এসএসসি থেকে পিএইচডি
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৪ ১৩:১৬ পিএম
মো. সুমন আলী, মো. মামুনুর রশিদ ও মো. নাঈম হোসেন (বাঁ থেকে)
মো. মামুনুর রশিদ, মো. সুমন আলী ও মো. নাঈম হোসেন তিন বন্ধু। তাদের বন্ধুত্ব দেখে ক্যাম্পাসে সবাই মানিকজোড় নামে ডাকতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে তিনজন একই সঙ্গে পড়াশোনা করা, থিসিস পেপার করা ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিও নেন।
তিনজনের বিবিএ ও এমবিএতে সিজিপিএ একই। এমনকি এসএসসি ও এইচএসসিতেও তাদের জিপিএ একই। বিবিএ ও এমবিএতে ভালো ফল করে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি পেতে শুরু করেন প্রস্তুতি। এ বছর তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিসহ পিএইচডি করার সুযোগ পেয়েছেন। আসছে আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন তারা। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ করেছেন তিন বন্ধু। তিনজনের সিজিপিএ বিবিএতে ৩.৮৪ ও এমবিএতে ৩.৯৩। মো. সুমন আলী একটি পিএইচডি ও একটি মাস্টার্সের ভর্তির বৃত্তিসহ অফার পেয়েছিলেন, নাঈম হোসেন মাস্টার্স, পিএইচডিসহ মোট চারটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারটি অফার পেয়েছেন এবং মামুনুর রশিদ বৃত্তিসহ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে একটি বেছে নিয়েছেন।
মো. মামুনুর রশিদ ফিন্যান্স বিষয়ে ফুল ফান্ড নিয়ে পিএইচডি করতে যাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট সান আন্তোনিওতে। মো. সুমন আলী ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট এল পাসোতে ফিন্যান্স বিষয়ে বৃত্তিসহ পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন এবং মো. নাঈম হোসেন ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিন্সে ফিন্যান্সিয়াল ইকোনমিকসে পিএইচডি করতে যাচ্ছেন।
এমবিএতে ভালো ফলাফলের পরই তারা তিনজন যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিজনেস পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। বিবিএ চতুর্থ বর্ষে থাকাকালীন একসঙ্গে গবেষণা শুরু করেছিলেন। তাই পাস করার আগেই তাদের অনেকগুলো রিসার্চ পেপার তৈরি হয়ে যায়। জিআরই ও আইইএলটিএস-এ উচ্চ স্কোর না থাকায় রিসার্চ পেপার ও এসওপিতে জোর দেন তারা। নিজেরা এসওপি লিখে আমেরিকাতে পিএইচডি স্টুডেন্টদের থেকে রিভিউ করিয়ে নেন। ভবিষ্যতে এই তিন বন্ধুর লক্ষ্য সমাজ, অর্থনীতি ও ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে প্রভাব রাখে এমন ভালো মানের গবেষক হওয়া। নিজেরা শিক্ষক হয়ে বিজনেস রিসার্চ ইনস্টিটিউট করতে চান, যেখানে বিবিএ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা গবেষণায় যুক্ত হতে পারবেন।