× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পোষা পাখির যত্ন-আত্তি

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:৫৭ পিএম

পোষা পাখির যত্ন-আত্তি

বাসার কোণে দুয়েক জোড়া পাখি বদলে দিতে পারে আপনার পুরো বাড়ির পরিবেশ। বাজারে হরেকরকম ও বাহারি রঙের পাখি পাওয়া যায়। সেখান থেকে আপনার পছন্দের কয়েক জোড়া পাখি খুব সহজেই সংগ্রহ করে নিতে পারেন। অবসরের চমৎকার সঙ্গী হতে পারে পোষা পাখি। আবার কেউ চাইলে টুকটাক আয়ও করতে পারেন পাখি বিক্রি করে।

আমাদের দেশের আইনে বিদেশি পোষা পাখি পালন বৈধ। তাই চাইলেই বাজরিগার, ফিঞ্চ, লাভ বার্ড, ককাটেইল, ডোভ, সান কনুর, ম্যাকাও, রেড লরি ইত্যাদি পাখি বাসায় পালতে পারেন। ২৪-২৪-২৪ অথবা ২৪-২৪-১২ ইঞ্চি খাঁচায় এদের পালন করা যায়। কোন পাখি পালন করবেন, খাঁচার সাইজ তার ওপর নির্ভর করে। আবার কিছুটা জায়গায় নেট দিয়ে ঘিরে ডালপালা বসিয়ে ছেড়েও পাখি পালন করা যায়। একে বলে কলোনি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে একটা প্রাকৃতিক আবহ পাখিকে তৈরি করে দেওয়া হয়। পোষা পাখিরা নানান ধরনের শস্যবীজ যেমন চীনা, কাউন, ক্যানারি, মিলেট, সূর্যমুখী বীজ, কুসুম ফুলের বীজ, পোলাওর চালের ধান ইত্যাদি খেয়ে থাকে। আবার শাকসবজি, ফলমূল, ডিম কেটেও এদের দেওয়া যায়। একটা পাখির যা ওজন, তার তিন ভাগের এক ভাগ খাবার তারা খায়। সঙ্গে সার্বক্ষণিক থাকতে হবে বিশুদ্ধ পানি।

প্রজাতিভেদে পোষা পাখি ছয় মাস থেকে এক বছরে প্রজননে যাওয়ার উপযুক্ত হয়। সপ্তাহে একবার পাখির খাঁচা পরিষ্কার করতে হয়। সাধারণত লাভ বার্ড তিন থেকে পাঁচটি ডিম দেয়। ফিঞ্চ পাখি সাত-আটতিও ডিম দেয়। ডিম দেওয়ার সময় পাখিদের ভিটামিন খেতে দিতে হয়। খাঁচার পাখি প্রকৃতির পাখির মতো প্রয়োজনমতো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। তাই কখন কোন পাখির কী কী খাবার প্রয়োজন, তা আগেভাবে জেনে নিতে হবে। পোষা পাখিদের সপ্তাহে অন্তত একবার গোসল করাতে হবে। এতে পালকগুলো ঝকঝক করে। রঙও ফুটে ওঠে। অসুস্থতা ছাড়া খাঁচার পাখিকে নোংরা পালকে দেখা যায় না।

বারান্দায় গাছপালা তো অনেকেরই থাকে। তার মধ্যে এক বা দুই জোড়া পোষা পাখি রাখতেই পারেন। ঘরের মধ্যে রাখতে পারেন। যেখানেই রাখুন না কেন, শুধু লক্ষ রাখতে হবে সরাসরি বাতাস বা বৃষ্টির পানি যেন পাখির গায়ে না লাগে। ডিম পাড়ার উপযুক্ত হলে বক্স বা হাঁড়ি দিতে হবে। বাসা তৈরির জন্য নারকেলের ছোবড়া, ফুল ঝাড় দেওয়া যায়। ওরাই এসব কেটেকুটে সুন্দর বাসা তৈরি করে নেবে। খাঁচায় বসার জন্য দেওয়া যায় পার্চ (লাঠি)। ডিমে তা দেওয়ার সময় পাখিকে বিরক্ত করা যাবে না।

অপরিষ্কার নিম্নমানের খাবার আর নোংরা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের জন্য পাখি সাধারণত অসুস্থ হয়। বাজার থেকে খাবার এনেই সরাসরি পাখিকে দেওয়া যাবে না। ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে কড়কড়ে করে তবেই দিতে হবে। খাবারের বক্সে নিমপাতার গুঁড়া দিলে পোকা আসবে না। খাবার খাঁচায় যেন পড়ে না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। মাঝে মাঝে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম দেওয়া ভালো। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সপ্তাহে দুই দিন আপেল সিডার ভিনেগার (অপরিশোধিত) ১ লিটার পানিতে ৫ মিলি পরিমাণ খেতে দিতে পারেন। এলোভেরা জেলও খাবার ও গোসলের পানিতে দেওয়া যায়। পাখি অসুস্থ হলে তক্ষণাৎ আলাদা ছোট খাঁচায় নিতে হবে। সেখানে নিয়ে ৪০ ওয়াটের লাইট জ্বালিয়ে দিতে হবে। তারপর চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা