রওনক জাহান পুষ্প
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
মেহমানদারির প্রস্তুতি
বাড়িতে মেহমান আসা মানে অন্যরকম প্রস্তুতি। অনেক সময় সঠিক প্রস্তুতির অভাবে মেহমানদারিতে ঘাটতি রয়ে যায়, যেটার কারণে পরে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। বাসায় মেহমান আসবে এই সময় নির্ধারণ হওয়ার পর কয়েক দিন আগে থেকেই একটা ছোট্ট তালিকা তৈরি করে নেওয়া ভালো।
ঘর পরিষ্কার
ঘরোয়া কোনো বড় আয়োজন হলে ঘর পরিষ্কার করাও এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুরো বাসা একদিনে পরিষ্কার করার চেয়ে ধাপে ধাপে কাজ করা বেশি কার্যকর। একদিন ড্রইংরুম, অন্যদিন রান্নাঘর বা শোয়ার ঘরÑ এভাবে ভাগ করে কাজ করলে চাপ কম লাগে। বিশেষ করে রান্নাঘর ও ডাইনিং স্পেস পরিষ্কার রাখা জরুরি। কারণ মেহমানদারির বেশিরভাগ সময়ই এই জায়গাগুলোতে কাটে। পুরনো বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেললে ঘর অনেক বেশি পরিপাটি দেখায়।
সামান্য পরিবর্তন
ঘর সাজানোর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত কিছু করার প্রয়োজন নেই। পরিষ্কার পর্দা, গোছানো কুশন, টেবিলে ছোট ফুলদানি বা হালকা আলোকসজ্জাই বাসায় উৎসবের আবহ এনে দিতে পারে। সোফা সেট অথবা কার্পেট বিছিয়ে অতিরিক্ত কয়েকটা বালিশ-কুশন দিয়ে দিলে কয়েকজনের জায়গা হয়ে যায়, একই সাথে পরিবেশ আরও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
রান্নার প্রস্তুতি
রান্নার প্রস্তুতি আগে থেকে শুরু করলে আয়োজনের দিন অনেক বেশি ঝামেলা কমে যায়। পেঁয়াজ কেটে রাখা, মাংস মেরিনেট করা, মসলা গুছিয়ে রাখা অথবা ডেজার্ট আগের রাতে তৈরি করে ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। এতে সকালে একসাথে অনেক কাজের চাপ পড়ে না। বিশেষ করে যেসব খাবার সময় নিয়ে রান্না করতে হয়, সেগুলোর উপকরণ আগে থেকে প্রস্তুত রাখা খুবই কার্যকর।
দরকারি জিনিস গুছিয়ে রাখা
বাড়তি কিছু কাপ, প্লেট, টিস্যু বা পানীয় আগে থেকেই গুছিয়ে রাখলে প্রয়োজনের সময় খুঁজে বেড়াতে হয় না। ছোটদের জন্য আলাদা কিছু খাবার বা হালকা নাশতা রাখলেও সুবিধা হয়। ছোটরা বেশিরভাগ সময় স্যান্ডউইচ, নুডলস, কুকিজ এসব হালকা জিনিস পছন্দ করে, এগুলো বানাতে ঝামেলাও কম।