ওয়াসি তানজীম
প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৩ ১৫:৩২ পিএম
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:৩৭ পিএম
শীতপোশাক ব্যবহারের আগে গোছগাছ করে নিতে হবে। ছবি- সংগৃহীত
দিনে
বেশ গরম আর ভোররাতের
দিকে হিম হিম বাতাস।
হেমন্তের মাঝামাঝিতে গরম কাপড় বা
লেপ-কম্বল ব্যবহারের প্রয়োজন এখনই হয়তো পড়ছে
না। তবু সেসব নামিয়ে
গোছগাছ করে নেওয়ার এই
তো সময়
গত বছরের শীতের পোশাক, লেপ-কম্বল ভালোভাবে
সংরক্ষণ করা সত্ত্বেও এতে
ধুলার আস্তরণ জমতে পারে। এ
ধুলা হতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকির
কারণ। তাই ধুলা পরিষ্কার
করতে হবে প্রথমে। ধুলা
ঝাড়ার সময় নাক-মুখ
ঢেকে নিতে হবে। আর
তখন যেন শিশুরা আশপাশে
না থাকে। এ ছাড়া পুরোনো
শীতের পোশাক ও লেপ-কম্বল
ব্যবহারের আগে সেগুলো ব্যবহারোপযোগী
করে নিতে হবে।
লেপ
ও কভারের যা কিছু
লেপ
বের করে আগেই কড়া
রোদে মেলে দিন। গত
মৌসুমে রোদে রেখে সংরক্ষণ করা
হলেও এ বছর ব্যবহারের
আগে রোদ পোহাতে হবে।
কড়া রোদে লেপ মেলে রাখার
পর তা গরম হয়ে
যাওয়া পর্যন্ত রোদেই রাখুন। এরপর ঠান্ডা স্থানে
আনুন। লেপের মধ্য থেকে রোদের
উষ্ণতাটা চলে যাওয়ার পর
কভার পরিয়ে ব্যবহার করুন।
লেপ-কম্বল
তুলে
রাখা লেপ, কম্বল, কাঁথা
বের করে কড়া রোদে
দিতে হবে। রোদ থেকে
আনার পর এগুলো রাখার
জন্য আলমারিতে একটা নির্দিষ্ট স্থান
নির্বাচন করে রাখতে হবে।

শীতপোশাক
শিশুর
শীতের পোশাক
শিশুদের
ব্যাপারে কোনোরকম ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। যেকোনো
পোশাক পরানোর আগে অবশ্যই ভালোমতো
দেখে নিন পোশাকটিতে ধুলাময়লা
বা কোনো ধরনের পোকামাকড়
রয়েছে কি না। গত
মৌসুমের শীতের পোশাক এ মৌসুমেও তার
গায়ে লাগবে এবং সে ব্যবহার
করতে পারবে বলে মনে হলে
পুরোনো কাপড়গুলো অবশ্যই রোদে রাখুন। কাপড় উষ্ণ হয়ে যাওয়ার
পর ভালোভাবে ঝেড়ে নিয়ে সেটি ঘরে
আনুন। শিশুকে ফ্লানেল, উল, ভেলভেট বা
যেকোনো কৃত্রিম তন্তুর তৈরি শীতবস্ত্র পরানোর
আগে পাতলা ও নরম প্রকৃতির
সুতি কাপড় পরিয়ে নিন। নইলে শীতবস্ত্রের
কারণে শিশুর ত্বকে অস্বস্তি হতে পারে। আর
যদি কিনতে হয় তাহলে কানটুপি,
হাতমোজা, পা-মোজা এখনই
কিনে রাখুন। হঠাৎ শীত নেমে
এলে তারা যাতে কষ্ট
না পায়।
নতুন কিছু কিনলে
নতুন
শীতপোশাক ব্যবহারের আগে আলোবাতাসসমৃদ্ধ স্থানে
মেলে রেখে ভালোভাবে ঝেড়ে
নিতে হবে।