স্বাগত ২০২৫
প্রিয়ব্রত চক্রবর্তী
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ১২:০২ পিএম
আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:০০ পিএম
প্রচ্ছদটি এঁকেছে অর্নিলা ভৌমিক। সে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী
মানুষ জানে সূর্য চিরদিন আকাশমাঝেই ছিল। তবু কেন তারা বছরের প্রথম দিনের নতুন সূর্যের আশায় থাকে? সূর্য কি বদলে যায়? না। সূর্য বদলায় না। বরং বদলে যায় কটি সংখ্যা। মাত্র কটি সংখ্যা। আমরা মানুষ অবশ্য সেই সংখ্যাগুলোকে সংখ্যা হিসেবে চিনি না। শুধু চিনি সুখ-দুঃখের হাজারো স্মৃতি হিসেবে। কিছু স্বপ্ন আর অজানা ভবিষ্যৎ হিসেবে চিনি। সে সংখ্যাগুলোর পরিসর আমাদের কাছে খুব ছোট কিছু নয়। অনেক বড়। কারণ আমরা অপেক্ষা করি ৩৬৫ দিন বা ৮ হাজার ৭৬০ ঘণ্টা। কিন্তু কেন অপেক্ষা করি? এ প্রশ্নের উত্তর নতুন বছরের অপেক্ষায় জানালার কাছে গাল লাগিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুটি কি জানে? কেন আকাশে ফানুস আর আতশবাজির রঙের খেলা চলছে? তবে তার মনেও আশা আছে যে, এ বছরটি হবে তার জন্য আরও শুভ, আরও আনন্দের। সেই প্রত্যাশা রাখি আমরাও। আমরাও চাই নতুন বছর যেন অনাবিল আনন্দে ভরে ওঠে। দ্রুতই চলে আসবে সেই সংখ্যাবদলের দিন। স্বাগত ২০২৫। তোমার আগমনে সুখী হোক জগৎ। তোমার আগমনে নতুন আনন্দে পূর্ণ করো সব অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। দুঃস্বপ্নকে করো ম্লান। তুমি ছোট্ট শিশুটির ইচ্ছাও করো পূরণ। সবার মুখে ফোটাও হাসি। যে হাসি তোমায় বারবার নতুন রূপে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। যে হাসি হবে যেকোনো অন্ধকারের বেড়াজাল ভাঙার। অন্ধকারে জোনাক পোকা হয়ে ছড়িয়ে দাও আলো। চারপাশ করে তোলো রঙিন।