এ সপ্তাহের ছড়া-কবিতা
ফারুক হোসেন, গোলাম নবী পান্না, সারোয়ার হোসেন
প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:৩৫ পিএম
আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:৪৪ পিএম
অলংকরণ: জয়ন্ত সরকার
বাহুসমাচার
ফারুক হোসেন
ত্রিভুজের থাকে তিনখানি বাহু
চতুর্ভুজের চার
চার বাহুতেই আয়তক্ষেত্র
ক্ষেত্র বর্গাকার।
পঞ্চভুজের পাঁচখানা বাহু
ষড়ভুজে বাহু ছয়
সপ্তভুজের পরিধিটা জুড়ে
সাতখানা বাহু হয়।
অষ্টভুজের কাঠামোয় থাকে
আটটি বাহুর যোগ
বাহু নিয়ে এই জ্যামিতির খেলা
করে যাই উপভোগ।
নেই মানুষের দুই বাহুর কথা
জ্যামিতির পৃষ্ঠায়
অথচ মানুষ দুই বাহু দিয়ে
সবকিছু হাতে পায়।

হেমন্তেরই নেমন্তন্নে
গোলাম নবী পান্না
ধানের ক্ষেতে গন্ধে মেতে ছন্দে ফেরে চাষি
আনন্দেরই দিন পেয়ে তাই ঠোঁটে ফোটে হাসি।
হেমন্তেরই নেমন্তন্নে আনন্দের এ ধারা
ম-ম সেই গন্ধে যেন মেতে ওঠে পাড়া।
সোনার ফসল নিয়ে চাষি ফেরে যখন বাড়ি
সুখের পথে নেইতো বাধা দুখের সাথে আড়ি।
কার্তিক এবং অগ্রহায়ণ মাস দুটি এই এলে
নবান্ন আর পিঠাপুলির এসব দেখা মেলে।
সেসব নিয়ে মাতামাতি সবার ঘরে ঘরে
সুস্বাগত জানাই তখন এমন হেমন্তরে।

প্রজাপতির পাখা
সারোয়ার হোসেন
প্রজাপতির পাখায় পাখায়
নানা রঙের আল্পনা
রঙের ভেলায় ভেসে খোকা
আঁকে মনে কল্পনা।
ফুলে ফুলে উড়ে বসে
মনের কথা কয়
তাই না দেখে খোকার মনে
খুশির জোয়ার বয়।
সারাটি দিন ঘুরে ঘুরে
সুখের আবেশ ছড়ায়
তাই না দেখে মুগ্ধ হয়ে
খোকার নয়ন জুড়ায়।
প্রজাপতি হতো যদি
খোকা ভাবে মনে
কল্পনাতে খোকা ছোটে
নিত্য গহিন বনে।