× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিশ্ব আদিবাসী দিবস

আদিবাসী আত্মপরিচয় ও রক্তকুসুম

পাভেল পার্থ

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৩ ১২:৪৯ পিএম

কাঠামোগত বৈষম্য আর উন্নয়ন আদিবাসী জীবনে যন্ত্রণার দাগ রেখে যায়                                   ছবি : বাংলাদেশ ইকোট্যুরস

কাঠামোগত বৈষম্য আর উন্নয়ন আদিবাসী জীবনে যন্ত্রণার দাগ রেখে যায় ছবি : বাংলাদেশ ইকোট্যুরস

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আপন সংস্কৃতি ও ভাষার গণ্ডিতে বসবাস করেন অজস্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী। একই রাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে বসবাস করলেও এই মানুষগুলোর নিজস্ব অধিকারের বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। আজ ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আগুনমুখার বিশেষ লেখা...


এই ভূগোলে বাঙালি ভিন্ন অন্যান্য জাতিসত্তার মানুষ তাদের একক সাংস্কৃতিক শ্রেণিপরিচয় হিসেবে ‘আদিবাসী’ প্রত্যয়টি পৃথক জাতিরাষ্ট্রসমূহ গঠিত হওয়ার বহু আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছে। আদিবাসী অঞ্চলে বসতি স্থাপনকারী বা আদিবাসিন্দা বাঙালির কাছেও এ প্রত্যয় বহুল পরিচিত। ঐতিহাসিকতা এবং সমাজ রূপান্তরের গণিত অস্বীকার করে ‘আদিবাসিন্দা’ ও ‘আদিবাসী’ শব্দদ্বয়ের অভিধানজনিত মানেকে এক করে কোনোভাবেই এসব প্রত্যয়ের শত বছরের সর্বজনীন ব্যবহার বদলানো যায় না। বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘...রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।’ সংবিধানে ‘আদিবাসী’ প্রত্যয়টি নেই। এমনকি সংবিধানে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ প্রত্যয়টিও নেই। সংবিধানে শব্দটি আছে ‘নৃগোষ্ঠী’, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ নয়। কিন্তু সরকারিভাবে বহুল ব্যবহৃত প্রত্যয়টি হলো ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’। এমনকি এ নামে একটি রাষ্ট্রীয় আইন, বহু সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্প রয়েছে। ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০’ অনুযায়ী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলতে ওই আইনের তফসিলে উল্লিখিত বিভিন্ন আদিবাসী তথা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও শ্রেণির জনগণকে বোঝানো হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০-এর একটি অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, দেশের আদিবাসীসহ সব ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সংস্কৃতি ও ভাষার বিকাশ ঘটানো। বহু নথি, কর্মসূচি, বক্তব্য, ঘোষণা ও দলিলে ‘আদিবাসী’ প্রত্যয়টি উচ্চারিত ও ব্যবহৃত হয়ে এলেও রাষ্ট্রের তরফ থেকে নানা সময় ‘আদিবাসী’ প্রত্যয়খানি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। আর এ নিয়ে ২০০৫ থেকে এক অমীমাংসিত তর্ক চলমান। রাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তর বিভিন্ন সময়ে এ শব্দ ব্যবহারে আপত্তি ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আদিবাসী ও নাগরিক সমাজ নানাভাবে আদিবাসী আত্মপরিচয়ের ব্যাখ্যা দিয়ে চলেছে। কিন্তু রাষ্ট্রের তরফ থেকে কেন আদিবাসী প্রত্যয় ব্যবহার করা যাবে না বা করলে কী ধরনের রাষ্ট্রীয় সংকট তৈরি হয়, এর কোনো বিশদ ব্যাখ্যা এখনও পাবলিক পরিসরে হাজির হয়নি। বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ ঘোষিত নানা আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়। জলাভূমি দিবস, নারী দিবস, পরিবেশ দিবস, প্রাণবৈচিত্র্য দিবস, যুব দিবস, মানবাধিকার দিবস, আদিবাসী দিবস, শিশু দিবস, প্রবীণ দিবস কিংবা খাদ্য দিবস। উল্লিখিত সবকটি দিবস পালন করলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশ এখনও ‘আদিবাসী দিবস’ আয়োজন করেনি। আদিবাসীরা দেশের নাগরিক ও ভোটার। তাহলে রাষ্ট্র আদিবাসী দিবস পালন করে না কেন? বিষয়টি নিদারুণ, বৈষম্যমূলক এবং বিভ্রান্তিকর। যা হোক, এবারের বিশ্ব আদিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আদিবাসী তরুণ’। প্রতিপাদ্যটির বাংলা করা হয়েছে, ‘আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আদিবাসী তরুণরাই মূল শক্তি’।

ছবি: শারমীন চৌধুরী

বাংলাদেশের আদিবাসী

বাংলাদেশে আদিবাসী জনসংখ্যা এবং মোট জাতিসংখ্যা নিয়ে তর্ক আছে। অস্পষ্ট পরিসংখ্যান ও খতিয়ান আছে। ১৯৮৪ সালের শুমারিতে আদিবাসী জনসংখ্যা ছিল ৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮২৮ এবং তখন মাত্র ২৮টি জাতিগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ১৯৯১ সালের শুমারিতে আদিবাসী জনসংখ্যা দেখানো হয় ১২ লাখ ৫ হাজার ৯৭৮ এবং জাতিসত্তা দেখানো হয় ২৯টি। প্রায় ১০ বছরের ব্যবধানে দেশে একটি জাতিগোষ্ঠী বেড়ে যায়। ২০০১ সালের শুমারিতে আদিবাসী জনসংখ্যা উধাও ছিল। 

সর্বশেষ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’ অনুযায়ী দেশে আদিবাসী জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। কিন্তু বিস্ময়করভাবে প্রায় ৩০ বছরে জাতিসত্তা বেড়ে হয়েছে ৫০টি। অথচ জনশুমারি অনুযায়ী গত ৩৮ বছরে আদিবাসী জনসংখ্যা ও জাতিসংখ্যা বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার দেশে আদিবাসী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.২ ভাগ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইনের ২(১) ও ধারা ১৯-এ চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গা, বম, পাংখোয়া, চাক, খিয়াং, খুমি, লুসাই, কোচ, সাঁওতাল, ডালু, উসাই (উসুই), রাখাইন, মণিপুরী, গারো, হাজং, খাসিয়া, মং, ওরাও, বর্মণ, পাহাড়ি, মালপাহাড়ি, কোল, বর্মণÑ মোট ২৭ জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আগের ২৭ জাতির পাশাপাশি পরে কুর্মি মাহাতো, কন্দ, গঞ্জু, গড়াইত, মালো, তুরি, তেলী, পাত্র, বানাই, বাগদী, বেদিয়া, বড়াইক, ভূমিজ, মুসহর, মাহালী, রাজোয়ার, লোহার, শবর, হদি, হো, কড়াÑ মোট ২১ জাতির নাম তফসিলভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট পরিচালিত ২০১৮ সালে শেষে হওয়া ভাষাগত জরিপের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে আদিবাসীদের ৪০টি মাতৃভাষা আছে। এর মধ্যে কন্দ, খাড়িয়া, কোডা, সৌরা, মুন্ডারি, কোল, মালতো, খুমি, পাংখোয়া, রেংমিটচা, চাক, খিয়াং, লুসাই, লালেংÑ মোট ১৪টি আদিবাসী মাতৃভাষা বিপন্ন। যদিও রাষ্ট্রীয় জনশুমারিতেও কোডা, রেংমিটচা ও সৌরা জাতিগোষ্ঠীর নাম নেই।


নথি ও দলিল কী বলে?

দীপংকর ঘোষ সম্পাদিত বাংলা সাময়িকপত্রে আদিবাসীকথা (২০০০) পুস্তকের ভাষ্যমতে, নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আদিবাসী-চর্চা শুরু হয় যতদূর সম্ভব ১৮৮৫ সালে। সে সময় আদিবাসী সমাজ-সংস্কৃতি নিয়ে যেসব লেখালেখি হয়েছে তার অধিকাংশই বিদেশিরা করেছেন। পরে উনিশ-বিশ শতকে বিভিন্ন বাংলা সাময়িকপত্র যেমন বঙ্গদর্শন, বঙ্গবাণী, সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা, ভারতবর্ষ, প্রবাসী, বিশ্বভারতী পত্রিকা, মাসিক বসুমতী প্রভৃতি পত্রপত্রিকায় বিদেশি লেখকদের অনুসরণ করে আদিবাসী জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে, বইপত্রও প্রকাশিত হয়েছে। সহজ-সরল নিরক্ষর আদিবাসীরা ওই ধরনের ভুল তথ্য পরিবেশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়নি। ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিনের ‘শালবনের রাজা’ গল্পেও ‘আদিবাসী’ আছে। ব্রিটিশ শাসনামলে প্রবর্তিত ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধিতে Indigenous hillman পরিচয়টি আছে। The Indian Income Tax act of 1922, The Indian Finance act of 1941, The Forest act of 1927 এসব নথিতেও Indigenous hillman আছে। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের (১৯৫০) ৯৭ ধারায় ‘এবরিজিনাল’ আছে। ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশের ষষ্ঠ তফসিলের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে তিন পার্বত্য জেলার পাহাড়ি জনগণকে আদিবাসী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ২০০২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকল্প কর্মসূচিসংক্রান্ত নীতিমালায় আদিবাসী শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের ১৯৯১ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিধি ১ শাখা ১৪৩ নম্বর স্মারকে পার্বত্য চট্রগ্রামের অধিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে বলা হয়েছে। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের আদিবাসী দিবসের প্রকাশনা সংহতিতে (৯ আগস্ট, ২০০৩) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা ‘আদিবাসী’ উল্লেখ করে বাণী দিয়েছেন। ২০০৫ সালের দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রেও আদিবাসী শব্দটি সংযুক্ত হয়েছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নবম জাতীয় সংসদ নিবার্চনী ইশতেহারে ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ , ‘আদিবাসী’ ও ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী’ শব্দসমূহ ব্যবহার করেছে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আদিবাসী’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ ও ‘সংখ্যালঘু জাতিসত্তা’ শব্দগুলো ব্যবহার করেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নবম জাতীয় সংসদের ইশতেহারে ‘পাহাড়ি ও উপজাতীয় জনগণ’, ‘তফসিলি সম্প্রদায়’ ও ‘আদিবাসী’ শব্দগুলো ব্যবহার করেছে।

ছবি: রেহমান আসাদ

বঞ্চনার দাগ ও রক্তকুসুম

কাঠামোগত বৈষম্য, জাত্যাভিমান, জাতিরাষ্ট্র, নয়া উদারবাদী বাজার, করপোরেট সহিংসতা আর উন্নয়ন আদিবাসী জীবনে যন্ত্রণা ও জখমের দাগ রেখে যায়। আদিবাসী এলাকায় বাণিজ্যিক তামাক-ভুট্টা-হাইব্রিড চাষ, বাণিজ্যিক মৎস্য খামার, বাণিজ্যিক চিংড়ি ঘের, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, রিসোর্ট, বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমেও আদিবাসীদের উচ্ছেদ করা ‘সাধারণ ঘটনা’। প্রাকৃতিক বনভূমি ও বননির্ভর আদিবাসীদের জীবন ও ভূমি অধিকার বিপন্ন করে শেরপুরের গজনীতে তৈরি করা হয়েছে ‘গজনী অবকাশ যাপন কেন্দ্র’, টাঙ্গাইলের ‘মধুপুর ইকোপার্ক’, শেরপুরের মান্দি, কোচ ও হাজং বসতি উচ্ছেদ করে তৈরি করা হয়েছে ‘মধুটিলা ইকোপার্ক’, মৌলভীবাজারের ‘মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক’, খাগড়াছড়ির ‘আলুটিলা গুহা’, দিনাজপুরের ‘স্বপ্নপুরী’, সিলেটে লালেং আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে ‘জাকারিয়া সিটি’, জাফলংয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিনাশী পাথর বাণিজ্য কিংবা বিরিশিরিতে বালুবাণিজ্য। আদিবাসী জনগণ সম্পূর্ণত জুম ও কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি আদিবাসীরা কার্যত ভূমিহীন। দেশের আদিবাসী জনগণের মূল সংখ্যাঘনত্ব পার্বত্য চট্টগ্রাম। পার্বত্য চট্টগ্রাম একসময় দুনিয়ার অন্যতম তুলামহাল হিসেবে পরিচিত ছিল। এ অঞ্চলই দুনিয়ার বস্ত্র খাত বিকশিত করেছে; যার চলতি বিকাশমান রূপ হিসেবে করপোরেট গার্মেন্টস বাণিজ্য হাজির হয়েছে। 

কেবল পার্বত্য চট্টগ্রাম নয়, ভাওয়াল ও মধুপুর গড়ও তুলা উৎপাদন অঞ্চল। কিন্তু দেশের কোনো আদিবাসী বসতই আর আগের মতো সেই বৈচিত্র্য ও বৈভব নিয়ে নেই। তবে বাংলাদেশের কৃষক আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষা কিংবা জাতীয় অর্থনীতির বিকাশ সবকিছুতেই আদিবাসীদের রয়েছে জীবন বাজি রাখা অবদান। সমতল, পাহাড় কি উপকূলের আদিবাসী জনগণের উৎপাদিত ও সংগৃহীত নানা কিছু ছড়িয়ে গেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। জাতীয় জীবনে এসবের গুরুত্ব ও চাহিদা সীমাহীন। এসব ফসল উৎপাদন, তৈজস কি পাহাড়ি বস্তু আজ দেশজুড়ে একটা প্রাকৃতিক পণ্য গ্রহণের নাগরিক অভ্যাসও তৈরি করছে। আদিবাসী মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্রের গরিষ্ঠভাগ বাঙালির বন্ধুত্ব গড়ে তোলা জরুরি। উভয়ে উভয়ের জীবনের সঙ্গে জীবন মেলানো জরুরি। বঞ্চনার দাগ মুছে জীবনের রক্তকুসুম ফোটাতে পরস্পর নির্ভরশীলতা ছাড়া কোনো উপায় নেই।


লেখক : প্রাবন্ধিক ও গবেষক

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা