লেখা ও আঁকা : সৈয়দ মুস্তাহাবউদ্দিন মূসা
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৩ ১৩:৩৩ পিএম
একটা মজার স্কুল ছিল। এর নামটিও অদ্ভুত। গার্টেন অব বানবান। এ স্কুলে ছয়জন শিক্ষক ছিলেন। একদিন কিছু শিশু স্কুল থেকে উধাও হয়ে গেল। তখন ছুটির দিন ছিল। স্কুলও বন্ধ ছিল। তাই কেউ স্কুলের ভেতরে প্রবেশ করতে পারছিল না। এরপর স্কুলের ভেতর মুসা নামে একটি ছেলে ঢুকে গেল। সে সেখানে একটি কিকার্ড পেল। সে কিকার্ড দিয়ে দরজা খুলল। সেখানে সে একটি ড্রোন পেল এবং একটি রিমোট পেল। সেই দরজার ওপর দিকে আরেকটি দরজা ছিল এবং তার ওপরে একটি বাটন ছিল। মুসা ড্রোন দিয়ে সেই বাটনে টিপ মারল। এরপর সেই দরজাটিও খুলে গেল। ভেতরে অপিলা নামে একটি পাখি মুসাকে দেখছিল। তাই সে ভয় পেয়ে গেল। কিন্তু সে অপিলার কাছে এলো। তখন অপিলা লুকিয়ে গেল। আসলে সে একটি ছিদ্র দিয়ে অন্ধকার ঘরে প্রবেশ করল।
ওই ঘরের দরজার ওপরেও একটি বাটন ছিল। ড্রোন দিয়ে মুসা আবার ওই বাটনে টিপ দিল। সঙ্গে সঙ্গে দরজাটি খুলে গেল এবং অন্ধকার রুমটি আলোকিত হয়ে গেল। অপিলা তখন সেখানে একটি মূর্তি হয়ে গেল। মুসা দেখল অপিলার পেছনে ছয়টি ডিম
পড়ে আছে। সে ওই ডিমগুলো অপিলার মুখে ঢুকিয়ে দিল। তার মুখ থেকে তখন আরেকটি কিকার্ড বের হলো। ওই কিকার্ড দিয়ে সে আরেকটি দরজা খুলল। সেই দরজাটি ছিল আসলে একটি লিফটের দরজা। মুসা সেই লিফট চড়ে ওপরে গেল। ওইখানে একটি প্রশ্ন ছিল। প্রশ্নটির উত্তর দিয়ে সে একটি বাটন টিপল। তখন ওইখানে অপিলা পাখিটি চলে এলো। সে তাকে তাড়া করল। এবার মুসা ভয় পেয়ে আবার লিফটে গেল। কিন্তু অপিলা যেতে পারল না। হঠাৎ সেখানে জাম্বুজর্জ নামক একটি জন্তু চলে এলো। মুসা জাম্বুজর্জকে বলল, ‘আমার স্কুলের বাচ্চাদের বের করে দাও।’
জাম্বুজর্জ বলল, ‘যদি তুমি আমাকে যুদ্ধে হারাতে পারো, তাহলেই ওই বাচ্চাদের তুমি পেয়ে যাবে।’
তখন মুসার সঙ্গে জাম্বুজর্জের বিরাট যুদ্ধ হলো। মুসা জাম্বুজর্জকে পরাজিত করতে সক্ষম হলো। তখন সে ওই বাচ্চাদের উদ্ধার করে বীরের বেশে স্কুলের বাইরে চলে এলো।
চতুর্থ শ্রেণি, শমসেরনগর আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুল, শমসেরনগর, মৌলভীবাজার