সাদমান হাসান আরিক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩ ০৯:৪৯ এএম
একদিন আমি আর আমার দুই আপু খেলছিলাম। হঠাৎ আমাদের খালামণি বাইরে থেকে বাসায় এলো। তার হাতে একটি পাখির খাঁচা। আর খাঁচার মধ্যে সুন্দর একটি পাখি। আমরা পাখিটা দেখে খুব খুশি হলাম। কিন্তু পাখিটাকে খাঁচায় বন্দি দেখে আমাদের মন খারাপ হয়ে গেল।
আমরা ওর নাম দিলাম ‘কুট্টু’। আস্তে আস্তে কুট্টুর সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব হয়ে গেল। আমার আব্বুর কুট্টুকে খুব পছন্দ করল। আমরা কুট্টুকে খাঁচার বাইরেই রাখতাম বেশি। সারা ঘরময় কুট্টু ঘুরে বেড়াত। আমাদের হাতে, পড়ার টেবিলে কুট্টু ঘুরে বেড়াত। ওর সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে উঠল আমাদের। হঠাৎ একদিন একটি বিড়াল আমাদের কুট্টুকে কামড়ে দেয়। অনেক চেষ্টার পরও কুট্টুকে বাঁচানো গেল না। আমাদের সবার খুব মন খারাপ হয়ে যায়। আমাদের মন খারাপ দেখে খালামণি আমাদের জন্য আরেকটি পাখি কিনে নিয়ে আসে। আমরা এর নাম রাখি ‘পিকু’। পিকুকে নিয়ে আমাদের বেশ ভালোই সময় কাটে। কিন্তু এখনও পিকুর সঙ্গে কুট্টুর মতো সখ্য গড়ে ওঠেনি। এখনও মাঝে মাঝে কুট্টুর কথা মনে হয়। মনে পড়লে মন খারাপ হয়ে যায়। মোবাইলে তুলে রাখা কুট্টুর ছবিগুলো দেখি।
দ্বিতীয় শ্রেণি, শিমুল মেমোরিয়াল নর্থ সাউথ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহী