকারের বাঁশের মতো মোটা হয়। তিন বছর বয়স থেকে শতাধিক বছর বয়সের যেকোনো বয়সের আগর গাছে সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে বায়ু ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা যায়। ভ্যাকসিন প্রয়োগের এক মাসের মধ্যে গাছে ছত্রাক সংক্রমণের লক্ষণ প্রকাশ পায়। আবহাওয়া অঞ্চল ও মাটির প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে কালো আগর কাঠ আহরণের উপযুক্ত হয়। তবে ভ্যাকসিন প্রয়োগের এক বছর পর কালো কাঠ সংগ্রহ করলে ভালো মানের সুগন্ধি কাঠ পাওয়া যায়। পুরো বিষয়টি অনেকটা কৃত্রিমভাবে ঝিনুকে মুক্তা চাষ করার মতো।

বাংলাদেশে আগর নিয়ে সরকারিভাবে কাজ শুরু হয় ১৯৯৬ সাল নাগাদ। তখন পার্বত্য এলাকাসহ সিলেট অঞ্চলের কিছু জায়গায় সীমিত পরিসরে সামাজিক অংশীদারির ভিত্তিতে অল্প কিছু বাগান সৃষ্টি করা হয়। বন বিভাগের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশে ৩ কোটির মতো আগর গাছ আছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথাই বলে। রোপণের সময় ঠিকই হয়তো ৩ কোটি আগর চারাই ছিল। কিন্তু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগরসংশ্লিষ্ট সরেজমিনের পর উপলব্ধি হয়েছে, বর্তমানে এর ১০ শতাংশ হয়তো টিকে আছে। এ ছাড়া সরকারিভাবে সৃষ্টি করা আগরবাগানে অন্য ফসলের চাষই হচ্ছে বেশি।
দেশজুড়ে ব্যক্তিগত মালিকানায় বর্তমানে খুব বেশি আগর গাছ নেই। যা কিছু আছে সেটাও মৌলভীবাজারের বড়লেখা সুজানগর জুরি ছাড়াও সিলেট সদরের জকিগঞ্জে। এ অঞ্চলের আগর বা আতর ব্যবসায়ীরা মূলত আসাম অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের বংশধর। মুঘল রাজদরবারে তারা আগর-আতর সরবরাহ করতেন। সুজানগরের আগর প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি প্রাচীন আমলের। তারা আধুনিকতার ধার ধারে না। বায়ু ইনকোলেশনে তারা আগ্রহী নয়। প্রায় দুই দশক আগে শ্রীলঙ্কা থেকে কেমিক্যালনির্ভর ভ্যাকসিন আমদানি করেন জনৈক ব্যক্তি। এ এলাকার আগর গাছগুলোয় যা প্রয়োগের পর সুগন্ধি আতরের পরিবর্তে গাছগুলো পচে মরে যায়। ফলে সেই ভয়ে এখানকার মানুষ নতুন কোনো পদ্ধতি গ্রহণে ইচ্ছুক নয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলেও ব্যক্তিমালিকানায় কিছু গাছ আছে, এ অঞ্চলেও আছে অনেক সীমাবদ্ধতা।

দেশের হাজার হাজার সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খালি জায়গা, যেগুলো প্লাবন ভূমির আওতাধীন নয়, এমন স্থানে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কয়েক কোটি আগর গাছ রোপণ করা সম্ভব। কারণ আগর গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকলে মারা যায়। এ গাছের পাতা গবাদিপশু খায় না। পোকামাকড়ের উপদ্রবও কম। সার কিংবা বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনও নেই। এতে করে ব্যক্তি থেকে শুরু করে সরকার পর্যন্ত লাভবান হতে পারে বলে মনে করি। আগর গাছ দেখতে দৃষ্টিনন্দনও বটে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানের উন্মুক্ত জায়গায় আগর গাছ চাষ করা যেতে পারে। এ গাছের ডালপালা কম। সোজা হয়ে খাড়া ওপরে উঠে যায়। তাই শহর অঞ্চলের রোড ডিভাইডারে অনায়াসেই আগর গাছ লাগানো যায়। আগর গাছ যেহেতু খরাসহিষ্ণু। এসব ইটের বাঁধাই যুক্ত শুকনো স্থানে দিব্যি বেঁচে থাকবে। যার মাধ্যমে শতভাগ রপ্তানিমুখী আগর ও আগর পণ্য দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ খুলতে পারে। এ ছাড়াও আমাদের দেশের দীর্ঘ রেলপথের দুই ধারেও বাণিজ্যিকভাবে আগর গাছ রোপণের দারুণ সুযোগ রয়েছে।
অনেকে সঠিক তথ্য না জেনে বলেন, আগর গাছ পাহাড়ি অঞ্চলের গাছ। পাহাড়ি মাটি ছাড়া এ গাছ জন্মে না। মূল কথা হলো, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সব ধরনের মাটিতেই আগর গাছ জন্মে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, গাছের গোড়ার মাটিতে যেন পানি না জমে। এ ছাড়াও মাটি বেশি স্যাঁতসেঁতে থাকলেও শিকড় পচে গাছ মারা যাবে। পাহাড়ি অঞ্চলের মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই সুগন্ধি কালো আগর কাঠ সৃষ্টি হয়। তবে সমতলের মাটিতে কৃত্রিম পদ্ধতি ছাড়া সুগন্ধি কালো আগর কাঠ সৃষ্টি প্রায় অসম্ভব।