তৌকির মুহাইমিন
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৩ ০০:০৭ এএম
আপডেট : ০৫ মে ২০২৩ ০০:১৭ এএম
অলংকরণ: নিঝুম নিসর্গ, চতুর্থ শ্রেণি, সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা
একটি পাখির দোকানের তিনটি খাঁচায় বাজরিকা, ককাটেল ও লাভবার্ড ছিল। একদিন দোকানের মালিক পাখিকে খাবার দিয়ে মনের ভুলে খাঁচার দরজা খোলা রেখেই ঘুমিয়ে পড়ে। এতে পাখিগুলো সব উড়ে গিয়ে একটি গাছের ডালে বসে মুক্তির আনন্দে গান গাইতে থাকে। হঠাৎ করে দেখে একটি দাঁড়কাকের তাদের আক্রমণ করার জন্য উড়ে আসছে। তারা উড়ে পালাতে থাকে, এমন সময় এইটি ঈগল এসে কাকটিকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর বাজরিকা, ককাটেল আর লাভবার্ডকে ঈগলের বাসায় দাওয়াত দেয়। ওরা সবাই ঈগলের বাসায় আসে। তখন শুনতে পায় ঈগল তার বন্ধুর সাথে ফোনে বলছে, ‘আজ রাতে বোকা পাখিগুলোকে রোস্ট করে খাব।’ এই কথা শুনে ওরা বুঝতে পারে যে, ওরা ঈগলের ফাঁদে ধরা দিয়েছে। ওরা সেখান থেকে উড়ে পালাতে শুরু করলে ঈগল তাদের পিছু নেয়। কিন্তু ঈগলের গতি অনেক বেশি হওয়ায়, ঈগল তাদের কাছে চলে আসে। তখন তারা একটা সরু গর্তের মধ্যে ঢুকে পড়ে। তাই ঈগল সেখানে ঢুকতে পারে না। ঈগল দূরে দাঁড়িয়ে তাদের বের হওয়ার অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু পাখিরা বুদ্ধি করে তাদের কমিউনিটির সর্দার ভালচার কিং এবং ওখানের থানার ইন্সপেক্টর মি. কাইটকে ফোন দেয়। তারপর ককাটেল যখন বের হতে যায় তখন ঈগল তাদের আক্রমণ করতে যায়।
এমন সময় ইন্সপেক্টর আর ভালচার কিং চলে আসে। তারপর ঈগলকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। অন্যদিকে বাজরিকা, ককাটেল আর লাভবার্ড জঙ্গলে গাছের ডালে খুব সুন্দর একটা ঘর বানিয়ে সেখানে বসবাস করতে থাকে। পাখি খাঁচায় নয়, বনেই সুন্দর।
শ্রেণি তৃতীয়, উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল