সিফাত রাব্বানী
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:০৫ পিএম
আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:১০ পিএম
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের রাইস ইউনিভার্সিটিতে বৃত্তি নিয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ হয়েছে শাবিপ্রবির ইফতেখার আহমেদের
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য প্রতিবছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান দেশের বহু শিক্ষার্থী। বিচিত্র বিষয়ে পড়ার সুযোগ আছে সে দেশে।আছে বেশ কিছু বৃত্তিও। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের রাইস ইউনিভার্সিটিতে বৃত্তি নিয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ হয়েছে শাবিপ্রবির ইফতেখার আহমেদের। তিনি জানাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা ও তার সফলতা নিয়ে।তার সঙ্গে কথা বলেছেন সিফাত রাব্বানী
আমরা যখন অন্য দেশে উচ্চশিক্ষা নিতে যাই, সাধারণত ইংরেজি ভাষার ওপর আমাদের দক্ষতা ও দখলদারিত্বের পরীক্ষা দিতে হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইইএলটিএস, স্যাট বা টোয়েফলের মতো পরীক্ষা দিয়ে, নির্ধারিত স্কোর অর্জন করে আমরা যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করে থাকি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের রাইস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক বিশেষ সুযোগ দিয়েছে।
ইংরেজি দক্ষতার পরীক্ষা ছাড়াই এই ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (প্রকৌশল বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিংয়ে রাইস ইউনিভার্সিটির অবস্থান ১৪৭তম। এই বিশ্ববিদ্যালয়েই কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ হয়েছে শাবিপ্রবির ইফতেখার আহমেদের।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা ও তার সফলতা নিয়ে বলতে গিয়ে জানান- হার্ভার্ড, এমআইটিতে কীভাবে যাব? উচ্চশিক্ষায় কীভাবে বিদেশে যাব? আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে IELTS দিলেই স্কলারশিপ পাওয়া যায়? ভাইয়া আপনি পাবলিকে চান্স পাননি, কিন্তু রাইস ইউনিভার্সিটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেয়েছেন তাহলে আমরাও কি বাংলাদেশে কোথাও চান্স না পেলে বাইরে অ্যাপ্লাই করব? এই প্রশ্নগুলোই ইফতেখারকে শুনতে হয় প্রতিদিন। সেই ধারাবাহিকতায় ইফতেখার বললেন, অনেকেই তাকে এ রকম শত শত প্রশ্ন করেছেন। জানাতে ভুল করলেন না যে যুক্তরাষ্ট্রই তার জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যে হওয়ার জন্য তিনি অন্য কোনো দেশে আবেদন করার প্রয়োজন মনে করেননি।

প্রথমত তার জানা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে আইইএলটিএস করে ফেলা। ৬.৫-এর মতো ফল হলে, এসএসসি ও এইচএসসিতে ৫.০০ বা ভালো জিপিএ পেলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিবছর ২৫ লাখ টাকার মতো খরচ হবে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া যাবে। যদিও বেশির ভাগ পরিবারের পক্ষে এই অর্থ দেওয়ার সামর্থ্য নেই, কিন্তু যাদের আছে তারা চাইলেই বাইরে পড়তে যেতে পারেন। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়ার লক্ষ্য থাকে, তা হলে স্যাট পরীক্ষাতে একটু ভালো ফল এলে (১৬০০-এর মধ্যে ১৩০০ বা তার কিছুটা বেশি) স্কলারশিপ পাওয়া সহজ হবে। কিন্তু মাথায় রাখা জরুরি, স্যাট প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার একটি অংশ হলেও আইএলটিএস বিশ্ববিদ্যালগুলোর পড়াশোনা আপনি ভাষাগতভাবে বোঝার যোগ্যতা রাখেন, সেটিরই মূল দলিল বলা যেতে পারে। এটাও সত্য যে, ইংরেজির যোগ্যতা দেখে আকৃষ্ট হয়ে স্কলারশিপ দেবে তা কখনও ভাবার সুযোগ নেই। ইফতেখারের মতে, স্যাট-এ ১৪৬০-এর মত ফল করলে সেটি আপনাকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে ভালো অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০ থেকে ১০০ শতাংশ টিউশন স্কলারশিপ দেবে, যদি এসএসসি ও এইচএসসি-তে ৫.০ পেয়ে থাকেন আর আপনি আপনার স্কুলের সেরা ৫ শতাংশের শিক্ষার্থীর একজন হন।
স্যাট পরীক্ষাকে যুক্তরাষ্ট্রের ভর্তি পরীক্ষা বলা যেতে পারে, যেখানে ইংরেজি লেখা ও পড়তে পারায় ৮০০ নাম্বার এবং গণিতের উ. ক্যালকুলেটর ও ক্যালকুলেটর ব্যতীত বিভাগে ৮০০ নম্বরের ওপর মোট ১৬০০ নম্বরের ৩ ঘণ্টার একটি পরীক্ষা দিতে হবে। স্যাট-এ কেমন ফল করবেন, প্রশ্ন কেমন হয় এবং কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন তা জানতে হার্ভার্ডের ছাত্র সিয়ামের তৈরি করা ভিডিও দেখে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন ইফতেখার। এ ছাড়াও খান একাডেমি থেকে প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি। যেখানে বিনামূল্যে সবাই স্যাট-এর প্রস্তুতি নিতে পারে। স্যাট-এর গণিত বিভাগে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সহজে ভালো নম্বর পেলেও ইংরেজি বিভাগে নম্বর তোলা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এখানে ভালো করতে হার্ভার্ডের ছাত্র সিয়ামের ভিডিও দেখার পরামর্শ দিলেন তিনি।
কেন স্নাতকে স্কলারশিপ পাওয়া এত কঠিন আর আর্থিক সামর্থ্য কম থাকলে কেন আমেরিকায় স্নাতকের স্বপ্ন দেখা অনেকাংশে উচিত না? এই প্রশ্ন করতেই জানান, যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতে অর্থ প্রয়োজন। এই অর্থ তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে আয় করতে হয় এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকার থেকে অনুদান পায়। বলে রাখা ভালো, আমেরিকার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের দেশের জনগণের করের টাকায় চলে বলে সেই অর্থে অনেক বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিয়ে পড়ানো কিছুটা নীতিবিরুদ্ধও! তার জানা মতে, বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যে ‘স্নাতক’ সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ উপার্জনের একটি বিশাল মাধ্যম এবং সেটি মূলত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের থেকেই। আর স্নাতকোত্তর, পিএইচডিতে তারা মূলত সেই অর্থ বিনিয়োগ করে গবেষণার উৎস, স্কলারশিপ এবং অন্যান্য মাধ্যমে। এতে তাদের সুবিধা অনেকভাবেই।
প্রথমত শিক্ষার্থীদের তারা শিক্ষকের সহকারী, গবেষণা সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকে। এতে তাদের কম শিক্ষক নিয়োগ করতে হয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য এবং অনেক অর্থ সঞ্চয় হয়, যা স্নাতকের ক্ষেত্রে একদমই প্রযোজ্য নয়। কারণ এ সময় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের দিয়ে সেগুলো করানো সম্ভব না। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেরা শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ স্কলারশিপ দিয়েই নিয়ে থাকে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওঠার আগেই তারা যে কাজ, গবেষণা ও মেধা দিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি যে যোগ্যতা অর্জন করেছে, তা সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনেক কিছু দেবে। তিনি জানালেন, ‘এর থেকে আমাদের দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেশে থেকেই স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তরের জন্য খুব সহজে বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাইরে যেতে পারা সহজ হয় স্কলারশিপসহ। আর প্রতিবছর প্রচুর শিক্ষার্থী এভাবেই স্নাতকোত্তরে দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে যাচ্ছে।’
প্রতিবছর শত শত শিক্ষার্থী কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাচ্ছে- এ বিষয়ে তার মতামত হলো, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে পড়াশোনা করছে আর্থিক সাহায্য নিয়ে। আর্থিক সাহায্য বলতে বোঝানো হয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পড়াকালীন প্রতিবছর যত টাকা দিতে পারবেন আপনার একবছরের টিউশন, ইন্স্যুরেন্স ফি, থাকা-খাওয়া, ভ্রমণ সব খরচসহ তার বাইরে যত খরচ থাকবে- সব সেই বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিক সাহায্য আকারে আপনাকে স্কলারশিপ দেবে।
যদি প্রতিবছর পরিবার থেকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার সামর্থ্য থাকে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনার এক বছরে পড়তে সব খরচ হয় ৫০ লাখ টাকা, তা হলে আর্থিক সাহায্য পাবেন প্রতিবছর ৪৫ লাখ টাকা। যদি প্রতিবছর পরিবার থেকে কোনো টাকা দেওয়ার সামর্থ্য না থাকে, তাহলে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেলে তারা বিমানের টিকিটও পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনার সাহায্য যত বেশি সুযোগ পাওয়া তত কঠিন । একজন ছেলে যার পরিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর ৪০ লাখ টাকা দেবে তার জন্য সুযোগ পাওয়া তুলনামূলকভাবে অনেকটা সহজ; অন্য একজনের থেকে যার পরিবার দিতে পারবে ৪ লাখ টাকা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সম্পূর্ণ স্কলারশিপ পেতে হলে শুধু স্যাট-এ ভালো করলে, আইএলটিএস এ ৭+ পেলে অথবা এসএসসি, এএইচএসসিতেতে ৫.০ পেলে কিছুই হবে না। কারণ প্রতিবছর প্রচুর শিক্ষার্থী সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করে স্যাটে ১৫০০-এর অধিক এবং আইএলটিএসে ফল ৮ হলেও অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুব কম আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অনেক আর্থিক সাহায্য দিয়ে নির্বাচন করে।
নিজেকে তাহলে আর কি করতে হবে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেতে? এই উত্তরে জানা গেল, কেউ তাদের নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা করে পুরস্কার অর্জন করে, অনেকে অনেক সুন্দর অংকন পারে এবং সেই অংকন দিয়ে সমাজকে স্থিরচিত্রে তুলে ধরতে পারে ভিন্নভাবে। কেউবা আবার তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে হাজারো পথশিশুর পড়াশোনার ব্যবস্থা করছে। কেউ হয়তো ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করে। সবাই সবার মতো নিজেদের ভালোলাগার কাজগুলো দিয়ে সমাজে পরিবর্তন আনছে অথবা তার বিশেষ বিষয়ের দক্ষতা পরে যুগান্তকারী কিছু করার পতিশ্রুতি দিচ্ছে। এসব কিছুই অতিরিক্ত যোগ্যতা বলে বিবেচিত হয়। তাদের স্যাট বা আইএলটিএসে ভালো নম্বরও থাকে।
তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে কী করা উচিত? এ বিষয়ে উত্তর ছিল চমকপ্রদ। মূলত যা আপনার করতে ভালো লাগেÑ সেটাই করা উচিত। ধরাবাধা কিছু নেই। তত্ত্বীয় বিষয়ে ভালো হলে অথবা কোনো বিশেষ বিষয়ে ভালো হলে সেই বিষয়ের অলিম্পিয়াডে যোগদান করা যেতে পারে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে কীভাবে? এ প্রসঙ্গে ইফতেখারের মতামত আমেরিকার প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হয় কমন এপ্লিকেশন (www.commonapp.org)-এর মাধ্যমে। সেখানে ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত তথ্যের পাশাপাশি আপনার কলেজের ২ জন শিক্ষকের সুপারিশ সনদ লাগবে। তাদের অফিসিয়াল ইমেইল দিয়ে এবং তারাই সব শিক্ষা সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট পাঠাবে। ইফতেখার এটা জানালেন কোন বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইটি, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বলে ‘নিড-ব্লাইন্ড’। অর্থাৎ এরা আপনার আর্থিক অবস্থা দেখবে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিছুটা মধ্যবিত্ত আর যার পরিবার পুরো টাকা প্রদান করবে তাদের মধ্যে ভিন্নতা তৈরি করে ও সুযোগে বৈচিত্র্য আনে। কিন্তু এইখানে সুযোগ পেতে অনেক অনেক ভালো ‘প্রোফাইল’ থাকা খুব জরুরি। যে কেউ স্বপ্ন দেখতেই পারেন হার্ভার্ড, এমআইটিতে পড়ার; কিন্তু স্বপ্নবিলাসী হওয়ার পাশাপাশি নিজেকেও মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ যারা সুযোগ পেয়েছে তারা হয়তো সমাজে অনেক বড় কোনো অবদান রেখেছে অথবা তাদের গবেষণা যুগান্তকারী কোনো আবিষ্কার করেছে।
আমেরিকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাদে অন্যান্য কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেতে রকেট সায়েন্স জানতে হয়তো হবে না; কিন্তু অনন্য কেউ হতে হবে আপনার কাজ বা সফলতা দিয়ে। পৃথিবীর সব দেশ থেকে লাখ লাখ শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে আবেদন করে। এ জন্যে সুযোগ পাওয়ার 'স্ট্যান্ডার্ড’ অনন্য উচ্চতায় থাকা লাগবেই।