রাশেদ রউফ, শামীম হোসেন, ইমরান পরশ
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৩ ১২:৪৬ পিএম
আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৩ ১৩:৪৫ পিএম
অংলকরণ : জয়ন্ত সরকার
মন কখনও
রাশেদ রউফ
কখনও মন হাঁসের মতো
কখনও মন কাশের মতো
বৃষ্টি জলের ফোঁটার মতো
জুঁই-চামেলির বোঁটার মতো।
কখনও মন মেঘের মতো ছুটতে থাকে
কখনও মন ফুলের মতো ফুটতে থাকে
ছুটতে থাকে হাওয়ায় হাওয়ায়
মুগ্ধ থাকে আসা-যাওয়ায়।
বৃষ্টি পড়ে ঝুপ ঝুপ ঝুপ
বৃষ্টি পড়ে টুপ টুপ টুপ
গাছের শাখায়
পাখির পাখায়
বৃষ্টি পড়ে মনে-
বৃষ্টি পড়ে শন শন শন ছায়ায় ভরা বনে।
বৃষ্টি-জলের পরম ছোঁয়ায় স্নিগ্ধ হয়ে উঠি-
এক ফোঁটা জল পাওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ছুটি।
আসে
শামীম হোসেন
আমের পাতা জামের পাতা
কিশোরবেলার লেখার খাতা
ছোট্ট নীড়ে পাখির বাসা
মা পাখিটা ফিরলে নীড়ে
ছানা দুটো হাসে-
ভালোবাসা দূর থেকে আসে।
গরমকালে তালের পাখা
তিলের নাড়ু- শিকায় রাখা
খাবার আগে বিষম লাগে
কলার ছড়ি নানার হাতে
নানি দূরে কাশে-
ভালোবাসা দূর থেকে আসে।
বাবার অফিস দূরের জেলায়
হয় না যাওয়া রথের মেলায়
মুড়ির টিনে বাজনা বাজে
মামার করা কাগজ নায়ে
ফড়িং জলে ভাসে-
ভালোবাসা দূর থেকে আসে।
শেকড়
ইমরান পরশ
এই যে দেখ গ্রাম আমাদের সবুজ রঙে ছাওয়া
গতরখাটা মানুষগুলোর শরীর ঘামে নাওয়া।
বাউরি বাতাস দোল দিয়ে যায় সোনালি রঙ ধানে
ক্লান্ত শরীর সুখ খুঁজে পায় বাউল শফির গানে।
তোমরা যারা গ্রাম ভুলে যাও, যাও ভুলে রূপ গন্ধ
চার দেয়ালের ভেতর খোঁজো জীবনের সুর ছন্দ।
ঘামের গন্ধ হয় না মালুম শেকড়কে যাও ভুলে
শেকড় ছাড়া গাছ বাঁচে না এই ইতিহাস মূলে।