× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কাগজের কলম থেকে উদ্ভিদের চারা

আরফাতুন নাবিলা

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৫ ১৩:৫১ পিএম

কাগজের কলম থেকে উদ্ভিদের চারা

আপনি যে কলম দিয়ে লিখছেন- সেটি কাগজের তৈরি, আবার কাজ শেষে কলমটি মাটিতে ফেলে দিলে গজাবে গাছের চারা। অবাক লাগছে শুনতে? ইতোমধ্যে এমন কলম তৈরি করে দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছে গ্রিন প্রোডাকশন তৈরি কাগজের কলম ‘গ্রিন পেন’। দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও এখন বিপুল সাড়া পাচ্ছে ‘গ্রিন পেন’ নামের এই কলম। 

বিশ্ব যতই আধুনিক হয়ে উঠুক না কেন, কলমের ব্যবহার রয়ে গিয়েছে আগের মতোই। শুধু বাংলাদেশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী গড়ে প্রতি ৪ দিনে একটি করে কলম কেনেন। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ কোটি ৯৬ হাজার ৭৪৫ জন। এই হিসাবে বাংলাদেশে শুধু শিক্ষার্থীরাই গড়ে প্রতি বছর ৩৬৫ কোটি ৮৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৮১টি কলম কেনেন। এর বাইরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ইত্যাদিতেও কলমের ব্যবহার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ থেকে ধারণা করা যায় সারা বিশ্বে কি পরিমাণ কলমের উৎপাদন এবং ব্যবহার চলছে। বর্তমানে এর সিংহভাগ কলমই তৈরি হচ্ছে প্লাস্টিক দিয়ে। যে কলমগুলো পুনঃব্যবহারযোগ্যও নয়। এই বিপুলসংখ্যক প্লাস্টিক প্রতিনিয়ত মাটি, পানি এমনকি এর ক্ষুদ্র কণিকা বায়ুতেও মিশে দূষণ তৈরি করছে সর্বস্তরে।

সঞ্জয় চৌধুরী 

গত এক দশক ধরে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ক্ষতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে চলেছেন গ্রিন প্রোডাকশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সঞ্জয় চৌধুরী। কীভাবে এই কলম তৈরির পরিকল্পনা শুরু হলোÑ সে সম্পর্কে জানতে চাইলে সঞ্জয় বলেন, ‘২০১৫ সালে আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ালেখা করি। চিন্তা করলাম প্রতিনিয়ত শিল্পন্নত দেশগুলো যে হারে গ্রিন হাউজ গ্যাস উৎপন্ন করে চলেছে তাতে বৈষ্ণিক উষ্ণায়নের ফলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোই বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বৈষ্ণিক উষ্ণায়নের ক্ষতি মোকাবিলা করতে হবে নিজেদেরই। সেই দায়বদ্ধতা থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ শুরু করি। প্রতিষ্ঠা করি ‘গ্রিন ইকো’ নামের পরিবরশবাদী সংগঠন। সারা দেশ থেকে যুক্ত হতে থাকেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। পরিবেশ সুরক্ষার কাজে আরও বেগ আসে। সবুজায়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নদী সুরক্ষা, শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্যাম্পেইন, প্লাস্টিক দূষণবিরোধী কার্যক্রম শুরু করি গ্রিন ইকোকে সঙ্গে নিয়ে। কাজের একপর্যায়ে খেয়াল করি প্লাস্টিক দূষণ এক ভয়াবহ মাত্রায় উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে। মানুষের মস্তিষ্কে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে মরণব্যাধী সৃষ্টিকারী প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণিকা। জানতে পারি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানে রয়েছে ক্ষতিকর একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক। অনুভব করি প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজন পরিবেশবান্ধব বিকল্প। সেই প্রয়োজনীয়তা থেকেই ২০২৩ সালের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠা করি পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গ্রিন প্রোডাকশন। কাগজের কলম সারা বিশ্বে সম্প্রতি সময়ে খুবই প্রচলিত একটি ধারণা। সেই প্রচলিত ধারণাকে কাজে লাগিয়ে আমরা উৎপাদন করতে শুরু করি কাগজের কলম। যার নাম দেইÑ গ্রিন পেন।’

গ্রিন পেনের বৈশিষ্ট্য

গ্রিন পেনের সঙ্গে বাজারের প্রচলিত প্লাস্টিক কলমগুলোর তুলনা করলে গ্রিন পেনে অন্তত ৯৫ শতাংশ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো হয়েছে। কলম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কাগজ। কাগজের পুনঃব্যবহারের মাধ্যমে এই কলম তৈরি করা হয়। কলম তৈরির সময়ই প্রতিটি কলমের পেছনের অংশে বিভিন্ন উদ্ভিদের বীজ সংযুক্ত করা হয়। যার ফলে কলম ব্যবহার শেষে কলমের পেছনের অংশ থেকে বীজ সংগ্রহ করে রোপণ করলে গজাতে পারে গাছের চারা। এমনকি কলমটি উল্টো দিক করে মাটি বা টবে রোপণ করে পানি দিলেই কলম থেকে গজাবে গাছের চারা।

কাগজ বায়োডিগ্রেডেল হওয়ায় কলমের ব্যবহার শেষে এটি মাটিতে গেলেও মাত্র ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে মাটির সঙ্গে মিশে যেতে পারে; যা মাটি তথা পরিবেশের ক্ষতিও করে না। অন্যদিকে প্লাস্টিকের কলম মাটিতে গেলে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ বছর লাগে মাটির সঙ্গে মিশে যেতে। তবু মাটির সঙ্গে প্লাস্টিকের ক্ষুদ্রকণিকা আকারে মিশে পুনরায় বিভিন্ন উপায়ে পরিবেশ ও মানবদেহসহ বিভিন্ন জীবদেহে ফিরে এসে অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করে। গ্রিন পেন ওজনে হালকা হওয়ায় কলম ব্যবহারকারীদের লিখতে সুবিধা হয়। কাগজের হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ লিখলেও হাতে চাপ পড়ে না।

সোনম ওয়াংচুক

সবুজ অর্থনীতি তথা পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি

বিনির্মাণ বর্তমান সময়ে জরুরি বিষয়গুলোর মধ্যে একটি। শিল্প বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে শিল্প বিপ্লব-পরবর্তী সময়ের গড় তাপমাত্রা ১.১° সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায় পরিবেশবান্ধব শিল্পব্যবস্থা তথা সবুজ অর্থনীতির বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যেই কাজ শুরু করেছে গ্রিন প্রোডাকশন। তারা বিশ্বাস করে চাহিদা মোতাবেক সুষম মাত্রায় পণ্য উৎপাদন পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতেও সম্ভব; যা প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাবে এবং পরিবেশ ও প্রকৃতিকেও সুরক্ষিত রাখবে।

কাগজের কলম তৈরিতে ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যবহার হয় না। সেই সঙ্গে বিশেষ কৌশলে ইঞ্জিনচালিত বা বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহার ছাড়াই হাতেই বিশেষ কৌশলে এই কলম তৈরি করা হয় শিষ, কাগজ, আঠা, গাছের বীজ ইত্যাদি দিয়ে। ফলে বলাই যায়, এই শিল্পের পেছনে কোনোরকম জীবাশ্ব জ্বালানি পোড়ানোর প্রয়োজন হয় না। সেই সঙ্গে কলম তৈরি, বিপনন ইত্যাদির পেছনে জনবল নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিও সম্ভব হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশ থেকে কলম দেশের বাইরে গেলে রপ্তানি আয়েরও সুযোগ রয়েছে। ফলে সবুজ অর্থনীতি তথা পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি বিনির্মাণে গ্রিন প্রোডাকশনের গ্রিন পেন বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছে বাংলাদেশে।

কুড়িগ্রামের প্রান্তিক নারী জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান সৃষ্টি

কুড়িগ্রাম জেলা মূলত খরা, নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ হওয়ায় তুলনামূলক এখানে দরিদ্র জনগোষ্ঠী বেশি। এই দরিদ্র কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার পিছিয়ে পড়া নারী জনগোষ্ঠিকে কলম উৎপাদনের কাজে বেছে নিয়েছেন সঞ্জয়। যাদের অর্থনৈতিক সংকট রয়েছে আবার ঘরের বাইরে ভারী কাজ (যেমনÑ মাটি কাটা, ধান মারাই) করতে পারেন নাÑ তারা সেসব নারীদের যুক্ত করেছে কলম উৎপাদনের কাজে। 

শুরুর দিকে দুজনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কলম উৎপাদনের কাজে যুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন কাজে নারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। এখন ২০ জন নারী প্রতিনিয়ত কলম তৈরির কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। প্রতিজন গ্রিন পেন তৈরি করে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করে উপার্জন করে থাকেন।

লাভলী বেগম (২১) নাগেশ্বরী উপজেলার ভবানন্দের কুটি গ্রামের বাসিন্দা। জীবিকার তাগিদে ঢাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। এক ঈদে বাড়ি এসে গ্রিন পেন তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রিন প্রোডাকশনেই কলম তৈরির কাজে যুক্ত হন। লাভলী বলেন, ‘ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করে যে বেতন পাইতাম তা বাসা ভাড়া ও খাওয়ার খরচেই শেষ হয়ে যাইতো, এখন নিজ গ্রামে নিজ বাড়িতে থেকে, বাড়ির সব কাজ করেও কলম তৈরির মাধ্যমে যে টাকা পাই, তাতেই আমার সংসার ভালো চলে।’

গ্রিন পেনের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা

বাংলাদেশ ২০০২ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আইন করে পলিথিন নিষিদ্ধ করে। বাস্তবে কি পলিথিন ব্যবহার বন্ধ হয়েছে? গত মাসগুলোতেও সরকার পলিথিন নিষিদ্ধের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবু বাজার সয়লাব পলিথিন ব্যাগে। তাহলে আইন করেও পলিথিন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ হলোÑ পরিবেশবান্ধব বিকল্পের অভাব, সহজলভ্য না হওয়া ও সচেতনতার ঘটতি।

প্রতিষ্ঠানটি সচেতনতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রিন পেনকে মাধ্যম হিসেবে নিয়েছে। যে কলমটি একটি পরিবেশবান্ধব বার্তা বহন করবে শিক্ষার্থীদের নিকট; যা একটি অভ্যাস গঠন করবে প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে। আবার কলমে রয়েছে উদ্ভিদের বীজ। লেখা শেষে কলমটি রোপণ করে বিভিন্ন রকম ফুল, ফল ও সবজির চারা উৎপাদন করতে পারেন শিক্ষার্থী এবং ব্যবহারকারীরা। প্রতিনিয়ত গাছের বীজ বহনকারী বায়োডিগ্রেডেবল এই কাগজের কলম ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি টেকসই ও ইতিবাচক পরিবেশ সুরক্ষার মনোভাব গড়ে উঠবে।

বিশ্ব দরবারে গ্রিন পেন

২০২৩ সালে গ্রিন পেন আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসার পর সারা দেশের মানুষের কাছে উদ্যোগটি প্রশংসিত হয়। গ্রিন প্রোডাকশনের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষ অর্ডার করতে পারেন এই কলম। সাধারণ ব্যবহারকারীরা ছাড়াও বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি সংগঠন, এনজিও, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে গ্রিন পেন ব্যবহার করছেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ ব্র্যাকের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠান গ্রিন পেন নিয়মিত অর্ডার করছে। দেশে প্রশংসিত হওয়ার পর দেশের বাইরে যেমনÑ যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ বেশ কিছু দেশে চলে যায় কাগজের তৈরি এই গ্রিন পেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে অ্যান্টি-প্লাস্টিক ক্যাম্পেইনে গ্লোবাল সিটিজেন্স ফর হিউমিনিটি এবং রি-নিউ নাও নামের দুটি সংস্থার সদস্যরা নিয়মিত কলমগুলো ব্যবহার করেন।

প্রসঙ্গত বলতে হয়, বহুল পরিচিত বলিউডের ‘থ্রি-এডিয়টস’ সিনেমার ফুন্সুক ওয়াংরুকে মনে আছে আপনাদের? যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আমির খান। আমির খানের অভিনীত সেই চরিত্রটি কিন্তু মোটেই কাল্পনিক নয়। বরং বাস্তবের এক মানুষের থেকে অনুপ্রাণিত একটি চরিত্রে আমির খান অভিনয় করেছেন। বাস্তবের সেই চরিত্রটি একজন প্রকৌশলী, উদ্ভাবক এবং শিক্ষা সংস্কারক ‘সোনম ওয়াংচুক’। ভারতের লাদাখে তার প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত একটি ইনস্টিটিউট রয়েছে যার নামÑ ‘স্টুডেন্টস এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অফ লাদাখ (SECMOL)’।

বিশ্ব নন্দিত এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক সোনম ওয়াংচুকের হাতে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে গ্রিন প্রোডাকশনের উৎপাদিত পরিবেশবান্ধব গ্রিন পেন। মিস্টার সোনম ওয়াংচুক গ্রিন পেন হাতে পেয়ে বায়োডিগ্রেডেবল এই কলমের প্রশংসা করে বলেন, ‘গ্রিন পেন শুধু নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলে নয় বরং সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে হবে। প্লাস্টিক দূষণ সারা পৃথিবীর জন্যই হুমকি। পরিবেশের সুরক্ষায় সবাইকে সত্যিকার অর্থেই আন্তরিকতা দেখাতে হবে, গ্রিন পেন গ্রিন প্রডাকশনের একটি সাহসী উদ্যোগ।’

গ্রিন প্রডাকশনের পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম গ্রিন পেন উৎপাদন, বিপণন, ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ, সবুজ অর্থনীতি বিনির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে করে চলেছে নানা কাজ। এ বছর গ্রিন প্রোডাকশন আরও কয়েকটি পরিবেশবান্ধব পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা