× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হেমন্তে রাইক্ষং ঝরনার প্রান্তরে

মুহাম্মদ জাভেদ হাকিম

প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৫৯ পিএম

হেমন্তে রাইক্ষং ঝরনার প্রান্তরে

পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সবচেয়ে সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। আর সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো আর কথাই নেই। এই তিন মৌসুমে পাহাড়-ঝরনার পূর্ণাঙ্গ সৌন্দর্য দেখা যায় ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। চলার পথে কানে ভেসে আসবে রিমঝিম শব্দ। কিন্তু শব্দের উৎস খুঁজে পাওয়া যাবে না। ট্র্যাকিং অবস্থায় চোখে ধরা দেবে পায়ের নিচে মেঘ-বৃষ্টি আর বিদ্যুৎ চমকানোর অসাধারণ সব দৃশ্য।

যে পাহাড়ের ওপর দিয়ে হেঁটে যাবেন, সেখানে থাকবে প্রখর রোদ অথচ পাশের পাহাড়েই দেখবেন ঝরছে ঝুম বৃষ্টি। মেঘ-রোদ আর বৃষ্টির অপূর্ব মিতালি। কখনোবা আবার আচমকা শুভ্র মেঘমালা আপনার দেহ ঘিরে ধরে মনের মাঝে ছড়িয়ে দেবে এক অন্যরকম ভালো লাগার দ্যুতি! সেই অপার্থিব সৌন্দর্যের ঘোর কাটতে না কাটতেই আপনার পিছু নেবে আরও নতুন কোনো কিছু দর্শনের রোমাঞ্চকর অনুভূতি। এসব কিছুরই শিহরিত অনুভব পাওয়া যাবে যখন সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ১৫০০ হতে ২৫০০ ফিট ওপর দিয়ে পাহাড়, বনজঙ্গল আর সুমিষ্ট পানির ছড়া দিয়ে দুই পার সঙ্গে টেকসই একটা লাঠি নিয়ে হেঁটে বেড়াবেন। দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বেড়াতে হাতের লাঠি, অতিরিক্ত পা হিসেবে দারুণ কাজে আসে। 

আমাদের অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের এবারের ভ্রমণ ছিল বান্দরবানের উঁচু উঁচু পাহাড়, খরস্রোতা খাল আর আদিবাসীপাড়া পেরিয়ে রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনার প্রান্তরে। দলে ছিলাম ছয়জন। বগালেক থেকে সকাল ৭টায় আল্লাহর নাম নিয়ে জুৎসই বাঁশের লাঠি সম্বল করে দু-পায়ের ওপর ভর করে হাঁটা শুরু। ঢেউখেলানো সারি সারি পাহাড়, ছড়া-ঝিরি মাড়িয়ে শুধু এগিয়ে যাচ্ছি। কখনও দুই হাজার ফিট ওপরে কখনোবা আবার দেড় হাজার ফিট নিচে এভাবেই চলছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চড়াই-উতরাই। কোথাও যে একটু নিশ্চিন্ত মনে জিরিয়ে নেব, শিকারি টাইগার জোঁকের কারলে সেই সুযোগটুকুও নেই।

বেশ কয়েক ঘণ্টা হাঁটার পর নাখজংপাড়ার দেখা পেলাম, আদিবাসী মুরংদের বসতি। বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রামের পাশাপাশি সঙ্গে নেওয়া মুড়ি-চানাচুর তেল দিয়ে মেখে বেশ মজা করে খাই। খাওয়া শেষে আবারও হাঁটা। আজকের গন্তব্য পুকুরপাড়া। তবে ছিপ ছিপে শরীরের দক্ষ গাইড শাহজাহানের ভবিষ্যৎ বাণী জাভেদ ভাই যেভাবে হাঁটতেছেন তাতে মনে হয় না আজকে পৌঁছাতে পারব। ওকে থামিয়ে দিয়ে বললাম বোকা ছেলে রাইক্ষং দেখতে যাচ্ছি। ঝরনা দেখার পরই তো অভিযান শেষ, কিন্তু তার আগেও যে রয়েছে আরও অনেক কিছু দেখার। তোমাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না থাকার ফলে আগন্তুক ভ্রমণপিপাসুদের কাছে পাহাড়ের সৌন্দর্য যথাযথভাবে তুলে ধরতে পার না। শুধু চোখ বাঁধা গরুর মতো হাঁটিয়ে নিয়ে যাও। পাহাড় অরণ্যে হাঁটতে হয় গুটি গুটি পায়ে, চারপাশে তাকিয়ে, কখনোবা আবার নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে থমকে যেতে হবে, তবেই না পাওয়া যাবে পাহাড়ে ঘোরার চমকানো সৌন্দর্যের আনন্দ। আমার কথা শুনে গাইড সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল। অবাক বিস্ময়ের চাহনিতে মনের আনন্দে হেলেদুলে হাঁটছি আর ক্যামেরার শার্টার টিপছি, প্রকৃতির রূপে এতটাই আছন্ন হয়ে পড়ি কখন যে পাহাড়ি মহিষা আর টাইগার জোঁক দেহ আলিঙ্গন করেছিল টেরই পাইনি। হুঁশ ফিরেছে যখন দেখেছি, কাপড় ভিজে লাল রক্ত গড়িয়ে পড়তেছিল তখন। আপন মনে বিড় বিড় করে বলি রক্তচোষা জোঁক তোরা কি পারবি দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের দামাল ছেলেদের পথ আগলে রাখতে, না পারবি না! কারণ তোরা রক্তপিপাসু আর আমরা হলাম ভ্রমণপাগলু।

জয় হবে আমাদেরই, চুষে যা রক্ত যত খুশি। দুপুর দুইটা বিশ মিনিটে রুমা খালের দেখা পাই। খালের পানিতে ছড়ানো-ছিটানো প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ছোট-বড় অসংখ্য পাথরের চাঁই, স্বচ্ছ শিতল পানি হাতে মুখে দিয়ে, দুপুরের আহার সঙ্গে থাকা চিড়াগুড় দিয়ে সেরে নেই। এবার পাথর আর পানি ডিঙিয়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে চলা। এনোংপাড়া আসতেই প্রায় সন্ধ্যা, ডানে তাকিয়ে দেখি বিশাল বিশাল গাছ আর জঙ্গলে ঘেরা ইয়া উঁচু এক পাহাড়। পুকুরপাড়া যেতে হলে এই পাহাড়টি ডিঙাতে হবে। এবার হয়তো ঢাকা থেকে বয়ে আনা রশির বস্তা কাজে আসবে, আমাদের রাত করে পাহাড়-জঙ্গলে হাঁটার দারুণ মজার মজার সব অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু গাইড কেন যেন বেঁকে বসল, তার জোরালো আবদার রাতে এনোং পাড়াতেই থেকে যান। জানি না তার কোনো‌ স্বার্থ ছিল কি না। তবে তার ভদ্রতার জন্য বিষয়টা নেতিবাচক চিন্তা না করে ইতিবাচক হিসেবেই ধরে নিই। 

রুমা খালে সাফসুতর হয়ে এনোং পাড়াতেই থেকে যাই, রাতের খাবারে অর্ডার দেওয়া হলো বাঁশকোড়লের ভাজি, ডাল আর পাহাড়ি মুরগির ভুনা, সঙ্গে ঢেঁকিছাঁটা ঝুম চালের বৈঠা ভাত তো থাকছেই। 

খাবার খেয়ে ঘুমাতে যাই, কিন্তু ঘুম আসে না, বাইরে ভরা জোছনার আলো খোলা জানালার ফাঁক গলে চোখে পড়ে। চার পাশের সুনসান নীরবতা খান খান করে কানে ভেসে আসে অবিরাম ধারায় বয়ে যাওয়া খালের পানির কলকল শব্দ। একরাশ হিমেল হাওয়ায় শরীর জুড়িয়ে যায়। মনের মাঝে প্রচণ্ড বাসনা জাগে, ঘরের বাইরে বের হয়ে পূর্ণিমা উপভোগ করার কিন্তু হায় ততক্ষণে সবাই বেঘোর ঘুমে। আমিও একসময় ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে যাই। 

মোরগ ডাকা ভোরে বিছানা ছাড়ি, জাগিয়ে তুলি সবাইকে, সামান্য দানাপানি পেটে পুরে ছুটি এবার মূল গন্তব্যে। গত সন্ধ্যায় দেখা উঁচু পাহাড়টাই ট্র্যাকিং করতে হবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা, পাড়া থেকে নেমে সামান্য দূরে গিয়েই শুরু হয় ট্র্যাকিং। আকাশছোঁয়া বৃক্ষ, শরীরে জড়িয়ে যাওয়া সব লতাগুল্ম আর ভয়ানক সব শিকারি জোঁকের অভয়ারণ্য। এ যেন পাহাড় নয়, মনে হবে কোনো মৃত্যুপুরির ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। আসলে তা নয়, প্রথমে দেখতে যে কারোরই এমনটি মনে হতে পারে। দিনের আলো যে পাহাড়ে হার মেনেছে সেখান দিয়েই আমরা হেঁটে বেড়াই, ঘণ্টা দেড়েক হাঁটার পর পেয়ে যাই সুমিষ্ট স্বচ্ছ পানি ধারা। সুবহানাল্লাহ্! দুই পাহাড়ের বুকচিরে অবিরাম গড়িয়ে পড়ে পানি। সত্যিই আল্লাাহ এক ও অদ্বিতীয়। তা না হলে এমন সুশৃঙ্খলভাবে প্রকৃতি তার আপন গতিতে অনন্তকাল ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারত না। 

স্যালাইন খেজুর ছড়ার পানি পান করে আবারও হাঁটা। এবার দুই পাহাড়ের মাঝে সরুপথ দিয়ে যেতে হবে। কিছুদূর যেতেই দেখি গাছের পাতায় পাহাড়ের ভাঁজে ঝুর ঝুরে পাথুরে মাটিতে পাহাড়ের সবচেয়ে ভয়ংকর টাইগার জোঁক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যেন মনে হয় মানুষের রক্তের স্বাদ নেওয়ার জন্য আনন্দে নৃত্যরত। ইফতেখার ভয়ে শিশুদের মতো কেঁদেই ফেলল। কান্না কিংবা হাসি যেটাকেই বেছে নিই না কেন, এই দম বন্ধ হওয়া সৌন্দর্যের পথ পাড়ি দিয়ে প্রকৃতির অপার বিস্ময় রাইক্ষং ঝরনায় পৌঁছতেই হবে। কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হবে, এই দুর্গম নির্জন পাহাড়ের বিনা রক্তপাতে সেটা আশাইবা করি কীভাবে। যতটা সম্ভব দ্রুত হাঁটছি। দেহের রক্তচোষা যে শুরু হয়ে গেছে, তা একটু-আধটু টেরও পাচ্ছি। বন্ধুদের কুপ্পি কাইত কুপ্পি কাইত {অবস্থা খারাপ} চিৎকারে ঝোপঝাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্য কোনো হিংস্র জন্তু হয়তো পালিয়েছিল। 

যাক বাবা দ্রুত হাঁটার জন্য সময় তো বাঁচল। আনুমানিক পঁচিশ ফিট ওপরে যাওয়ার পর আমাদের চোখ ছানাবড়া, ওয়াও! এ কী দেখছি দৃষ্টির সীমা যতদূর যায় শুধু সবুজে মোড়ানো দিগন্তছোঁয়া পাহাড়ের ঢেউ। পুকুরপাড়া আর্মি ক্যাম্পের পাদদেশেই বিশালাকার টলটলে পানির লেক। চারপাশে পাহাড় মাঝখানে অবিশ্বাস্যকর সৌন্দর্যের প্রাকৃতিক লেক। ভাবুন তো একবার ওমন পরিবেশে কেমন লাগবে আপনার? ক্লান্তি কি কখনও আছন্ন করতে পারবে? সোনার অঙ্গ বেয়ে পড়া রক্ত মুছি আর মায়ের কথা মনে করি। যখন বাড়ি ফিরে যাব, তখন মা তার স্বভাবসুলভ আচরণে বলবেÑ তোরে বাবা মাথায় রাখি নাই উঁকুনে খাবে, মাটিতে রাখি নাই পিঁপড়ায় খাবে আর তুই এখন বনজঙ্গলে গিয়া শরীরটা জোঁকেরে খাওয়াছ। এবার প্রাংজাংপাড়া পেরিয়ে পুকুরপাড়া সুজন মাস্টারের কটেজের দিকে অগ্রসর হই। কটেজে কাঁধের ঝোলা বোসকা রেখে স্বাদের দেশি পেয়ারা চিবিয়ে নব উদ্যমে হাঁটি। ঘণ্টাখানেক নিচের দিকে হাঁটার পর শুনতে পাই সেই কাঙ্ক্ষিত কলকল রিমঝিম ছন্দতোলা নৈসর্গিক শব্দ।

পায়ের গতি আরও বেড়ে যায়। দুই রাত আদিবাসীদের ঘরে মুলি বাঁশের মাচায় ঘুমিয়ে প্রায় দুই দিন বন্ধুর পথে হাইকিং ট্র্যাকিং অবশেষে পেয়ে যাই বছরখানেক যাবৎ স্বপ্নে বুনা সেই রুদ্বশ্বাস সৌন্দর্যের রাইক্ষং ঝরনা। অবারিত পানির জলরাশি বিশাল পরিধি নিয়ে সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে পানি অবিরাম গড়িয়ে পড়ে। মজার বিষয় অন্য যেকোনো ঝরনার চেয়ে রাইক্ষং-এর বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। পানির বহমান ধারার দৃশ্য এক জায়গা থেকেই দেখা যায়। দুপাশে সেগুন-গর্জন গাছের ছায়াঘেরা উঁচু পাহাড় তার মাঝে রাইক্ষং। রাইক্ষংয়ের পানি বেশ দূর গিয়ে রুমা খালে পড়ে। সেই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখে আমরা আনন্দে লুটোপুটি খাই। বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাসে আপ্লুত হয়ে হেঁটে যাই ঝরনার শেষ প্রান্ত। দেশের ভেতর এত সুন্দর একটা ঝরনা ভাবতেই অন্যরকম লাগে। প্রকৃতির অপার নিদর্শন রাইক্ষং দেখার জন্য এসেছি, দেখে তৃপ্তিও পেয়েছি। দীর্ঘ পথচলায় কোমল প্রকৃতি থেকে শিখতে পেরেছি অনেক কিছু। উদার প্রকৃতির মতো আমার প্রিয়বন্ধুরা পথের সব ধকল ভুলে, প্রাপ্তির ঢেঁকুর তুলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। বন্ধুরা আর দেরি কেন? এই হেমন্তেই চলে যান বিমুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকার মতো, সবুজ গালিচায় মোড়ানো ঢেউখেলানো পাহাড়ি পথে রাইক্ষং। 

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সরাসরি বান্দরবানের এসি/নন এসি বাস আছে। বান্দরবানের রুমা বাসস্ট্যান্ড থেকে রুমা বাজার পর্যন্ত লোকাল বাস সার্ভিস। রুমা আর্মি ক্যাম্পে নাম এন্ট্রি করে গাইড নিতে হবে। 

থাকা-খাওয়া : রুমা বাজার থেকে প্রয়োজনীয় বাজার সদাই করে নিতে হবে। যতটা সম্ভব শুকনো খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। মাছ মুরগি চালÑ এসব আদিবাসী পাড়াতেই পাবেন। রাতে সঙ্গে যাওয়া গাইডের নির্দেশনা অনুযায়ী আদিবাসীপাড়ায় থাকবেন। 

টিপস 

  • প্রয়োজনীয় স্যালাইন, মশা ও জোঁক প্রতিরোধক ক্রিম ও অন্যান্য ওষুধ সঙ্গে নেবেন।
  • শক্ত লাঠি, টর্চ ও ব্যাগে হালকা কাপড় রাখুন। 
  • গাইড ও স্থানীয়দের সঙ্গে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা পরিহার করে তাদের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহারের পরিচয় দিন। 
  • ভ্রমণের আগে অবশ্যই সঙ্গীদের যথাসম্ভব ট্র্যাকিং সম্পর্কে ধারণা দিন। 
  • অবশ্যই চলার পথে চারপাশের মায়াবী সৌন্দর্য সময় নিয়ে উপভোগ করুন। 
  • ঝরনার ভৌগোলিক অবস্থান রাঙামাটির বিলাইছড়িতে হলেও বান্দরবান দিয়ে যাওয়া সহজ 
  • হেমন্তে ঝিরি-ঝরনার পনি পুরোপুরিভাবে স্বচ্ছ টলটলে থাকে।                                     

ছবি ছৈয়াল :  দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ ও রাজ


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা