স্বাদু সংবাদ
সাজেদুর আবেদীন শান্ত
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:৪২ পিএম
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৩:০২ পিএম
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং অন্যান্য জলবায়ু গবেষণা প্রতিষ্ঠান ২০২৪ সালকে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ বছর গড় তাপমাত্রা প্রাকশিল্প যুগের তুলনায় প্রথমবারের মতো ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে যাচ্ছে। যদিও এটি প্যারিস চুক্তির ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমা অতিক্রমের স্থায়ী লক্ষণ নয়, তার পরও এটি একটি বিপজ্জনক সংকেত।
২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ১৬ মাসের প্রতিটি মাসে গড় তাপমাত্রা আগের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়েছে। গত এক দশকই ছিল সবচেয়ে উষ্ণ দশক। বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির মূল কারণ হলো জীবাশ্ম জ্বালানি—তেল, গ্যাস এবং কয়লা—পোড়ানো, যা বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়াচ্ছে। ১৭৫০ সালের পর থেকে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅকসাইডের পরিমাণ ৫০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে হিমবাহ গলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো আরও মারাত্মক আকার নিচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্ট সাওলো বলেন, ‘এ বছর যে ভয়াবহ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, তীব্র গরম, খরা এবং দাবানল আমরা দেখেছি, তা আমাদের ভবিষ্যতের বাস্তবতা এবং এর কেবল শুরু। এখনই গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
অ্যালেক্সেই নাভালনি
অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যু
২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘শত্রু’ অ্যালেক্সেই নাভালনির। নাভালনি ছিলেন পুতিনের সবচেয়ে কট্টর সমালোচক। রাশিয়ার ফেডারেল জেল বিবৃতি জারি করে জানায়, হাঁটতে বেরিয়েছিলেন নাভালনি। তখনই অসুস্থতা বোধ করেন। খানিকক্ষণের মধ্যেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে যান তিনি। দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স টিম হাজির হয় ঘটনাস্থলে। সে দলই তাকে মৃত ঘোষণা করে। তার পরই সরগরম হয়ে ওঠে রাশিয়ার রাজনীতি তথা বিশ্বরাজনীতি। রাশিয়ার একটি আদালত তাকে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। গত বছরের শেষের দিকে নাভালনিকে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর কারাগার হিসেবে পরিচিত আর্কটিক পেনাল কলোনিগুলোর একটিতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। ২০২০ সালে বিষপ্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল নাভালনিকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বেঁচে যান তিনি। চিকিৎসা নিতে যান জার্মানিতে। পাঁচ মাস জার্মানিতে কাটিয়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মস্কো ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে আটক করা হয়। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন মস্কো বিমানবন্দরে। কিন্তু বিমানবন্দরে নামার আগেই তাকে বহনকারী বিমানটির পথ পরিবর্তন করে নিয়ে যাওয়া হয় শেরেমেতেইয়েভো বিমানবন্দরে। সেখানে ইমিগ্রেশনে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় এ আন্দোলনকারীকে। নাভালনি তাকে হত্যাচেষ্টার জন্য রুশ কর্তৃপক্ষকে সব সময় দায়ী করেছেন।
