তৌকির মুহাইমিন
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:০২ পিএম
সুন্দর ছবিটি এঁকেছে ফাতিহা ফারহীন। সে ঢাকার বি এ এফ শাহীন কলেজের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
ডিসেম্বরের শুরু থেকে রেজার চলে নতুন বছরের প্রস্তুতি। ২০২৫ সাল নিয়েও সে খুব উৎসাহী। নতুন বছরের শুরুতে পরিবারের সবাইকে উপহার দেয়। গত ডিসম্বরের শেষ সপ্তাহে রেজা বাবার সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছিল। দেখে অনেক বাচ্চা শীতে কষ্ট পাচ্ছে এবং চারদিকে ছিল অনেক দূষণ। তার আগের দিন রেজা তার বন্ধু অ্যালবার্টের বাসায় দাওয়াত খেতে যাওয়ার সময় দেখল গরিব শিশুরা মানুষের ফেলে দেওয়া বাসি খাবার পেয়ে খুব আনন্দিত। কিন্তু রেজার সেদিন বায়ুদূষণের কারণে একটু শ্বাসকষ্ট হয়। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রেজা বাবার সঙ্গে ছাদে গেল, তখন রেজার বাবা তাকে নতুন বছরে কী উপহার নেবে তা জিজ্ঞেস করল। তখন রেজা বলল, নতুন বছরে আমি গরিব শিশুদের জন্য কিছু করতে চাই আর দূষণ কমাতে চাই। এ কথা শুনে রেজার বাবা খুব অবাক হলো। রেজা বলল, একটু পরে সবাই বাজি ফোটাবে, এতে পাখি, অসুস্থ রোগী ও বাচ্চাদের অনেক সমস্যা হবে। এটা বন্ধ করতে চাই। এই শুনে রেজার বাবা খুব খুশি হলো। রাত ১২টা বাজলে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাইরে বের হলো, বের হয়ে সবাইকে বাজি ফোটানোর ক্ষতিকর দিকের কথা বুঝিয়ে বলল। এতে সবাই বাজি ফোটানা বন্ধ করে দিল। তারপর সবাই মিলে গান গেয়ে নতুন বছর বরণ করে নেয়। সকালবেলা তারা সবাই মিলে শিশুদের জন্য খাবার ও কাপড়চোপড় নিয়ে গেল। সঙ্গে পরিবেশ রক্ষার জন্য কিছু গাছও রোপণ করল। রেজার কাজে খুশি হয়ে তার বাবা তাকে একটি সাইকেল এবং ভালোভাবে পড়াশোনা করার জন্য একটি চেয়ার উপহার দিল। নতুন বছরে রেজা ঠিক করল আগের বছরের চেয়ে ভালোভাবে পড়াশোনা করবে এবং নতুন দুটি গেমের প্রোগ্রামিং শেষ করবে।