অদ্বিতীয়া অপরা
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৩ ১২:৩৩ পিএম
আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৩ ১২:৩৮ পিএম
আমাদের পিচ্চি ঘুঙুর সোনা অদ্বিতীয়া অপরা লিখতে পারেন কম, বলেন অনেক অনেক... তার চাইতেও বেশি করেন প্রশ্ন... এটা কেন, ওটা কেন ইত্যাদি। ইদানীং তিনি বানিয়ে বানিয়ে গল্পও বাঁধতে শিখেছেন। এই ভূতের গল্পটা অপরা তার বাবাকে শুনিয়েছিলেন। বাবা, কথাসাহিত্যিক ইমতিয়ার শামীম চুপি চুপি সেটা লিখে তোমাদের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন। পড়ে দেখ তো গল্পটা কেমন হয়েছে। আর হ্যাঁ, আমখেকো ভূতের ছবিটাও কিন্তু অপরাই এঁকেছেন
এই যে দেখ, দেখ- এইটা কিন্তু একটা আমগাছ... হু-উ-উ। আর আমগাছটায় কিন্তু একটা ভূত বসে আছে। কালো রঙের ভূত।
ওর দাঁতগুলো না ও যত বড় লম্বা, তারও চেয়ে বেশি লম্বা... হু-উ-উ।
একটা বাবু না আমগাছ থেকে আম পাড়তে গিয়েছিল।
ছোট্ট, গোলগাল, তুলতুলে বাবু- আমার চেয়েও অনেক ছোট বাবু।
ও কিন্তু হাঁটতে পারে না, দাঁড়াতে পারে; আর দৌড়াতেও পারে।
ও কিন্তু আম খেতে পারে না, কিন্তু গাছ থেকে পাড়তে জানে। আর ফুটবল বানিয়ে খেলতেও পারে।
দেখছ তো, বাবুটা আম পাড়তে এসেছে? বার ভূতটা তখন ওকে ভয় দেখাচ্ছে?
ভয় পেয়ে বাবুটা যখন দৌড় দিয়েছিল, তখন কী হয়েছিল জানো?
বাবুটার পায়ের সঙ্গে ভূতটার দাঁত আটকে গিয়েছিল।
কী দেখতে পাচ্ছ না?
নাঃ, তোমার চোখ তো দেখছি খারাপ হয়ে গেছে।
চোখ ভালো রাখার জন্য কিন্তু ছোট মাছ খেতে হয়। ঢেলা মাছ, মলা মাছ, কুমড়া খেতে হয়।
কুমড়ার ইংরেজি হলো পামকিন। আর ফুলের ইংরেজি ফ্লাওয়ার।
এ ছবিতে কিন্তু ফ্লাওয়ারও আছে।
কী, দেখতে পাচ্ছ না?
দেখ-দেখ- ভালো করে দেখ-এ ছবিতে একটা ভূত আছে কিন্তু।
আমখেকো ভূত।
শ্রেণি : কিশলয়, নালন্দা বিদ্যালয়, ঢাকা