মেরিলিন আহমেদ
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৫ ১২:৫৮ পিএম
আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৫ ১৩:২১ পিএম
২১ জুলাই, ২০২৫। একটি স্বাভাবিক সকালের রোদেলা আকাশ হঠাৎ করেই পরিণত হয় ভয়ের এক নির্মম অধ্যায়ে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি দোতলা ভবনের ওপর এসে বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রাণ হারান ৩৪ জন স্কুলশিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক। আহত হয়েছেন প্রায় ২০০ জন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা গোটা জাতিকে করেছে স্তম্ভিত। কিন্তু এই হৃদয়বিদারক ঘটনার শারীরিক ক্ষয়ক্ষতির বাইরেও রয়েছে আরেকটি গভীর ক্ষতÑ মানসিক আঘাত বা ট্রমা। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা আজও আতঙ্কে, হতবিহ্বলতায় ভুগছেন। শিক্ষার্থীদের অনেকেই দুঃস্বপ্ন দেখছে, কাছের বন্ধুদের স্বপ্নে দেখছে, বন্ধুকে বাঁচাতে না পারার অনুশোচনায় ভুগছে, হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়ছেÑ যার সবই ট্রমার বহিঃপ্রকাশ।
দুর্ঘটনার পরপরই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বিমানবাহিনীর অস্থায়ী চিকিৎসা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। ২৮ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ক্যাম্পে অবস্থানরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যারা এসেছিলেন, তাদের বেশিরভাগই হয়তো আগুনে সামান্য দগ্ধ হয়েছেন অথবা স্বেচ্ছায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় আহত হয়েছেন। তবে কারো মধ্যে বড় ধরনের মানসিক সমস্যা পাওয়া গেলে, তাদের সিএমএইচে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহতদের প্রাথমিক থেকে নিবিড় চিকিৎসা চলছে রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতালে যেমনÑ জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (CMH), শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।
শিশুদের পড়ে থাকা ব্যাগ
যদিও আমরা দেখেছি, কীভাবে পুরো শহর রক্তদান, স্কিন গ্রাফটিং এর জন্য স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছে, দেখেছি শিশু, শিক্ষক, অভিভাবকদের নিজেদের সন্তানের মায়া ত্যাগ করে উদ্ধারকার্যে অংশ নিতে, বিমানবাহিনীর দ্রুত এগিয়ে আসা এবং অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা, সরকারিভাবে বিদেশি চিৎসক আনা হয়েছে। তবুও এই ধরনের একটি ঘটনা মানুষের মনে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ও দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার ব্যাপারে প্রশ্নের সম্মুখীন করে। একইসঙ্গে, গণমানুষের মধ্যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশা দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে। এই বিষয়ে তাই গভীর পর্যালোচনা ও ভবিষৎ পদক্ষেপ প্রয়োজন।
শিশুদের ওপর মানসিক প্রভাব
আমরা শিশুদের গায়ে যেখানে একটুও আঁচ লাগতে দেই না, সেখানে এই দুর্ঘটনার শিকার শিশুদের বেশিরভাগেরই বয়স ১০-১৩। শিশুদের মানসিক গঠন প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে ভিন্ন এবং অনেক বেশি সংবেদনশীল। এ ধরনের হঠাৎ ও ভয়াবহ কোনো দুর্ঘটনা শিশুদের মনে গভীর আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিতে পারে; যা পরবর্তীতে আত্মবিশ্বাসের সংকট তৈরি করতে পারে। প্রত্যক্ষদর্শী শিশুরা যারা তাদের প্রিয় শিক্ষক বা সহপাঠীকে হারিয়েছে, তাদের মধ্যে পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (PTSD) দেখা দিতে পারে। তারা স্কুলে যেতে ভয় পেতে পারে, বিমানের শব্দ শুনলেই আঁতকে উঠতে পারে, রাতে ঘুমাতে সমস্যা হতে পারে বা আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। আর PTSD-এর বিষয়টা অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়ে না। এর কিছু ধাপ থাকে, এগুলোর সম্পর্কে দুর্ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা উচিত। উল্লেখিত ঘটনা ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিক্রিয়াও শিশু মননের ওপর ভীষণ চাপ ফেলেছে। কথিত কিছু সাংবাদিক ও ইউটিউবারদের দ্বারা অবিবেচকের মতো আহত ও প্রত্যক্ষদর্শী বাচ্চাদের ইন্টারভিউ, ফেইসবুক, ইউটিউবে দগ্ধ বাচ্চাদের সাহায্যের জন্য দৌড়ে যাওয়ার ভাইরাল ভিডিওÑ এসবই মানসিক ট্রামার ব্যাপ্তিটা বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা ঠিক জানিও না, কে কীভাবে এই দুর্ঘটনার কারণে মানসিক আঘাত পেয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের রেজিস্ট্রার চিকিৎসক ড. রাইসুল ইসলাম পরাগ বলছিলেন, ‘মাইলস্টোন স্কুলের নিজস্ব শিক্ষার্থী ছাড়াও, আশপাশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ধারকাজে ছুটে আসা বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবার প্রয়োজন। সেই সময় আহত অনেক শিশুদের জন্য পানি চেয়েও তারা পানি পায়নি বা দিতে পারেনি, অথবা পানি না দিয়ে ভিডিও করছে, সেই কষ্টটা এবং ক্ষোভই এখন অনেকের মধ্যে ট্রমার জন্ম দিয়েছে।’
অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ
বিমানবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প
এই একটি দুর্ঘটনা পুরো জাতিকে যেভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে, অভিভাবকরা এই ঘটনায় যেমন সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত, তেমনি নিজেদের মানসিক ভারসাম্য নিয়েও বিপর্যস্ত। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবকরা বুঝতে পারছেন না কীভাবে সন্তানের ভয়, দুঃখ বা উদ্বেগ মোকাবিলা করবেন। সঠিক দিকনির্দেশনা বা সচেতনতার অভাবে, অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের সঠিক মানসিক সহায়তা দিতে ব্যর্থ হতে পারেন, ফলে ট্রমা আরও দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। আর যেসব পিতামাতা, তাদের আদরের একটি বা দুটি সন্তান হারিয়েছেন, তাদের এই দুঃসহ মানসিক ভার বইবার সাপোর্টের জন্যও দীর্ঘায়িত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন। আতঙ্ক এমন এক বিষয়Ñ যা এক জায়গায় চাপা থাকে না। এক মাইলস্টোনের ঘটনায় ও সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে, এই ঘটনা আরও অনেক অভিভাবককেই ব্যথাতুর ও মানসিক চাপে ফেলে দিয়েছে। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সেবা প্রদানকালে আরও যে বিষয়টি ড. রাইসুল ইসলাম পরাগ খেয়াল করেছেন তা হলোÑ ‘বাচ্চাদের অনেকেই একিউট স্ট্রেস ডিজঅর্ডার, অ্যাকিউট রিঅ্যাকশন ডিজঅর্ডারে ভুগছে। বেশিরভাগেরই ফ্ল্যাশব্যাক হচ্ছে, শব্দ হলে চমকে উঠছে, প্রিয় খেলনা প্লেন হওয়া সত্ত্বেও প্লেনের আওয়াজে আতঙ্কিত হচ্ছে। এই বিষয়গুলো তাদের বাবা-মাকে বোঝানো একটা চ্যালেঞ্জ। তবে আইসিউতে থাকা একটি শিশুর মৃত্যু সংবাদ তার অভিভাবকদের কাছে প্রকাশ করাটা আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ বলে মনে হয়েছে আমার ক্যারিয়ারে।’
শিক্ষকদের ভূমিকা ও মানসিক প্রস্তুতি
এই দুর্ঘটনায় স্কুলের দুজন শিক্ষিকা ও প্রশাসনের সদস্যও নিহত হয়েছেন। যারা বেঁচে আছেন, তাদের মধ্যে রয়েছে অপরাধবোধ, শোক ও দায়িত্বের ভার। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষকরা সাধারণত একাডেমিক শিক্ষাদানে দক্ষ হলেও, ট্রমা-সংবেদশীল আচরণ বা মানসিক সহায়তার বিষয়ে প্রশিক্ষিত নন। ফলে দুর্ঘটনার পরে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার মতো প্রস্তুতি বা দিকনির্দেশনা তাদের অনেক সময় থাকে না।
জাতিগতভাবে আমরা কতটা প্রস্তুত
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আমরা আবারও দেখতে পেলাম, বাংলাদেশে এখনও ট্রমা-ইনফর্মড কেয়ার বা মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার একটি শক্তিশালী ও সুগঠিত ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বড় ধরনের যেকোনো দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, কাউন্সেলর বা সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড টিম খুব সীমিত পরিসরে কাজ করে।
আমাদের দেশে এর আগেও রানা প্লাজা ধস, তাজরীন, বেইলি রোডের আগুনের মতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার জায়গা ঢাকা হওয়াতে সেবা নিশ্চিত করা যতটা সহজ হয়েছে, এইরূপ বড় কোনো দুর্ঘটনা ঢাকার বাইরে অন্য কোথাও হলে সেখানে অবশ্যই আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতাল বা স্কুলে সাইকোসোশ্যাল সাপোর্ট ইউনিট নেই। ট্রমা বিষয়ে প্রশিক্ষিত মনোবিজ্ঞানীর সংখ্যা হাতে গোনা। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা মূলত ক্লিনিক্যাল মানসিক অসুস্থতা নিয়েই কাজ করেন, কিন্তু ট্রমা-পরবর্তী পরিস্থিতি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশল দাবি করে।
ট্রমা-ইনফর্মড কেয়ার : সময়ের দাবি
ট্রমা-ইনফর্মড কেয়ার মানে শুধু কাউন্সেলিং নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ মানসিক সহায়তা ব্যবস্থা। এর মধ্যে রয়েছেÑ
দুর্ঘটনার পরপরই মানসিক প্রাথমিক সহায়তা (Psychological first aid) প্রদান
স্কুলভিত্তিক ট্রমা সাপোর্ট টিম
শিক্ষক, অভিভাবক ও কমিউনিটির জন্য সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
শিশুদের জন্য গেইম, আর্ট ও মিউজিক থেরাপি
দীর্ঘমেয়াদে মনিটরিং ও ফলোআপ
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ অত্যন্ত কম। জাতিগতভাবে আমরা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝলেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে অনেক পিছিয়ে।
ড. পরাগের সঙ্গে কথায় আরও যা উঠে এসেছে তা হচ্ছেÑ ‘খুব গোছানো ক্রাইসিস রেসপন্স সিস্টেম এখনও আমাদের নেই। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্ট থেকে অনেক সাইকোলজিস্ট এগিয়ে এসেছেন। স্কুলে মক ড্রিলের ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাংকের নামসহ উন্মুক্ত কেন্দ্রীয় ডাটাবেস প্রয়োজন।’
সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন
আজও আমাদের সমাজে মানসিক আঘাত বা ট্রমাকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ‘ভয় পেয়েছে’, ‘ভুলে যা’, ‘সময় লাগবে ঠিক হয়ে যাবে’Ñ এই ধরনের কথাগুলো দিয়েই আমরা একজন ট্রমাগ্রস্ত মানুষকে শান্ত করতে চাই। কিন্তু এগুলো যথেষ্ট নয়। আমাদের প্রয়োজন সাহানুভূতিশীল ও বিজ্ঞান ভিত্তিক সহায়তা; যা একজন মানুষকে তার অভিজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ দিবে এবং প্রয়োজনীয় থেরাপিউটিক সহায়তা দেবে। এই পরিস্থিতিতে ‘শোনো’সহ আরও নানা মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের, বিনা পারিশ্রমিকে এগিয়ে আসা ছিল চোখে পড়ার মতো।
তাই এখনই সময়Ñ প্রত্যেক স্কুলে ট্রমা সাপোর্ট সেল গঠন করা, শিক্ষকদের ট্রমা-সংবেদশীল প্রশিক্ষণ দেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্য পলিসি জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর করা, পাবলিক হেলথ সেক্টরে ট্রমা কেয়ার নিশ্চিত করা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওদের অংশগ্রহণে কমিউনিটি লেভেলে সাপোর্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করা
এ প্রসঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য প্র্যাক্টিশনার ও মকসুদ মালেক বলেন, ‘কেন্দ্রীয়ভাবে যেসব প্রতিষ্ঠান এই কাজে এগিয়ে এসেছে, তাদের স্বীকৃতি দেওয়া ও পরবর্তীতে জাতীয় ক্রাইসিসে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে। যেসব কলেজ ও হাসপাতালে মানসিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিভাগ আছে, তাদের উচিত এরকম কোনো দুর্ঘটনা পরিস্থিতিতে তাদের শিক্ষার্থীদের এইসব ক্রাইসিস জোনে তিন থেকে ৪ মাসের জন্য ইন্টার্নশিপ অথবা ফিল্ড লেভেল কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করা।’
এই দুর্ঘটনা আমাদের দুঃখ দিয়েছে, কিন্তু এটি একটি সুযোগও তৈরি করেছেÑ আমরা যেন মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। শিশুদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে হলে শুধু বিদ্যালয়ের দেয়াল নয়, তাদের মানসিক নিরাপত্তার দেয়ালও শক্ত করতে হবে।
একজন শিশু যেন আর কখনও ভয় পেয়ে না বলে, ‘আমি স্কুলে যেতে চাই না।’
লেখক : ফাউন্ডার ও সিইও, শোনো