× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঘরের গল্প বলেন যে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা

রওনক জাহান পুষ্প

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:১০ পিএম

ঘরের গল্প বলেন যে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা

শুধু ঘর সাজানোই নয়, বিভিন্ন সাশ্রয়ী উপায়, কম খরচে রুচিশীল জিনিস কেনা ও তার ব্যবহার, নিজে নিজে কীভাবে সুন্দর জিনিস বানানো যায় তার উপায়, ছোট জায়গাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো, অথবা অতিরিক্ত বড় জায়গাকে ব্যালেন্স করে কাজে লাগানো, প্রায় সব ধরনের টিপসই আমরা পাই হোম কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাছ থেকে। জনপ্রিয় কয়েকজন হোম কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সম্পর্কে লিখেছেন রওনক জাহান পুষ্প 

শান্তির নীড় যে ঘর, সে ঘরে মাঝে মাঝে আমরা এমন জিনিস নিয়ে আসি যেগুলোর কারণে ঘরকে গোছানো লাগে না, বরং এলোমেলো লাগে। তখন মনটাই খারাপ হয়ে যায়। একে তো টাকা দিয়ে জিনিস কেনা, এর ওপর ঘরে মানানসই না হওয়া। এসব সমস্যার সমাধান আগে না পাওয়া গেলেও বর্তমানে সৃজনশীল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কারণে নানা ধরনের আইডিয়া পাওয়া যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমের কল্যাণে বিভিন্ন ধরনের ভ্লগিং এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তার মধ্যেই আমাদের ঘরসজ্জার সুন্দর সুন্দর আইডিয়া দিচ্ছেন হোম ভ্লগাররা। নিজেদের চারপাশের পরিবেশ সুন্দর রাখার সঙ্গে সঙ্গে অন্যদেরও সাহায্য করছেন সুন্দর ও রুচিশীলভাবে ঘর সাজিয়ে নিতে।
ফাহমিদা নিশি রিনিশ ডিআইওয়াই নেস্ট

হোম ডেকোরে মন ভালো থাকার রসদ
নানা কারণে হোম ডেকোর বা গৃহসজ্জা এখন শুধু বিলাসিতা নয়, হয়ে উঠেছে আমাদের জীবনেরই অংশ। নিজে পছন্দ করে ঘরের জন্য দুটো পর্দা কেনা, শখের মাটির পুতুলটা শোকেসে রাখা, বা ফুলদানিতে সুন্দর ফুল রেখে পছন্দের সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে এক কাপ চা খাওয়া, এমন স্বপ্ন তো আমরা প্রায় সবাই দেখি। তাই হোম ডেকোর এখন প্রয়োজনের খাতায়ই উঠেছে।
এ ছাড়া থাকার জায়গা সুন্দর হলে আমাদের মন এমনিই ভালো থাকে। স্ট্রেস কমে, মানসিক শান্তি বাড়ে। সুন্দর ঘরবাড়ি মানুষের কাছে সুন্দর মানসিকতা ও রুচির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। মানুষ বেড়াতে এসে ঘর পছন্দ করছে, রুচির প্রশংসা করছেÑ এতে এমনিই মন ভালো হয়ে যায়। তা ছাড়া হোম ডেকোরের মাধ্যমে ঘরের সবটুকু জায়গা সুন্দরভাবে ব্যবহার করা যায়। শুধু একটু বুদ্ধি খাটিয়েই জিনিসপত্রের স্তূপকে বানিয়ে ফেলা যায় গোছানো ও দৃষ্টিনন্দন। 

হোম কনটেন্ট ক্রিয়েটর

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে পিছিয়ে নেই কেউই। ভ্লগিং এর মাধ্যমে নিজেদের জায়গা তৈরি করে নিচ্ছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। এদের মধ্যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছেন হোম ভ্লগার বা হোম কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। হোম কনটেন্ট ক্রিয়েটর মূলত তারাই, যাদের ভিডিও ও কন্টেন্টের বিষয়বস্তু হয় ঘর সাজানো ও গুছানো। এর সঙ্গে তারা আরও বিভিন্ন বিষয়ে কনটেন্ট তৈরি ও টিপস দেন।
সত্যি কথা বলতে, প্রতিদিনকার এলোমেলো জীবনকে সাজিয়ে গুছিয়ে পরিবেশন করায় তাদের জুড়ি নেই। কীভাবে হাজার ঝামেলার মধ্যেও নিজের থাকার জায়গাটা একটু সুন্দর করা যায়, অল্প খরচেই কীভাবে সুন্দর জিনিস পাওয়া যায়, কীভাবে নিজেই বানিয়ে নেওয়া যায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ঘরের ফেলনা জিনিসপত্রও কীভাবে কাজে লাগে ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের জানান তারা।
মূলত কোভিড চলার সময় থেকেই ভ্লগাররা নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে শুরু করেন। লকডাউনের লম্বা সময়ে ঘরবন্দি থাকতে থাকতে অনেকেই নিজের শখের কাজকে সামাজিক মাধ্যমে নিয়ে আসেন। হোম ভ্লগাররাও এর ব্যতিক্রম নন। লকডাউনেই আমাদের অনেকটা সময় ঘরে থাকার কারণে ঘরকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার গুরুত্বও স্পষ্ট হয়েছে অনেকের কাছে। পরিবেশ সুন্দর থাকলে মনও ভালো থাকে, কথাটা মোটেই মিথ্যা নয়। এ ছাড়া তখন সহজে সবকিছু পাওয়া যেত না, যা থেকে নিজে নিজে সুন্দর কিছু বানানোর প্রতি মানুষ আগ্রহী হয়েছে। বাসায় পড়ে থাকা পুরনো জিনিস দিয়েই যে বানিয়ে নেওয়া যায় সুন্দর ঘর সাজানোর জিনিস, অথবা আশপাশে ঝোপেঝাড়ে থাকা গাছই যে হয়ে যেতে পারে সুন্দর ইনডোর প্ল্যান্ট, এগুলোও বেশিরভাগ তখনই পরিচিতি পেয়েছে।

ফারহানা বৃষ্টি - হার হ্যাপি প্লেস 

ফাহমিদা নিশি- ‘রিনিশ ডিআইওয়াই নেস্ট’

শোবার ঘরে ঢুকলেই পিন্টারেস্ট থিমের চাদর বিছানো, জানালায় ঝোলানো লেইসের বা ফ্লোরাল প্রিন্টের পর্দা, ঘরের এক কোণে নিজ হাতে বানানো কফি কর্নার যেখানে পুরনো কেবিনেটকে দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন রূপ, ঘরে বেতের সোফাটা দেখেই মনে হয় যেন সদ্য দোকান থেকে সাজিয়ে আনা হয়েছে, ঘরময় মিষ্টি আলোর ছড়াছড়ি, নানা ধরনের গাছ ও ফুলের ঝাড় দিয়ে সাজানো ঘরের নানা প্রান্ত, চায়ের কাপ, রান্নাঘরের সরঞ্জামÑ সবখানেই প্রশান্তির ছোঁয়া। বলছিলাম অনলাইনে জনপ্রিয় পেইজ ‘রিনিশ ডিআইওয়াই নেস্ট’-এর কথা। এই পেইজে ঢুকলে যেন প্রশান্তির বাতাস অন্তর ছুঁয়ে যায়। সবখানেই এত কোমলতা ছড়ানো। ঘরের প্রতিটি কোণা যে নিরবচ্ছিন্ন ভালোবাসা দিয়ে সাজানো তা দেখলেই বোঝা যায়। 
‘দ্য মার্ভেল অফ টুমরো’ থেকে হোম ডেকোর কনটেন্ট ক্যাটাগরিতে ‘বেস্ট হোম ডেকোর কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ফাহমিদা নিশি ও তার চ্যানেল ‘রিনিশ ডিআইওয়াই নেস্ট’। ২০২০ সাল থেকে হোম ডেকোর ও স্টাইলিং কনটেন্ট নিয়ে কাজ করছেন তিনি। নিশি জানান, মূলত তার জানা ছোটখাটো টিপস, লাইফ হ্যাকস আর অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে শেয়ার করার আগ্রহ থেকেই তিনি হোম ভ্লগিং কনটেন্ট বানানো শুরু করেন। বিদেশি চ্যানেল, অন্যদের ঘর গোছানো, পিন্টারেস্ট এসবই ছিল তার অনুপ্রেরণা। কাজের প্রয়োজনে শিখেছেন নানা কিছুই, এমনকি বড় বড় কাঠ কাটার যন্ত্র, ড্রিল মেশিন এসব কিনে এনে বানিয়েছেন নানা জিনিস। ইউটিউব দেখে, বিভিন্নভাবে এক্সপেরিমেন্ট করে, টুকটাক নিজস্ব ডিভাইস দিয়ে নিজেই শিখেছেন ফটোগ্রাফি আর ভিডিওগ্রাফি, যার ফলে আগের চেয়ে দিন দিন কাজের মান আরও ভালো হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। এ ছাড়া নিত্যনতুন টেকনিক আর টিপস কাজে লাগাতে এবং অন্যদের জানাতেও আগ্রহী তিনি। ফলোয়ারদের সাড়াও বেশ ভালো পাচ্ছেন বলেই জানালেন। বিভিন্ন রকম অনুরোধ, জিজ্ঞাসা ও সাহায্যের প্রয়োজনে ফলোয়াররা তাকে প্রশ্ন করে, এতে বেশ খুশিই হন তিনি। 

আমিনা আক্তার- মাইয়ামা

‘মাইয়ামা’ পেইজে ঘুরে আসলে মনে হবে সদ্য হয়তো বাইরের দেশের কোনো পেইজ থেকে ঘুরে এলেন, যেখানে প্রতিটি ছবিই বেশ নান্দনিক। এই পেইজের বিশেষত্ব আলাদাভাবে নজর কাড়ে ফেব্রিকের জন্য। নিজের ও বাচ্চাদের জন্য বানানো পোশাক, বিছানার চাদর, বালিশ কভার, কুশন কভার সবকিছুই ফেব্রিকের জন্য আলাদাভাবে নজর কাড়ে। বেশ প্রশংসা পাচ্ছিলেন তিনি এই কাজের জন্য। এই ভালো লাগাকেই সঙ্গীর পরামর্শে বানিয়ে ফেললেন পেশা। বলাবাহুল্য, সাড়াও মিলেছে দারুণভাবে। আমিনা সব সময় নান্দনিক ছবি তোলার জন্য সবার ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন।
২০২২ সালে নিজের শারীরিক অসুস্থতা ও বিষণ্নতা কাটাতে হোম ডেকোর ও ভ্লগিং পেইজ ‘মাইয়ামা’ চালু করেন আমিনা। মূলত বাইরের দেশের হোম ভ্লগিং দেখে ও নিজের সময় কাটাতে ভ্লগিং শুরু করেছিলেন। কীভাবে এই কাজগুলো শিখলেন সেটা জিজ্ঞেস করাতে আমিনা বললেন, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েশনের প্রয়োজনে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি, বিভিন্ন টিপস ও ট্রিকস নিজেই শিখেছি। আমি নিজে কষ্ট করে শিখলেও ফলোয়ারদের সঙ্গে শেয়ার করতে কোনো আপত্তি নেই। বরং সবাই প্রশ্ন করলে খোঁজ-খবর নিলে আরও ভালো লাগে। ভ্লগিংয়ের মধ্যেই তার নিজের স্টাইল করা পোশাক দেখে ফলোয়াররা আগ্রহী হন। তাদের অনুরোধেই পোশাকের ব্যবসা শুরু করি, বেশ ভালো সাড়াও পাচ্ছি। সংসার, ভ্লগিং, ব্যবসা সব মিলিয়ে একটু চাপ পড়ে গেলেও কাজ করতে খারাপ লাগে না। বরং ভ্লগিংটা মানসিক শান্তি দেয়।’

ফারহানা বৃষ্টি- ‘হার হ্যাপি প্লেস’

ছবি দেখে কখনও মায়ায় পড়েছেন? কারও তোলা ছবি দেখলে কখনও মনে হয়েছে, এই মানুষটা আবার কখন ছবি তুলবে? কী ছবি তুলবে? এখনও দিচ্ছে না কেন? এক কথায় কারও তোলা ছবি দেখার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করেছেন? তাহলে ঘুরে আসতে পারেন ‘হার হ্যাপি প্লেস’ থেকে। এই পেইজের ক্রিয়েটর ফারহানা বৃষ্টির তোলা ছবি দেখলে যে কেউ ভাবতে বাধ্য হবেন, নির্ঘাত তার হাতে জাদু আছে! নইলে এত সুন্দর ছবি তোলা কীভাবে সম্ভব! তার প্রতিটি ছবিতে রুচিশীলতা ও ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন পাওয়া যায়। তার কনটেন্ট দেখে ঘরের প্রতিও যেন মায়া জন্মে যায়।
২০২০ সালে কোভিড-১৯ এর লকডাউন চলাকালীন হোম ডেকোর ও ভ্লগিংয়ে আগ্রহী হন ফারহানা বৃষ্টি। তার পেজ ‘হার হ্যাপি প্লেস’-এর যাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০২১ থেকে। কীভাবে এত সুন্দর কাজ করছেন এবং তার কাজ দেখে অন্যরা কীভাবে উৎসাহ পাচ্ছেÑ সে সম্পর্কে জানতে চাইলে ফারহানা বলেন, ‘ঘরকে নিজের রুচি ও ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন বলেই মনে হয় আমার। একদম নিজের মনের মতো করে সাজাই ঘরের প্রতিটা কোণা। ম্যাক্সিমালিজম নয়, বরং হালকা আলোতে অল্প আয়োজনেই ঘরকে রুচিশীল করে সাজানো যায়। সেই সঙ্গে যে ভাষাটা আমি অন্যকে বলতে চাই, ছবিতে আমি সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করি। আমার ছবিগুলো খুব সাধারণ। গাছ, ফুল, প্রকৃতি, ঘর, বারান্দা এসব নিয়েই। তবে দেখার ধরনটা অন্যদের চেয়ে কিছুটা আলাদা বলে সবার চোখে ভালো লাগে।’
ছবি তোলার জন্য প্রাথমিক যে ধারণা সেটা কীভাবে শিখেছেন জানতে চাইলে ফারহানা বলেন, ‘ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি শুরু থেকেই নিজের চেষ্টাতেই শিখেছি। সত্যি বলতে এখনও শিখছি। বেশিরভাগ সময়ে কাজগুলো নিজেই করি, তবে বড় কিছু প্রজেক্টে পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নেই। বাকিদের মতোই ফলোয়ারদের ভালোবাসা পেয়ে এসেছেন, তার দেওয়া টিপস কেউ কাজে লাগালে বেশ ভালো লাগে।’

হোম ভ্লগিং করতে চাইলে
হোম ভ্লগিং বর্তমানে খুব সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র। মানুষ সুন্দরের পূজারি আর নিজের ঘরকে কীভাবে আরও সুন্দর রাখা যায়, অল্প পরিশ্রম ও খরচেই সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা যায়Ñ এ সম্পর্কে সবাই জানতে চায়। তবে নতুন যারা হোম ভ্লগিংয়ে আগ্রহী, তাদের জন্য অভিজ্ঞ ভ্লগারদের রয়েছে কিছু ছোট পরামর্শ।
অনুপ্রাণিত হওয়া ভালো, তবে স্রোতে গা ভাসানো ভালো নয়। যেকোনো কাজেই নিজস্ব স্টাইল খুঁজে নিতে হয়, সেটা হোম কনটেন্ট ক্রিয়েশনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সবাইকে নকল করলে, কাজের নিজস্বতা খুঁজে না পেলে বা আগ্রহ না থাকলে খুব বেশিদিন এখানে থাকা যাবে না। কিছু পুঁজি লাগবেই। একদম শূন্য হাতে চাইলে কাজ শুরু করা যায়, কিন্তু তাতে লাভের সম্ভাবনা কম। প্রথমে একদম খালি হাতে শুরু করলেও পরে কিছুটা পুঁজি খাটাতেই হবে, সব কাজের মতো এই কাজেও।
যেকোনো কাজে সফলতার মূল শর্ত হলো টিকে থাকা। বিভিন্ন রকমের বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে টিকে থাকতে হবে। হুজুগে গা ভাসানো এবং কিছুদিন পর ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা থাকলে এখানে না এগোনোই ভালো। শুরুতে নিজের ছোটখাটো বিষয়গুলো নিয়ে শুরু করতে পারেন। আগেই অনেক টাকা খরচ করে কোর্স করে ফেলা বা দামি গিয়ার কিনে ফেলা চালাতে না শিখেই, এগুলো লং টার্মে ভালো ফলাফল আনে না। একদম শূন্য থেকে করা যেমন ভালো নয়, শুরুতেই প্রচুর খরচ করে ফেলাও ভালো নয়।

ছবি কৃতজ্ঞতা : মাইয়ামা, হার হ্যাপি প্লেস, রিনিশ ডিআইওয়াই নেস্ট
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা