জাহাঙ্গীর আলম জাহান
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:১৫ পিএম
সূর্যমুখীর হলুদ মাঠে নীল ভ্রমরের খেলা
দেখতে গিয়ে হঠাৎ দেখি ফুরিয়ে এলো বেলা
পাশের মাঠে ছেলের দল ওড়ায় রঙিন ঘুড়ি
ইচ্ছে করে ঘুড়ির মতোই আকাশ-নীলে উড়ি
চলছে ঘুড়ির কাটাকাটি
লাগে দারুণ ফাটাফাটি
মনটা এলেবেলে-
ভোকাট্টা এক ঘুড়ির পিছে ছুটছে কত ছেলে
বাতাস এসে প্রশ্ন করেÑ কোন্ গাঁ থেকে এলে?
আমি এলাম অন্য গাঁয়ের নিঝুমপাড়া থেকে
বাতাস বলেÑ তোমার ঘরে আছে বলো কে কে
ঘরে আছে মা-ভাই-বোন, আছেন প্রিয় বাবা
হিমেল বাতাস বলে আবার কখন ঘরে যাবা
নাকি হবে ঘুড়ির মতো
উড়বে কেবল অবিরত
পড়বে নাকি পড়া
তোমার জীবন রুটিনমতো রয় কি বাঁধাধরা?
আমি এখন এইটে পড়ি, আছেই পড়ার চাপ
সবার মতো গাঁ জুড়ে তো করি না লাফঝাঁপ
ইশকুলে যাই, পড়াও পড়ি, খানিক অবসরে
মনটা যখন ক্লান্তিতে খুব কেমন কেমন করে
তখন মাঠে ঘুরতে আসি
ঘুরে ঘুরেই হই উদাসী
মন হয়ে যায় ঘুড়ি-
মনে মনেই আকাশ-নীলে একটু তখন উড়ি।
অন্য সবার মতো আমি দিই না পড়ায় ফাঁকি
সবার সাথে মিলেমিশে আমার মতোই থাকি।
বাংলাদেশের ছবি
জান্নাত হক দিশা
আমার মন হয়ে যায় বাউল এবং
মন হয়ে যায় কবি
দুচোখ ভরে দেখি যখন
বাংলাদেশের ছবি।
আমি ছন্দ-গানে গাইরে যখন
বাংলাদেশের গান
সুরের মোহে হারাই দিশা
হয় যে আকুল প্রাণ।
আমি রঙতুলিতে আঁকি যখন
গাঁয়ের দৃশ্য, নদী
মন ভরে যায়, বাঁচতে শেখায়
সেসব নিরবধি।
আমার মন হয়ে যায় উদাস এবং
ভোরের ফোটা রবি
দুচোখ ভরে দেখি যখন
বাংলাদেশের ছবি।
সপ্তম শ্রেণি, রংপুর গভ. বালিকা বিদ্যালয়, রংপুর