× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইন

পরিবারকে সুরক্ষা দেবে যে আইন

দিলরুবা শরমীন

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৩:২৫ পিএম

পরিবারকে  সুরক্ষা দেবে যে আইন

২০১০ সালে পাস হয় পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইন। আইনটি পরিবারের সুরক্ষায় করা হলেও প্রচারের অভাবে এর প্রয়োগ দেখা যায় কম। পারিবারিক সহিংসতা কমিয়ে আনতে আইনটির বিকল্প নেই...

বিজ্ঞ আদালত ছিপছিপে গড়নের বাচ্চা মেয়েটির দিকে এক পলক তাকিয়ে উকিল সাহেবাকে জিজ্ঞেস করলেনÑ বলুন কী মামলা করতে এসেছেন? অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাশিশুর আইনজীবী পেশ করলেন- এই কন্যাশিশুর মা তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। সে পড়াশোনা, ঘুম এবং খেতে পারছে না। তার মধ্যে সব সময় সুইসাইডাল টেন্ডেন্সি কাজ করছে। এর একটা বিহিত চাইতে আদালতের দারস্থ হয়েছি। 

বিজ্ঞ আদালত ডকে দাঁড়ানো মেয়েটির দিকে আবার তাকালেন। পেছনেই দাঁড়িয়ে আছে তার বাবা। বাবার কাছেই বিস্তারিত জানতে চাইলেন- কী হয়েছে আপনিই বলুন।

বাবার মুখ থেকে বিস্তারিত শোনার পর বিজ্ঞ আদালত একটু অপ্রস্তুত বোধ করলেন। নিজের মনোভাব একপ্রকার চেপে রেখেই জিজ্ঞেস করলেন, অন্য সমাধানও তো আছে, তাহলে এই আইনে মামলা করতে এসেছেন কেন?

উকিল সাহেবা বুঝতে পারলেন- সম্ভবত পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনের কাঙ্ক্ষিত প্রচার না থাকায় এবং এই আইনে মামলা হয় না বিধায় ক্ষাণিকটা ইতস্তত করছেন বিজ্ঞ আদালত। পরে নানাভাবে বিজ্ঞ আদালতকে সবকিছু বুঝিয়ে মামলাটি দায়ের করে আমলে নেওয়া হয়।

ওপরে বর্ণিত ঘটনা ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন আদালতে ঘটছে প্রতিনিয়তই। ২০১০ সালে পাস হওয়া পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনটির প্রচার-প্রচারণা নানাবিধ কারণেই কম দেখা যায়। রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব, আইনজীবীদের অজ্ঞতা, মানবাধিকারকর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ইত্যাদির কারণে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় অনন্য একটি আইন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

কুমিল্লা কোর্টের বারান্দায় একজন প্রবীণ মানুষ প্রায়ই এসে বসে থাকেন। দুস্থ চেহারা আর মলিন পোশাকই বলে দেয় মামলা চালানোর মতো টাকা তার নেই। একদিন জজ সাহেবের নজরে পড়লে তিনি তার পেশকারকে দিয়ে প্রবীণ মানুষটিকে ডেকে পাঠান খাস কামরায়। সবকিছু শুনে তিনি সরকারি আইনি সহায়তা প্রদানকারী আইনজীবীকে ডেকে মামলাটি ফাইল করতে বলেন। বৃদ্ধ মানুষটির অভিযোগ এই যেÑ তার ছেলে আর ছেলের বউ তাকে খেতে দেয় না, অথচ তারা তার ভিটা দখল করে বসে আছে। পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনের ধারায় এই মামলার যুগান্তকারী রায় দেন কুমিল্লা কোর্টের বিজ্ঞ আদালত।


তাহলে বোঝা যাচ্ছে, এই আইনের আওতায় যা আছে তা আমরা জানি না। অথচ আইনটি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা আবশ্যক ছিল বলে মনে করি।

আইন জানা নাগরিক অধিকার। আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নাগরিকদের আইনগুলো জানানো। আইন জানা থাকলে সংশ্লিষ্ট নাগরিক তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে। 

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনটির কিছু অংশ উল্লেখ করছি; ‘এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পারিবারিক সহিংসতা বলিতে পারিবারিক সম্পর্ক রহিয়াছে এমন কোনো ব্যক্তি কর্তৃক পরিবারের অপর কোনো নারী বা শিশু সদস্যের ওপর শারীরিক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন অথবা আর্থিক ক্ষতিকে বোঝাইবে।’

এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-

(ক) ‘শারীরিক নির্যাতন’ অর্থে এমন কোনো কাজ বা আচরণ করা, যাহা দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জীবন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শরীরের কোনো অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয় অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকে এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে অপরাধমূলক কাজ করিতে বাধ্য করা বা প্ররোচনা প্রদান করা বা বলপ্রয়োগও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(খ) ‘মানসিক নির্যাতন’ অর্থে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহও অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা :-

(অ) মৌখিক নির্যাতন, অপমান, অবজ্ঞা, ভীতি প্রদর্শন বা এমন কোনো উক্তি করা, যাহা দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়;

(আ) হয়রানি; অথবা

(ই) ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অর্থাৎ স্বাভাবিক চলাচল, যোগাযোগ বা ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা মতামত প্রকাশের ওপর হস্তক্ষেপ;

(গ) ‘যৌন নির্যাতন’ অর্থে যৌন প্রকৃতির এমন আচরণও অন্তর্ভুক্ত হইবে, যাহা দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্ভ্রম, সম্মান বা সুনামের ক্ষতি হয়।

(ঘ) ‘আর্থিক ক্ষতি’ অর্থে নিম্নেবর্ণিত বিষয়সমূহও অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা-

(অ) আইন বা প্রথা অনুসারে বা কোনো আদালত বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা, সম্পদ বা সম্পত্তি লাভের অধিকারী উহা হইতে তাহাকে বঞ্চিত করা অথবা উহার ওপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান;

(আ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র প্রদান না করা;

(ই) বিবাহের সময় প্রাপ্ত উপহার বা স্ত্রীধন বা অন্য কোনো দান বা উপহার হিসেবে প্রাপ্ত কোনো সম্পদ হইতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা বা উহার ওপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান;

(ঈ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মালিকানাধীন যে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি তাহার অনুমতি ব্যতিরেকে হস্তান্তর করা বা উহার ওপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান; অথবা

(এ) পারিবারিক সম্পর্কের কারণে যে সকল সম্পদ বা সুযোগ-সুবিধাদিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির ব্যবহার বা ভোগদখলের অধিকার রহিয়াছে, উহা হইতে তাহাকে বঞ্চিত করা বা উহার ওপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান।

এই আইনে খুব সুনির্দিষ্ট করে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব সম্পর্কেও বলা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভিক্টিম ও পুলিশ আইনের এ বিষয়গুলোর জ্ঞান না থাকায় কেউই আইনের সুবিধা দিতে বা নিতে পারে না।

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনে পুলিশ অফিসার, প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং সেবা প্রদানকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য ইত্যাদি নিয়ে বলা হয়েছে-

যদি কোনো পুলিশ অফিসার কোনোভাবে পারিবারিক সহিংসতার সংবাদপ্রাপ্ত হন অথবা পারিবারিক সহিংসতা যে স্থানে ঘটিয়াছে সে স্থানে উপস্থিত থাকিবার কারণে পারিবারিক সহিংসতা সম্পর্কে তথ্যপ্রাপ্ত হন, তাহা হইলে তিনি পারিবারিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তিকে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অবহিত করিবেন, যথা:Ñ

(ক) এই আইন অনুসারে প্রতিকার পাইবার অধিকার;

(খ) চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির সুযোগ;

(গ) প্রয়োগকারী কর্মকর্তার নিকট হইতে সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ;

(ঘ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬নং আইন) অনুসারে বিনা খরচে আইনগত পরামর্শ ও সহায়তাপ্রাপ্তি;

(ঙ) অন্য কোনো আইন অনুসারে প্রতিকারপ্রাপ্তির উপায়; এবং

(চ) সরকার কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন।

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনের প্রচার ও সদ্ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতাও প্রয়োজন। এই আইন জেন্ডার ও কাস্টফ্রেন্ডলি, তাই সবাই এই আইনের সুবিধাভোগী। এখানে উভয় পক্ষের বাবা-মা, নানা-নানি, দাদা-দাদিসহ সবাই একইভাবে ন্যায়বিচার পায় বলেই অভিজ্ঞজনের অভিমত।


আইনটি বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, যা সিভিল আকারে মামলা দায়ের করতে হবে, কিন্তু আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করলে সেটা হবে ক্রিমিনাল অফেন্স। 

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইন একটি জনবান্ধব আইন। এই আইনের প্রতিটি ধারায় নাগরিকদের পারিবারিক সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘন করলে কী শাস্তি সেটারও উল্লেখ আছে। এই আইনের মাধ্যমে একই জায়গায় পাশাপাশি বসবাস করেও কীভাবে সুসম্পর্ক বজায় রাখা যাবে, সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আমাদের দেশে সাধারণত একটা প্রবণতা লক্ষ করা যায়- স্বামী-স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা না হলেই তারা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিতে চান। উভয়ে তো বটেই, ছেলে-মেয়েসহ পুরো পরিবারকেই ডিভোর্সের কুফল ভোগ করতে হয়। ডিভোর্সের কারণে উৎপত্তি হয় একাধিক মামলার। যেমন- যৌতুকের জন্য নির্যাতন, যৌতুক চাওয়া, দাম্পত্য-জীবন পুনরুদ্ধার, দেনমোহর ভরণপোষণ খোরপোশ, বাচ্চার কাস্টডি বা গার্জিয়ানশিপ, সম্পত্তির ভাগাভাগি ইত্যাদি। এতগুলো মামলা আর দূষিত পরিবেশ পরিস্থিতি থেকে আমরা সহজেই নিষ্কৃতি পেতে পারি এই সহজ আইনের মাধ্যমে। আমাদের সহনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে এই আইন। এখানে একটি কেস স্টাডির কথা উল্লেখ করতে চাই।

মানুষ অনেক আবেগ, ভালোবাসা ও স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধে। প্রতিটি মানুষ একটা স্বতন্ত্র সত্তা হওয়ায় একসঙ্গে বাস করতে গিয়ে নানা কারণে তাদের মতের অমিল হয়। যার প্রেক্ষিতে অনেক সময় মতানৈক্যের কারণে আবেগের বশে হুট করেই ডিভোর্সের মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তারা। কিছু দিন পরে সেই রাগ-ক্ষোভ অবদমিত হয়ে এলে আফসোস শুরু হয়। তারা তখন একে অন্যের শূন্যতা অনুভব করতে শুরু করে। কিন্তু ইগো প্রবলেম বা ব্যক্তিত্বের বিরোধ তাদের পুনর্মিলনে বাধার সৃষ্টি করে। এসব বাধা-বিপত্তি এড়াতে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনের বিকল্প নেই। 

সম্প্রতি আমার এক ক্লায়েন্ট তাদের দীর্ঘ ৩০ বছরের দাম্পত্য-জীবন এক নিমেষে শেষ করে দেন। তারা উভয়েই চিকিৎসক। তালাক কার্যকর হওয়ার মাত্র দুয়েক দিন আগে উভয়েই বুঝতে পারেনÑ আসলে যা ঘটেছে সেটা রাগের মাথায়। সন্তানদের জন্য এবং সামাজিকভাবে তারা একে অন্যের পরিপূরক। পাশাপাশি দুজনেই পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সে এসে একধরনের নিঃসঙ্গতায় ভুগতে থাকেন। কিন্তু লোক লজ্জার ভয়ে মিলিত হতে পারছিলেন না। শেষ অবধি দুজনে গোপনে তালাক উত্তোলন করে বিদেশে পাড়ি জমান। পরে তাদের সন্তানরা বিষয়টি জানতে পেরে বাবা-মাকে ফিরিয়ে আনেন। এ রকম অসংখ্য জানা-অজানা জীবনের গল্প আমাদের চারপাশে লুকানো আছে। 

দেখা যায়, আবেগের বশবর্তী হয়ে এবং অন্যের প্ররোচনায় একেকটা ঘটনা ঘটে যায়। ফিরে আসতে চাইলেও আইনি জটিলতায় সেটা আর সম্ভব হয়ে ওঠে না। এমন দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একটা সহজ পথ হতে পারে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইন। এই আইনের সুবিধা পরিবারের সকলের জন্যÑ এ কথা সাধারণ মানুষদের জানানো জরুরি। আইনটি মান্য করা যেমন পরিবারের পুরুষ সদস্যদের দায়িত্ব, তেমনি নারী সদস্যদেরও দায়িত্ব। 

এই আইন পরিবারের সবার মধ্যে মতের অমিল থাকলেও একই ছাদের নিচে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস নিশ্চিত করেছে। এখানে সহিংসতা প্রতিরোধ-নিরোধ সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। যে বা যারা এটা মানবেন না, তাদের আইনের আওতায় সাজা ভোগ করতে হবে। মনস্তাত্ত্বিক বিচারে এই আইন পারিবারিক সহিংসতা দূরীকরণ ও সুরক্ষার জন্য সেরা আইন। মানুষের রাগ, ক্ষোভ, জেদ, ঈর্ষা, আক্রোশ, হিংসা, বিদ্বেষ চিরস্থায়ী নয়। এই রিপুগুলো অবদমিত হলেই মানুষ নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং স্বাভাবিক হয়ে আসে।

 এই যে কঠিন সময়টা পার করে একে অন্যের ভুল বুঝতে পেরে আবার পূর্বের ন্যায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায়, এ সুযোগ পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ-নিরোধ সুরক্ষা আইনে বিদ্যমান। সর্বোপরি এর কার্যকর ব্যবহার করা। আইনটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকে গিয়ে ঘুরে আসুন- bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1063.html

সকল ধর্ম-বর্ণ গোত্র এবং সব বয়স ও পেশার মানুষ সুবিধা পাবে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে। পারিবারিক সৌহার্দ্য সম্প্রীতি সুরক্ষায় এটি একটি কার্যকর আইন।


লেখক : মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা