প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
বৃষ্টি তো হচ্ছে তবুও ঘামছি কেন?
প্রচণ্ড গরম, আকাশে কালো মেঘ জমেছে। মনে মনে বেশ খুশি হলেন। ভাবলেন এবার গরমটা তাহলে কমবে। সব সময় অবশ্য গরম কমে না, শরীর ঠান্ডা হয় না। গরমে কখনও কখনও হঠাৎ বৃষ্টি হলেও চারপাশের গুমোট ভাব কমে না। শরীর ঘামে ভিজে যায়, ত্বক হয়ে ওঠে আঠালো। যেখানে বৃষ্টি হলে গরম কমার কথা, সেখানে না কমে ঘাম আরও বেড়ে যায় কেন? এর পেছনে মূলত কাজ করে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বাতাসের আর্দ্রতার জটিল সম্পর্ক।
শরীর ঘামে কেন
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় নির্দিষ্টই থাকে। বাইরে গরম বা ঠান্ডা যাই হোক, শরীর সেই তাপমাত্রা ধরে রাখার চেষ্টা করে। এই ভারসাম্য রক্ষা করতে শরীর ঘামের সাহায্য নেয়। গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে ত্বকের তাপ কমায়। ঘাম ত্বকের ওপর এসে বাষ্পে পরিণত হলে শরীর কিছুটা শীতল হয়। সমস্যা হয় তখন, যখন বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। আর্দ্রতা মানে বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। বৃষ্টির পর পরিবেশে এই আর্দ্রতা বেড়ে যায়। ফলে ঘাম সহজে শুকায় না। ঘাম ত্বকের ওপর থেকে বাষ্পে পরিণত হতে না পারায় শরীর ঠান্ডা হতে পারে না। ফলে শরীর একদিকে ভিজে থাকে, অন্যদিকে গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
ঘাম না অস্বস্তি
অনেক সময় মনে হয় গরমে হয়তো ঘাম বেশি হচ্ছে, কিন্তু আসলে সেটা নয়। সমস্যা হলো ঘাম ভালোভাবে শুকাতে না পারা। ঘাম জমে থাকায় শরীর আঠালো হয়ে যায় এবং অস্বস্তি বাড়ে। অর্থাৎ বৃষ্টির পর ঘাম বাড়ে না, বরং ঘামের কার্যকারিতা কমে যায়।