× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাঙালির উৎসব পহেলা বৈশাখ

অমর্ত্য রুপাই

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৩ ০৮:৩৯ এএম

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৩ ০৮:৪৬ এএম

প্রচ্ছদ: ঘুঙুরবন্ধু অর্নিলা ভৌমিক। সে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী

প্রচ্ছদ: ঘুঙুরবন্ধু অর্নিলা ভৌমিক। সে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী

বাঙালির একটা প্রিয় উৎসবের নাম ‘পহেলা বৈশাখ’। বাংলা বছরের প্রথম দিনকেই পহেলা বৈশাখ বলে। এই দিনকে বাংলা নববর্ষও বলে। এই দিনে বাঙালি জাতি আনন্দে মেতে ওঠে গান, খাদ্য ও ঘোরাঘুরি নিয়ে। আমি এই দিনে সব সময়ই গান করি। এই দিনে আমাদের একটি গানও আছে। নাম ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’। এই গানটি শুনলেই আমরা বুঝতে পারি বৈশাখ এসে গেছে। আরেকটি গান ‘এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে’। এই গানটি লেখা হয়েছে বৈশাখী ঝড় নিয়ে। বলে রাখা ভালো, বৈশাখী ঝড় মানেই তুমুল ঝড়। এই ঝড়েই ছোটবেলায় আমি বা আমরা (পরিবার) আটকা পড়েছিলাম অনেক বার, অনেক জায়গায়।
অন্যদিকে বৈশাখের আমেজের আরেক জিনিস হলো খাবার। তবে হ্যাঁ, এক সময় মানুষ ভাবত ইলিশ মাছ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়াই এই দিনের খাবার। তবে এইটা এই দিনের খাবারই নয়। এই দিনে আসলে খাবারটা হতে হবে অন্য কিছু। এই দিনের একটি খাদ্যের নাম এচোর রান্না। এচোর তৈরি হয় কাঁঠাল ও কয়েকরকমের সবজি দিয়ে। সঙ্গে চিংড়ি। তবে এটাও যে এ দিনের খাবার, তাও আবার ঠিক না। এই দিনে আমার একটা প্রিয় খাবার এচোর রান্না।
ঘোরাঘুরি হলো আমার সবচাইতে মজার একটা বিষয়। এই দিনে আমি সব সময় ঘুরি। ২০১৯ সালের ১৪ এপ্রিল আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরতে গিয়েছিলাম। প্রথমে রমনা পার্ক। তার পর গিয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর আগে আবার গিয়েছিলাম পরিবাগে। পরিবাগে কিছু সুন্দর মুহূর্ত পার করে আমরা ঘুরেছিলাম এই ঢাকায়। ২০২০ সালের বৈশাখ। যে বৈশাখ হয়তো-বা আমার জীবনের সবচাইতে দুঃখের বৈশাখ। এর পর ২০২১ সালের বৈশাখে অবশ্য বাসায় টিভি দেখেই কাটিয়ে দিয়েছিলাম। সেই বৈশাখে ছিল ডাল ভর্তা, করলা ভর্তা,পটোল ভর্তা, আলু ভর্তা, করলা ভাজি, এচোর দিয়ে সবজি চিংড়ি ইত্যাদি। ২০২২ সালের ১৪ এপ্রিল দীর্ঘ দিন পর আবার বৈশাখে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। সেদিন আমরা প্রথমে রমনা, তার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেদিন আবার বৃষ্টিও ছিল। আনন্দের সঙ্গেই ছিলাম সেই বৈশাখে। এর পর অবশ্য এবার বৈশাখে দূরে কোথায় যাওয়ার ইচ্ছে আছে। গ্রামীণ কোনো জায়গায়।
গ্রামীণ থেকে মনে পড়ল বৈশাখে পোশাক নিয়ে একটা মজার বিষয় আছে ২০১৯ সালে। আমরা সবাই একই রঙের জামা নিজেরা বানিয়ে পরেছিলাম। বৈশাখের রঙ আবার লাল ও হলুদ। তাই রঙটা ছিল হলুদ। তার পিছনে ছিল ঘুড়ি। বাংলা বৈশাখের চিত্রশিল্প, মৃত শিল্প, মুখোশÑ এগুলো নিয়ে ঢাকার চারুকলায় একটা মেলা বসে। সেখান থেকে চাইলে কিনতে পারব এসব বৈশাখী শিল্প বা বাঙালির শিল্প। বাংলা একাডেমিতে রয়েছে আবার বৈশাখী মেলা। সেখানে নকশি কাঁথাও পাওয়া যায়।
এক কথায় বাঙালির সবচাইতে বড় উৎসব হয়তো পহেলা বৈশাখ। এই দিনে মেতে ওঠাই
আমাদের কাজ। আমরা বাঙালিরা   এইদিন নববর্ষ পালন করি। পহেলা বৈশাখ আমাদের কাছে গর্বের বিষয়। এই উৎসবের নামÑ ‘পহেলা বৈশাখ’। আর এই নামটি সব সময় মনে থাকবে প্রাণে। নেচে উঠবে আনন্দে।

সপ্তম শ্রেণি
উইলস লিটল ফ্রাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাকরাইল, ঢাকা

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা