× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

যত্নে থাকুক

এ সময়ে বাড়ির যত্ন

ওয়াসি তানজীম

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৩ ১৮:১৫ পিএম

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৩ ১৩:৫৮ পিএম

এ সময়ে  বাড়ির  যত্ন

জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে কখনও টিপটিপ তো কখনও মুষলধারে বৃষ্টি। এমন রোমান্টিক বর্ষাকালে কোথায় কফি হাতে আরাম করে চেয়ারে বসে টেবিলে কফির মগ রাখবেন, কিন্তু শখের কাঠের টেবিলে ড্যাম্প ধরে গেছে! ওদিকে বাড়ির অন্যান্য ফার্নিচার থেকে জামাকাপড়, বর্ষায় কারও অবস্থায়ই খুব একটা ভালো নয়। আসলে এই মৌসুমে বাড়িঘর থেকে আসবাব, সব কিছুরই দরকার বিশেষ যত্ন। রইল তারই টিপস-

ফার্নিচারের যত্ন : বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কাঠের ফার্নিচার। অতিরিক্ত আর্দ্রতার ফলে আসবাবপত্রে ড্যাম্প ধরে যাওয়া ও ফুলে যাওয়া- এই সময় খুবই সাধারণ সমস্যা। কাঠের ফার্নিচারের ধুলা মোছার জন্য শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন। কাঠের দরজা, জানালায় তেল বা মোম লাগিয়ে রাখলে ফুলে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই আটকাতে পারবেন। বর্ষাকালে কাঠের আসবাব জানালার সামনে থেকে সরিয়ে রাখুন। প্রথমত, বৃষ্টির পানি থেকে সেগুলো বাঁচবে, দ্বিতীয়ত, আর্দ্রতা ফার্নিচারের রঙ নষ্ট করে দিতে পারে সহজেই। কাঠের ড্রয়ারের ভেতর রেখে দিতে পারেন ন্যাপথলিন, নিমপাতা বা লবঙ্গ। সোফার গদি ভিজে গেলে ভেজা জায়গার ওপর মোটা তোয়ালে রেখে তার ওপর ইস্ত্রি চালান। কাঠের আসবাবে বর্ষায় ছত্রাক জন্মে যায়। চায়ের লিকার ঠান্ডা করে তার মধ্যে ভিনিগার মেশান। এই মিশ্রণে তুলা ভিজিয়ে আসবাব মুছে নিলে ছত্রাক চলে যাবে।


মেঝের যত্ন : বর্ষাকালে পোকামাকড় ও জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। আর বাড়ির মেঝেই যেহেতু সবচেয়ে বেশি নোংরা হয়, তাই সেটা সহজেই জীবাণুর ‘ব্রিডিং গ্রাউন্ড’ হয়ে ওঠে। তাই বর্ষাকালে মেঝে শুধু পানি দিয়ে মুছলে হবে না, সঙ্গে সপ্তাহে অন্তত এক দিন মেঝে পরিষ্কার করার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল লিকুইড বা ডিসইনফেকট্যান্ট ব্যবহার করুন। এই সময় ঘরের কোণায় নানা রকম পোকামাকড় বাসা বাঁধতে পারে। প্রয়োজনে দুই দিন পরপর পোকা মারার ওষুধ স্প্রে করতে পারেন মেঝেতে। ছোট পাতলা কাপড়ে কালিজিরা রেখে কাপড়ের মুখ বেঁধে ঘরের কোণে রেখে দিলেও পোকামাকড়ের উপদ্রব কমবে।

কাপড়ের যত্ন : জামাকাপড়ের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে ওয়ার্ডরোবে চকের টুকরা রেখে দিন। বর্ষায় ধোয়া কাপড় শুকালেও একটা সোঁদা গন্ধ থেকেই যায়। গন্ধ দূর করতে কাপড় ধোয়ার সময় ব্যবহার করতে পারেন বেকিং সোডা। ওয়ার্ডরোবের জামাকাপড়ে গন্ধ থেকে গেলে বা পোকার উপদ্রব হলে ন্যাপথলিন বল রেখে দিন। সেখানে দরজা-জানালার পর্দা ও বিছানার চাদর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকুন। বর্ষাকালে পাতলা ফেব্রিকের পর্দা ব্যবহার করুন, যাতে পানি লাগলে সহজেই শুকিয়ে যায়। সুতির বিছানার চাদর, বালিশের কভার ব্যবহার করতে পারেন; যাতে এগুলো ধোয়ার পর দ্রুত শুকিয়ে যায়।


রান্নাঘরের যত্ন : আর্দ্রতার কারণে রান্নাঘরের মেঝেতে সহজেই ধুলা-ময়লা আটকে যায়। তাই রান্নাঘরের মেঝে প্রতিদিনই ডিসইনফেকট্যান্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন। কিচেন ক্যাবিনেট পরিষ্কার করতেও ব্যবহার করুন ডিসইনফেকট্যান্ট। রান্নাঘরের জানালা খুলে রেখে যথেষ্ট রোদ ও হাওয়া আসতে দিন ঘরে। বর্ষায় চাল, ডাল ও আটায় পোকা হওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। এ ক্ষেত্রে এগুলোর মধ্যে কয়েকটা শুকনো নিমপাতা রেখে দিলে পোকার উপদ্রব অনেকটা কমবে। বর্ষায় সব ফুড আইটেম এয়ার টাইট কনটেইনারে রাখুন।

টিপস

  • বর্ষাকালে রোদ খুব কম সময়ের জন্যই পাওয়া যায়। তাই রোদ উঠলে ঘরের সব জানালা খুলে দিয়ে ঘরে যথেষ্ট পরিমাণে রোদ আসতে দিন।
  • বাড়ির প্লাগ পয়েন্ট ও ইলেকট্রিকের তার ভালো করে পরীক্ষা করে নিন।
  • বারান্দায় গাছের টব থাকলে সরিয়ে ফেলুন, না হলে টবে পানি জমে মশার বাসস্থান হয়ে উঠবে।
  • চামড়ার ব্যাগ বা জুতা ভিজে গেলে সেটা দ্রুত শুকিয়ে ফেলুন, না হলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। চেষ্টা করুন বর্ষাকালে চামড়ার জুতা ব্যবহার না করতে।
  • ঘরের দেয়াল বা মেঝেতে যদি শ্যাওলা ধরে, তাহলে সেই জায়গায় সাদা ভিনিগার স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। শ্যাওলা চলে যাবে।
  • পুরোনো বাড়ির ছাদ, দেয়াল বা মেঝেতে ড্যাম্প ধরার সমস্যা থাকলে সেটা সারিয়ে নেওয়াই ভালো।
  • বর্ষাকালে মশা, মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব খুব বেড়ে যায়। ব্যবহৃত চাপাতা ভালো করে শুকিয়ে ধূপের মতো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া মশা-মাছির উপদ্রব কমাতে কয়েকটা কর্পূর পানিতে ভিজিয়ে ঘরের কোণে রেখে দিন।
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা