প্রচ্ছদ
তৌহিদুল ইসলাম তুষার
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৩ ১৩:৪৭ পিএম
আপডেট : ০৯ মে ২০২৩ ১৩:৫০ পিএম
মডেল : স্নিগ্ধা; পোশাক : রঙ বাংলাদেশ; মেকআপ : বিন্দিয়া; ছবি : ফারহান ফয়সাল
প্রচণ্ড রোদ, সঙ্গে গরম। মাঝেমধ্যে এক পশলা বৃষ্টির দেখা মিললেও ভ্যাপসা গরম থাকছেই। এই গরমে আরামপোশাক তো চাই, সেই সঙ্গে হতে হবে আধুনিক। পাতলা কাপড়ের সঙ্গে সঙ্গে কাটছাঁটে থাকতে হবে নতুনত্বের ছাপ। এই সময়ে গরমে কেমন পোশাক হবে এবং রঙ কী হবে- এসব নিয়ে থাকছে আজকের প্রচ্ছদ

সময়টা এখন বেশ গরমের। বাইরে বের হতে হলে সবার আগে নজর দিতে হবে পোশাকে। নিজেকে যেকোনো পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে কেবল আপনার আরামদায়ক পরিধানটি। সঙ্গে খুব সাধারণ সাজও আপনাকে করে তুলতে পারে অসাধারণ। গরমের সময় পোশাক বলতে অনেকে মনে করেন সুতি। অন্য কোনো কাপড় যেন পরাই যাবে না। হ্যা, কথাটা অনেকটাই ঠিক। তবে অন্য ফেব্রিকও হতে পারে আরামদায়ক। বর্তমান সময়ে ভিসকস আরামদায়ক কাপড় হিসেবে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। এই ফেব্রিকের সঙ্গে কটন মিক্স করেও তৈরি হচ্ছে পোশাক।

দিন দিন এখন যেন গরমটা বাড়ছেই। তাই কম-বেশি সবারই পোশাকে আরামের বিষয়টি মাথায় থাকে। এ সময় শিফন, সুতি, ক্রেপ, জর্জেট, সিল্ক, লিনেন, ভালো মানের নেটের তৈরি পোশাকগুলোতে আরাম পাওয়া। তবে সব দিক থেকে এগিয়ে সুতি। এই কাপড়ে নতুন দিগন্ত এসেছে ভিসকসের মাধ্যমে। সুতির সঙ্গে ভিসকসের মিশ্রণের ফলে পোশাক হয়েছে আরও নরম। আর সেই সঙ্গে মিলবে আরাম। তৈরি হচ্ছে আধুনিক ধাচের পোশাক। পশ্চিমা পোশাকে অনেক প্যাটার্ন খুব ভালোভাবে ফুটে উঠছে এই কাপড়ে।
আর একটি ফ্লপ কটন। এ কাপড় অনেকটা জর্জেট কাপড়ের মতো। তাড়াতাড়ি শুকায়। সেই সঙ্গে আরামদায়কও। কোনো অনুষ্ঠানে আপনাকে দারুণ মানিয়ে যাবে শিফন। এই কাপড় পরতেও যেমন আরামের, তেমনি দিনে বা রাতের অনুষ্ঠানে আপনাকে মানিয়ে যবে। কাপড়টি নরম হলেও চকচকে একটা ভাব থাকে। ফলে যেকোনো জমকালো আয়োজনে মানিয়ে যায়, সেই সঙ্গে পাবেন আরাম।

পোশাকে খুব বেশি ভারি কাজ না করে, একদমই হালকা বা ফুলের প্রিন্ট শোভা পাচ্ছে। সুতি কাপড়গুলোতে হালকা কিছু কাজ থাকছে। বাকি সবই প্রিন্ট। পোশাক যতটা হালকা রাখা যায়, পরতে ততটাই স্বস্তি মেলে। এ ছাড়া ছাপা কাপড়ও রয়েছে। গরমের পোশাকে ছাপা নকশাই সবচেয়ে বেশি স্বস্তি দেয়। কারণ এগুলো কাপড়কে অনেকটাই হালকা রাখে। শিফন, ক্রেপ, সিল্ক, লিনেন সব ধরনের কাপড়ের ওপরই ফুল, জ্যামিতিক ছাপা নকশা ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
আরও পড়ুন : স্নিগ্ধ সাজে সারাবেলা
গরমের পোশাক হিসেবে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন কুর্তি। খুবই হালকা কাজ হওয়া বেশ আরামদায়ক। বাইরে বা অফিস আউটফিট হিসেবে মানিয়ে যায় এসব কুর্তি বা কামিজ। জিন্স বা পালাজোর সঙ্গে একদম ঠিকঠাক। থ্রিপিসগুলোতে তেমন ভারি কাজ নেই। অফিস পোশাক হিসেবে অনেকে বেছে নিচ্ছেন পাতলা ওড়নার সঙ্গে সালোয়ার-কামিজ। এসব পোশাকে হাতের কাজের পরিবর্তে মিলেছে ডিজিটাল প্রিন্টের ছোঁয়া। ফলে কাপড় হচ্ছে পাতলা এবং আরামদায়ক। শুধু ফেব্রিকই নয়, কাটছাঁটে এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। অফিস আউটফিট হিসেবে অনেকে বেছে নিচ্ছেন পাশ্চিমা প্যাটার্নের পোশাক। সুতি কাপড়েই তৈরি হচ্ছে আধুনিক পোশাকসম্ভার।

গরমে ছেলেদের সেরা আরামদায়ক পোশাক হচ্ছে টি-শার্ট। এটি জিন্স, গ্যাবাডিন কিংবা অন্য প্যান্টের সঙ্গে বেশ ভালোভাবে মানিয়ে যায়। হাফহাতা সুতি বা প্রিন্টের শার্ট, পোলো শার্ট অথবা ফতুয়ার সঙ্গে স্ট্রেইট কাটের জিন্স পরতে পারেন। সুতির ফরমাল পোশাক অফিসের জন্য ঠিকঠাক। খেয়াল রাখুন শার্টের কাটিং যেন আরামদায়ক হয়। এই গরমে একটু ঢিলাঢালা কাটের শার্টই বেশি আরামদায়ক হবে। আর অন্য যেকোনো সময়ের জন্য বেছে নিতে পারেন ফতুয়া বা কাতুয়া। আবার ভিসকসের আরমদায়ক শার্ট ক্যাজুয়াল আউটফিট হিসেবে দারুণ মানিয়ে যাবে। পাঞ্জাবিতেও কটন বা লিনেনের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে নতুন এই ফেব্রিকটি।