জাহাঙ্গীর আলম জাহান
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৫ ১৭:৩০ পিএম
এঁকেছে অর্নিলা ভৌমিক। সে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী
পর্দানশিন মা কখনো বের হতো না ঘর থেকে
সেই মা হলো পর্দাছাড়া একাত্তরের পর থেকে
কারণ কী তার জানো?
যুদ্ধে গিয়েই প্রিয় বাবা হারিয়েছিলেন প্রাণও।
আমরা তখন আট ভাই-বোন অভিভাবকহীন
মায়ের স্নেহের আঁচলতলে কাটাচ্ছিলাম দিন
দু’মুঠো ভাত জোগান দিতে মা হয়ে যায় বাবা
ভাত জোগাতে মায়ের বুকে অগ্নিগিরির লাভা
মা আমাদের ভালোবাসে
না পেরে মা বাইরে আসে
দাদন করে টাকা এনে সবার আহার জোটায়
এমনি করে মা সকলের মুখের হাসি ফোটায়।
জীবনজয়েও ভাঙাগড়া
ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া
ছয় মেয়েকে বিয়ে দেওয়াÑ মা করেছে একা
মায়ের জীবন তামা হলোÑ এটাই ভাগ্যলেখা।
সেই প্রিয় মা নেই তো বেঁচে, খাঁখাঁ করে বুক
ভাবলে আজও জীবনচাকা যায় হয়ে শম্বুক
মুক্তিযুদ্ধে বাবা শহীদ, মা-ও যে জীবনযুদ্ধে
জড়িয়ে গিয়ে হারিয়ে গেল অগ্নিচাপা ক্রুদ্ধে
পড়ি যখন দুর্বিপাকে
মনে পড়ে বাবা-মাকে
মায়ের কবর ঘরের পাশে বাবার কবর নাই
রোজই তবু বাবা-মায়ের স্নেহের পরশ পাই।
হার না মানার দল
আবেদীন জনী
পাখনা মেলে, পুচ্ছ মেলে
উড়ছে হাওয়ায় খেলে খেলে
পুঁচকে পাখির ছানা,
তার তো আছে স্বাধীনতা
উড়তে যে নেই মানা।
যেমন খুশি সাজছে খুকি
গানের তালে নাচছে খুকি
তাতা তাধিন তানা,
খুকির আছে স্বাধীনতা
নাচতে যে নেই মানা।
মুক্ত পায়ে মুক্ত পথে
আমরা চলি স্বপ্নরথে
সামনে অনর্গল,
আমরা হলাম ভয় তাড়ানোÑ
হার না মানার দল।