সাঈদ বারী
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:১২ পিএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:১৫ পিএম
অলংকরণ : জয়ন্ত সরকার
জিয়া মানে সাহস। জিয়া মানে দেশের কাজ। জিয়া মানে সাধারণ মানুষের গল্প।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম হয়েছিল ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি। তিনি জন্মেছিলেন বগুড়া জেলায়। ছোটবেলায় তিনি ছিলেন চুপচাপ। খুব বেশি কথা বলতেন না। কিন্তু দায়িত্ব পেলে পিছিয়ে যেতেন না।
তিনি ছিলেন একজন সেনা কর্মকর্তা। দেশ যখন ভয় আর অন্ধকারে ডুবে ছিল,
তিনি তখন রেডিওতে বলেছিলেনÑ
‘আমি জিয়া বলছি।’
এই কথাটা আজও মানুষ মনে রাখে।
জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কখনও নিজেকে বড় মানুষ ভাবতেন না। তিনি ভাবতেন, দেশের মানুষই প্রধান। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা।
তিনি জানতেন, আজকের শিশুই আগামীর বাংলাদেশ।
তাই তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি তার সময়েই গড়ে ওঠে। এই জায়গাটা শিশুদের খুব প্রিয়।
এখানে গান আছে। নাচ আছে। আঁকাআঁকি আছে। নাটক আছে।
শিশুরা এখানে হাসে।
শিখে। স্বপ্ন দেখে।
তিনি শিশুদের জন্য টেলিভিশন অনুষ্ঠানও চেয়েছিলেন। তখন শুরু হয় ‘নতুন কুঁড়ি’।
এই অনুষ্ঠানে শিশুরা গান গায়। কবিতা বলে।
নাচ করে। নিজের মতো করে কথা বলে।
অনেক শিশুর জীবনে ‘নতুন কুঁড়ি’ ছিল প্রথম মঞ্চ।
শিশুদের খেলাধুলার কথাও তিনি ভুলে যাননি। তার সময়েই গড়ে ওঠে শিশুপার্ক।
শিশুপার্ক মানে রঙিন দোলনা। হাসির শব্দ।
আইসক্রিম। ছোট ছোট পা দৌড়ায়। শিশুরা যেখানে এসে খুশি হয়।
এটাই তিনি চাইতেন।
জিয়াউর রহমানের পরিবারও ছিল সাধারণ।
তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন।
তাদের দুই ছেলেÑ
তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। জিয়া পরিবারের মানুষরা স্নেহশীল। পরিবারকে সময় দিতেন। কিন্তু দেশের কাজ আগে করতেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে তিনি শহীদ হন। সেদিন বাংলাদেশ কেঁদেছিল।
আজও মানুষ তাকে মনে করে।
জিয়াউর রহমান কোনো রূপকথার রাজা ছিলেন না। তিনি ছিলেন কাজের মানুষ।
তিনি বিশ্বাস করতেনÑ
শিশুরা ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে।
তাই কেউ যদি প্রশ্ন করো, কেমন মানুষ ছিলেন জিয়া?
উত্তরটা খুব সহজ।
তিনি ছিলেন একজন দায়িত্বশীল মানুষ।
দেশকে ভালোবাসতেন।
শিশুদের ভালোবাসতেন।