প্রথা মারিশা
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১২:৫২ পিএম
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১২:৫৮ পিএম
লেখার সঙ্গে সুন্দর ছবিটি এঁকেছে আনিশা খন্দকার। সে ঢাকার বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী
বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশাল জায়গা জুড়ে প্রতি বছর বইমেলা হয়। ফেব্রুয়ারিব্যাপী এ মেলায় আমি মা-বাবার সঙ্গে যাই। বইমেলায় আমার ভালো লাগে শিশুপ্রহর। এবারও আমি গিয়েছিলাম। সেখানে অনেক নতুন বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলো।
গেট দিয়ে ঢুকে প্রথমে গেলাম শিশুচত্বরে। সেখানে হালুম, টুকটুকি ও সিকুর সঙ্গে খেলে খুব মজা পেলাম। আমার মতো আরও ছেলেমেয়ে এসেছে। ওখানে গিয়ে আমার ভালো লাগে ছবি আঁকতে। এবারও ছবি আঁকলাম।
আমার আরও ভালো লাগে ইকরি-মিকরি ও ডাক-এর স্টল। এসব স্টল থেকে আমি প্রতি বছরই বই কিনি। এবারও মা-বাবা আমাকে কয়েকটি বই কিনে দিল। ইকরি-মিকরি থেকে নিলাম ‘হালুম! আলুম!’, ‘বাঘ এসেছে বাঘ, ভাগরে সবাই ভাগ’, ‘মা কাক আর ছা কাক’। ডাক-এর স্টল থেকে নিলাম, ‘জানার আছে অনেক কিছু’, ‘ইশপের গল্প এক ও দুই । বইগুলো দেখতে যেমন সুন্দর, পড়তেও অনেক মজার।
এ বইগুলো কেনার পর আরও অনেক স্টল ঘুরে দেখলাম। বড়দের বইয়ের স্টলগুলোয় অনেক মানুষের ভিড়। আমার মা-বাবা সেখান থেকে কিছু বই কিনল। ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে পড়লাম। আমার খুব পানির তেষ্টা পেল। বাবা মেলার ভেতরের খাবার দোকান থেকে আমার জন্য পানি ও আইসক্রিম কিনে আনল। আমি গ্লাস টাওয়ারের পাশের লেকের বেঞ্চে বসে সেই পানি পান করলাম ও আইসক্রিম খেলাম। এরপর বাবার কাছে জানলাম গ্লাস টাওয়ার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইতিহাস।
প্রথম শ্রেণি, শহীদ লে. আনোয়ার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা