আলোকদিয়া ডেস্ক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
চাকরির আবেদন করার সময় সিভিই একজন প্রার্থীর প্রথম পরিচয়। নিয়োগদাতারা অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সিভি মূল্যায়ন করেন। তাই সিভিতে থাকা ছোটখাটো ভুলও ভালো সুযোগ হাতছাড়া করার কারণ হতে পারে।
একটি পরিপাটি, প্রাসঙ্গিক ও নির্ভুল সিভি আপনার পেশাদারত্বের পরিচয় বহন করে। সিভি তৈরির সময় যেসব ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি-
বানান ও ভাষাগত ত্রুটি : ভুল বানান বা ব্যাকরণ আপনার অসতর্কতার পরিচয় দেয়। তাই জমা দেওয়ার আগে সিভি ভালোভাবে যাচাই করুন।
অপ্রয়োজনীয় তথ্যের ভিড় : আবেদন করা পদের সঙ্গে সম্পর্কহীন তথ্য, শখ বা পুরনো অর্জন যুক্ত করলে সিভির মূল বিষয়গুলো গুরুত্ব হারায়। প্রয়োজনীয় তথ্যই রাখুন।
সব চাকরিতে একই সিভি পাঠানো : প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের চাহিদা আলাদা। তাই চাকরির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সিভি হালনাগাদ ও কাস্টমাইজ করুন।
অগোছালো ডিজাইন : অতিরিক্ত রঙ, জটিল ফন্ট বা এলোমেলো বিন্যাস সিভিকে অপেশাদার দেখায়। সহজ ও পরিচ্ছন্ন ফরম্যাট ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর।
দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে লেখা : বাস্তবের সঙ্গে মিল না থাকা তথ্য ইন্টারভিউতে সহজেই ধরা পড়ে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে। তাই সিভিতে সবসময় সত্য ও নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন করুন।
কি-ওয়ার্ড ব্যবহার না করা : অনেক মাঝারি ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কাজের বিপরীতে অ্যাপ্লিকেশন ট্র্যাকিং সিস্টেম বা এটিএস অনুযায়ী সিভি ফিল্টার করে। তারা প্রধানত কি-ওয়ার্ড ও বাক্যাংশ বিশ্লেষণ করে সিভিগুলো র্যাংক করে। তাই সিভিতে কাজের বিবরণ থেকে কি-ওয়ার্ড ও বাক্যাংশ চিহ্নিত করুন। তাহলে এটি এটিএস ফিল্টারে সহায়তা করবে। অনুমান করা হয় ৭০ শতাংশ সিভি এটিএস সিস্টেমের সঙ্গে জড়িত। তাই সিভিতে কি-ওয়ার্ড ও বাক্যাংশ ব্যবহার করুন।
মনে রাখবেন, একটি সুসংগঠিত ও প্রাসঙ্গিক সিভিই নিয়োগদাতার কাছে ইতিবাচক প্রথম ধারণা তৈরি করে এবং কাঙ্ক্ষিত চাকরির পথে আপনাকে এক ধাপ এগিয়ে দেয়।
সূত্র : টপ ইউনিভার্সিটিস