× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নিরীক্ষায় শাড়ি

আরফাতুন নাবিলা

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৩৪ পিএম

ছবি কৃতজ্ঞতা- আনদীম, ওয়্যারহাউজ, অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফ

ছবি কৃতজ্ঞতা- আনদীম, ওয়্যারহাউজ, অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফ

নারীর সৌন্দর্যবর্ধনে শাড়ির গুরুত্ব অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। ব্লক, বাটিক, কারচুপি, স্ক্রিনপ্রিন্ট, নকশি সেলাইসহ নানা ধরনের নিরীক্ষা এখন করা হচ্ছে শাড়িতে। এ ছাড়া বুনন ও নকশাতেও এসেছে ভিন্নতা। উদ্যোক্তারা নানাভাবে চেষ্টা করছেন দেশীয় ঐতিহ্যকে আধুনিকতার মিশেলে সবার সামনে উপস্থাপন করার। শাড়িতে বিভিন্ন নিরীক্ষা নিয়ে লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা

শাড়ির সঙ্গে নারীর সম্পর্ক বহু যুগ আগে থেকেই। ঘরে বাইরে শাড়িই ছিল নারীর প্রধান পোশাক। মসলিন, জামদানি, হাতে বোনা তাঁত শাড়ির জগতে রাজত্ব করেছে বহু বছর। ধীরে ধীরে এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে সিল্ক, জর্জেট, খেশ, হাফ সিল্ক, কোটা শাড়ি, কাতান, বেনারসি ইত্যাদি। কয়েক বছর ধরে শাড়ির জগতে নতুনভাবে পরিচিতি পেয়েছে ডেনিম শাড়ি। জিন্স প্যান্ট, জ্যাকেটের ধারা থেকে বের হয়ে ডেনিম দিয়ে এখন বানানো হচ্ছে শাড়িÑ যা শাড়িপ্রিয়দের কাছে অল্প সময়েই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

নিরীক্ষাময় শাড়ির কথা

বর্তমানে অনলাইন জগতে শাড়ির ব্যবসার প্রসার অনেক বেড়েছে আগের চেয়ে। সোর্সিংয়ের সহজলভ্যতা অবশ্য এর একটা কারণ। তবে এখানে টিকে আছে তারাই যারা কাজে ভিন্নতা এনেছেন, নতুন নতুন নকশা নিয়ে ভাবছেন, শাড়িতে নানা নিরীক্ষা করছেন।

মসলিন, জামদানি, হ্যান্ডলুম তাঁত, সিল্ক, ডেনিম শাড়িতে নানা ধরনের কাজ হচ্ছে এখন। ডেনিম শাড়ি নিয়ে বর্তমানে কাজ করছেন আফরিন আহমেদ। তার উদ্যোগের নাম অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফ। ডেনিম শাড়ি নিয়ে কেন ও কীভাবে কাজের শুরু সে সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডেনিম শাড়ি তৈরি করব যখন থেকে ভেবেছি, তখন থেকেই এর ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখলাম, এর গোড়াপত্তন ভারতে। ভারতে ডেনিম শাড়ির ধারণা প্রথম আসে দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই-ভিত্তিক শ্রী কুমারণ সিল্কস থেকে। তারা একটি বিশুদ্ধ সিল্কের শাড়ি তৈরি করেন যা দেখতে ছিল ডেনিমের মতো, কিন্তু পরতে আবার সিল্কের মতো নরম। এটি জিন্স-প্রেমীদের জন্য ডিজাইন করা হয়, যাতে ঐতিহ্যবাহী শাড়ির সঙ্গে আধুনিকতা মিশিয়ে নতুন প্রজন্মকে আকর্ষণ করা যায়। এই উদ্ভাবনটি শাড়ির ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে আছে, যদিও এর আগে পকেটযুক্ত শাড়ি এবং রিভার্সিবল শাড়িও শাড়ির ইতিহাসে বিশেষভাবে নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রকৃত ডেনিম কাপড় দিয়ে শাড়ি তৈরি করা হয় ২০১০ সালের দিকে। ২০১৭ সালে ডিজাইনার মাসাবা গুপ্তা সোনম কাপুরের জন্য একটি ডেনিম শাড়ি ডিজাইন করেন যা ধুতি-স্টাইলের ড্রেপিংয়ের সঙ্গে ডেনিমের ক্যাজুয়াল ভাইব মিশিয়ে ফ্যাশন ট্রেন্ড সৃষ্টি করে। এরপর থেকে ডেনিম শাড়ি বলিউড ও ফ্যাশন ইভেন্টে জায়গা করে নেয়।

বাংলাদেশে ডেনিম শাড়ি প্রথম আনেন ডিজাইনার শুভ্রা সাহা ২০১৫ সালে। তিনি তখন শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের ফ্যাশন বিভাগের কারিগরি উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আমরা ‘অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফ’ থেকে একটি নতুন ফিউশন স্টাইল হিসেবে ডেনিম শাড়ি নিয়ে আসি বাজারে, যা প্রবাসীদের মধ্যে তুমুল আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং দেশের ফ্যাশন-সচেতন মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহলের জন্ম দেয়। 

অন্যান্য শাড়ির চেয়ে ডেনিম শাড়ির বুনন বিন্যাস আলাদা। ডেনিম কাপড়ের অন্যতম গুণ হলো এটি টেকসই। সঠিক যত্নে একেকটা ডেনিম শাড়ি অনেক বছর টিকে থাকতে পারবে বলে বিশ্বাস করেন আফরিন। তারা ডেনিম শাড়ি এনেছেন ২০২৩ সালের নভেম্বরে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শাড়ির সাফল্য কতটুকু সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডেনিম যেমন নরম ও কমফর্টেবল হয়ে ওঠে, শাড়িও ঠিক তেমন হয়ে ওঠে, এই দুই বছরে তার অভিজ্ঞতা অন্তত তাই বলে। আফরিন বলেন, ‘আমি চেয়েছি এই শাড়িতে যেন ডেনিমের দৃঢ়তা আর পরতে আরাম— দুটোই একসঙ্গে থাকে। তাই কাপড় বাছাইয়ের সময় হালকা ও নরম ডেনিম নিয়েছি, যাতে শাড়ি পরলে ভারী না লাগে, আবার পরার পরও তার স্লিম ফ্লো বজায় থাকে। তবুও ডেনিম শাড়ি এখন পর্যন্ত আবহাওয়া বিচারে আমাদের দেশে শীতকালের শাড়ি। সামার ডেনিম নিয়ে কাজ চলছে। সফল হতে পারলে দ্রুত সেটাও সবার সামনে নিয়ে আসব।’ এবার শীতেও নতুন ডেনিম শাড়ি তাদের পেজে পাওয়া যাবে খুব শীঘ্রই। ডেনিম শাড়ি তৈরি হয় মূলত কটন ও ডেনিমের সমন্বয়ে নিখুঁতভাবে সেলাই করে। প্রথমে উচ্চমানের ডেনিম ফ্যাব্রিক বাছাই করা হয় নরম, হালকা ও সহজে ভাঁজ দেওয়া যায় এমন। তারপর শাড়ির জন্য উপযুক্ত দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অনুযায়ী কাটিং করা হয়। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী ব্লক প্রিন্ট, হাতে এমব্রয়ডারি বা অ্যাপ্লিকের ছোঁয়া দেওয়া হয়, যাতে শক্ত ফ্যাব্রিকেও কোমলতা ও শৌখিনতা আসে।

ডেনিম যেহেতু নিরীক্ষামূলক শাড়ি, বাংলাদেশে এখনও নতুনই বলতে গেলে, তাই কারিগররা তাদের স্কিলকে যুগোপযোগী করার সুযোগ পাচ্ছে আপাতত, যা তাদের মানসিক সন্তুষ্টি বাড়াচ্ছে নিঃসন্দেহে। আর প্রবাসীরা যেহেতু এই শাড়ির বেশ বড় ভক্ত, শীতকালে প্রবাসীরা দেশেও আসে অনেক বেশি পরিমাণে, তাই সামগ্রিকভাবে এই সিজনে এটি কারিগরদের জন্য আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করছে কিছুটা হলেও। ডেনিম ফ্যাব্রিক যেহেতু তৈরি হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিতে, আমরা সেই ফ্যাব্রিক কিনে এনে শাড়ি বানাচ্ছি, তাই ফ্যাব্রিক তৈরিতে পরিবেশের ভূমিকা এবং কর্মীদের কাজের পরিবেশ তারাই বলতে পারবে, যারা ফ্যাব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেসের সঙ্গে জড়িত।

শাড়িতে নিরীক্ষার কথা বললে রঙের কথা না বললেই নয়। নানা রঙের মিশেলে শাড়িতে যে নকশাগুলো ফুটে উঠছে সেটা নকশাকারের রুচিশীলতাকেই তুলে ধরে এটা অস্বীকারের উপায় নেই। রঙ নিয়ে নানা নিরীক্ষা করতে ভালোবাসেন ব্যবসায়িক উদ্যোগ ‘আনদীম’-এর কর্ণধার ঈমান আহমেদ।

আনদীমে পিওর কটন, পিওর সিল্ক, পিওর মসলিন শাড়িতেই টাই ডাই, স্ক্রিন প্রিন্ট, কারচুপির কাজ করা হয়। কিছু শাড়িতে সব কাজই করা হয়, কিছু শাড়ি একদমই সাধারণ থাকে নকশার দিক থেকে। ঈমান আহমেদ বলেন, ‘আমি সব সময় চেষ্টা করি রঙিন বিভিন্ন রঙ নিয়ে কাজ করতে। ভিন্ন ধরনের রঙ নিয়ে কাজ করতে আমার ভালো লাগে। মূলত আমি যেমন পরতে চাই, তেমনটাই আমি বানাই। গ্রাহকদের সাড়াও মিলছে প্রচুর। ২০১১ সালে শুরু করে এখন পর্যন্ত গ্রাহকদের আস্থা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।’ 

নকশার ভিন্নতা আনদীমের শাড়িতে স্পষ্ট। তাদের প্রতিটা শাড়ি দেখলেই বোঝা যায় গ্রাহক সন্তুষ্টি রয়েছে। আনদীমের শাড়িগুলোতে রঙের বাহার যে কাউকে এক দৃষ্টিতে মুগ্ধ করবে। এত মিনিমাল নকশাও যে নজর কাড়তে পারে, শাড়ি মানেই যে নকশার বাহুল্যতা নয়Ñ সে কথাই যেন বার বার প্রমাণ করে যাচ্ছে আনদীম। কীভাবে মিনিমাল নকশাকেও আকর্ষণীয় করে তোলা যায় সে সম্পর্কে জানতে চাইলে ঈমান বলেন, ‘যে আইডিয়া যখন আমাকে ইন্সপায়ার করে তখন সেটা নিয়েই কাজ করি। শাড়িতে বিভিন্ন রঙের কাজ থাকে, সেই সঙ্গে মিনিমাল ডিজাইন আমার পছন্দ, শাড়িতে সেটাই রাখি। আমাদের দেশের নিজস্ব যে নিরীক্ষামূলক কাজগুলো রয়েছে সেটাও কিন্তু আমরা আমাদের শাড়িতে তুলে নিয়ে এসেছি। যেমনÑ ব্লক, বাটিক, কারচুপি ইত্যাদি। অনলাইনে এখন অনেক ব্র্যান্ড রয়েছে। একেকটি ব্র্যান্ড একেক ধরনের কাজ করে। সেই সঙ্গে ট্রেন্ড কিন্তু দ্রুত বদলায়। নতুন ট্রেন্ড আসে, অনেক ডিজাইনার তৈরি হচ্ছে, অনেক স্টাইল আসছে, একেক ট্রেন্ডের সময় একেক রকম ডিজাইন চলে। তবে স্রোতের সঙ্গে সব সময় না মিলে আমি চেষ্টা করি আমার ব্যক্তিগত স্টাইল ধরে রাখতে।

শাড়ির ধরন যত বেশি হবে তত বেশি কাজ করার সুযোগ থাকবে। কারণ সব শাড়িতে চাইলেই সব কাজ করা যায় না। এদিক থেকে ওয়্যারহাউজ বেছে নিয়েছে মেয়েদের পছন্দসই কয়েকটি ফেব্রিক। যেমন- হ্যান্ডলুমের তাঁতের শাড়ি, সিল্ক ও মসলিন, জর্জেট। ওয়্যারহাউজের কর্ণধার তাসনিম ফেরদৌস বলেন, ‘এমন ধরনের ফেব্রিক আমরা বেছে নেই যেগুলো পরতে খুবই আরামদায়ক। কেউ সুতি শাড়িতে আরাম পায়, কারও জর্জেটে আরাম লাগে কারণ সেগুলো গায়ে লেগে থাকে। বিভিন্ন ধরনের ম্যাটারিয়ালস নিয়ে আমাদের কাজ হচ্ছে। কারণ একেক সময় একেক ধরনের মানুষের একেক ধরনের প্রেফারেন্স থাকে। আমরা চেষ্টা করি যে যেটা চাচ্ছে সেটাই তাকে প্রোভাইড করতে। দেশীয় হ্যান্ডলুম ও মসলিন অবশ্য এক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে প্রিয়।’

শাড়ির ফেব্রিক ও রঙের পাশাপাশি নকশা বাছাই করাটাও খুব জরুরি। কারণ দিনশেষে নকশাটাই নজর কাড়ে সবার আগে। তাই ওয়্যারহাউজে এই বিষয়টাকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শাড়ি নিয়ে তারা যতগুলো কাজ করেছেন সবই ছিল নজরকাড়া। নকশা বাছাইয়ের পেছনে কী ভাবনা থাকে সে সম্পর্কে তাসনিম বলেন, ‘যে শাড়িগুলোতে আমরা নকশা করি সেগুলোর পেছনে যেন একটা গল্প থাকেÑ সেটাই আমাদের সব সময় চেষ্টা থাকে। যেমন শাড়িতে আমরা ঢাকার পরিচিত বেশ কয়েকটি মনুমেন্ট নিয়ে কাজ করেছি। এসব মনুমেন্ট যেহেতু খুবই ইউনিক ও অরজিনাল, শাড়িতেও আমরা এগুলো গল্প ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি। মুঘল আর্কিটেকচারের আদলেও আমরা শাড়ি বানিয়েছি।’

শাড়িতে বর্তমানে নানা ধরনের নিরীক্ষা হচ্ছে। ছোট বড় সব উদ্যোগই চেষ্টা করছে নানাভাবে তাদের কাজ গ্রাহকের সামনে উপস্থাপন করতে। এই প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাসনিম বলেন, শাড়িতে এক্সপেরিমেন্টের অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু এখন দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেশি এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে শাড়িকে আমরা নষ্ট করে ফেলছি। যেমনÑ জামদানিতে এখন অনেক ধরনের কাজ হচ্ছে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে মাঝে মাঝে কিছু কাজ আমার একটু বেশি মনে হয়। এক্সপেরিমেন্ট হোক, তবে একই সঙ্গে বাঙালির রুটটাও থাকুক।

দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে অনেক ধরনের কাজ করার আছে। বিশেষ করে বুননটা। যেমনÑ জামদানি ও তাঁত। বুননে নানা ধরনের নকশা নিয়ে কাজ করা সম্ভব। আমি বর্তমানে যে প্রিন্টগুলো নিয়ে কাজ করছি সেগুলো কখনও হয়ত আমি বুননেও নিয়ে আসব। এতে নকশা বা বুননেও অনেক ইউনিক লাগে। কিছু কালারও এক্সপেরিমেন্ট করতে পারি। আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে এখনও আমাদের শাড়িগুলো বেশি ট্রেডিশনাল, আধুনিক মনে হয় না। সেক্ষেত্রে আমরা যদি নিরীক্ষাটা আরেকটু রুট লেভেলে করি তাহলে নতুন প্রজন্মের কাছে শাড়িগুলোকে আরও দারুণভাবে তুলে ধরতে পারব। শাড়ির প্রতি তাদেরও আগ্রহ বাড়বে। এগুলো আমরা চেষ্টা করতে পারি। মসলিন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এভাবে তাঁত, মণিপুরি হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাক। যারা শাড়িগুলো তৈরি করছে তাদের সঙ্গে কোলাবরেশন করতে হবে। কীভাবে এই কাজগুলো কীভাবে হয় এটা আমাদের আগে বুঝতে হবে। এতে নতুন অনেক কাজ আমরা করতে পারি।’

শাড়ি আমাদের দেশের মেয়েদের এক আবেগের নাম। নানি-দাদির শাড়ি পরা থেকে শুরু করে আলমারি থেকে মায়ের শাড়ি নামিয়ে পরাÑ সব বয়সেই শাড়ির আবেদন অন্যরকম। তাইতো শাড়ি নিয়ে কাজ করতে বললে মেয়েরা এখনও এক বাক্যেই রাজি হয়ে যায়। কোনো পোশাক কম থাকুক বা বেশি, আলমারিতে শাড়ি সব মেয়েরই থাকে। বর্তমানে শাড়ি নিয়ে যত নিরীক্ষা হচ্ছে এগুলো সব শাড়ির প্রতি ভালোবাসা থেকেই। শাড়ির প্রতি এই আবেদন বজায় থাকুক, নতুন নতুন শাড়ি বাজারে আসুক, বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের বুনন করা শাড়ি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠুক।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা