স্বাদু সংবাদ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ ০৯:৪২ এএম
দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের শংকিং এলাকার ২৫ বছর বয়সি এক তরুণী। বহুদিন ধরে একই সংস্থায় চাকরি করছেন। কিন্তু সেই চাকরি আর করবেন কি না তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছিলেন। পদত্যাগপত্র লিখে সেই চিঠি মেলবক্সে ড্রাফ্ট করে রাখা ছিল। পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না। ওই তরুণীর নয়টি বিড়াল ছিল। চাকরি ছাড়লে সংসারের খরচ কীভাবে টানবেন এবং কত টাকা সঞ্চয় করে রেখেছিলেন এসব নিয়ে হিসাব করতে ব্যস্ত ছিলেন মালিকিন। কিন্তু তর সইল না তার পোষ্যের। ল্যাপটপের ওপর গিয়ে বসে পড়ল সে। ল্যাপটপের কি-বোর্ডে ‘এন্টার’ বোতামে থাবাও বসিয়ে দিল বিড়ালটি। সঙ্গে সঙ্গে তরুণীর বসের কাছে ইস্তফাপত্র মেল করে পাঠিয়ে দিল পোষ্য।

বিড়ালের কাণ্ড দেখে মাথায় হাত তরুণীর। যতক্ষণে বসকে ফোন করে পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করবেন, ততক্ষণে তরুণীর ইস্তফাপত্র গ্রহণও করে ফেলেছেন তার বস। নানা ধরনের প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল তরুণীর মনে। ল্যাপটপ খোলা রেখেই ঘরে পায়চারি করছিলেন তিনি। সে সুযোগ নিয়ে ফেলল তার এক পোষ্য। ল্যাপটপ খোলা অবস্থায় দেখে তার ওপর উঠে বসল বিড়ালটি। তারপর এন্টার বাটনে থাবা বসিয়ে দিল। সঙ্গে সঙ্গে বসের কাছে পৌঁছে গেল তরুণীর ইস্তফাপত্র। সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণও করে ফেললেন বস। তরুণী যখন বিষয়টি খেয়াল করলেন, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তার বিড়াল যে এ কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে, তা আর বোঝানোর অবকাশ ছিল না তরুণীর। বর্তমানে তরুণী চাকরিহারা। নয়টি বিড়াল নিয়ে ঘরে বসে এখন বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য আবেদন জানাচ্ছেন তিনি।