প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪:২০ পিএম
বাঁধাকপি একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর সবজি। স্বল্প ক্যালোরিযুক্ত এ সবজি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন উপকারী।
বাঁধাকপি কাঁচা, সেদ্ধ, ভাজা বা ঝোলে রান্না করে খাওয়া যায়। বাঁধাকপির
পুষ্টিগুণ দেখে নিনÑ
বাঁধাকপির পুষ্টিগুণ (প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপি)
: এতে ক্যালোরি রয়েছে ২৫ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেটের
পরিমাণ ৬ গ্রাম, প্রোটিন থাকে ১.২ গ্রাম, ফাইবার পাওয়া যায় ২.৫ গ্রাম। এ ছাড়া ভিটামিন
সি ৩৬.৬ মিলিগ্রাম (যা প্রতিদিনের চাহিদার প্রায় ৬১ শতাংশ), ভিটামিন কে এবং ভিটামিন
বি৬ রয়েছে উচ্চ পরিমাণে, ফলিক অ্যাসিড মিলে ৪৩ মাইক্রোগ্রাম, পটাশিয়াম ১৭০ মিলিগ্রাম,
ক্যালসিয়াম ৪০ মিলিগ্রাম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অর্থাৎ ফ্ল্যাভোনয়েডস ও ক্যারোটেনয়েডসও
রয়েছে।
বাঁধাকপির খেলে কী কী উপকার মেলে জেনে নিনÑ
বাঁধাকপির পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে এবং সর্বোচ্চ উপকারিতা পেতে সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পদ্ধতি মেনে খেলে বাঁধাকপির পুষ্টি বজায় থাকবে পাশাপাশি স্বাস্থ্যকরও হবে।
কাঁচা খাওয়া (সালাদ) : বাঁধাকপি কাঁচা খেলে এতে থাকা ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং
অন্যান্য পুষ্টি পুরোপুরি বজায় থাকে।
হালকা ভাপানো বা সেদ্ধ করা : বাঁধাকপি ভাপে রান্না করলে এর পুষ্টিগুণ অনেকটাই অক্ষুণ্ন থাকে।
বেশি সেদ্ধ করলে বা বেশি তাপে রান্না করলে এর পুষ্টি নষ্ট হতে পারে। বাঁধাকপির পাতাগুলো
হালকা লবণ দিয়ে ৫-৭ মিনিট ভাপিয়ে নিন। চাইলে এতে অলিভ অয়েল বা কালো গোলমরিচ দিয়ে পরিবেশন
করতে পারেন।
হালকা ভাজি বা স্টির ফ্রাই : কম তেলে বাঁধাকপি ভাজলে এর পুষ্টি ভালোভাবে বজায় থাকে। এজন্য ১-২
চা চামচ তেলে রসুন দিয়ে হালকা গরম করে বাঁধাকপির টুকরো দিয়ে ৫ মিনিটের বেশি ভাজা যাবে
না।
স্যুপ বা ঝোল তরকারি করে খেতে পারেন। মসলা কম ব্যবহার করে হালকা ঝোল
রান্না করলে এর পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে। এ ছাড়া বাঁধাকপিকে ফারমেন্ট অর্থাৎ কিমচি
মানিয়ে খেলে এতে প্রোবায়োটিক তৈরি হয়, যা হজমের জন্য উপকারী।
রান্নার সময় সতর্কতা
খাওয়ার সময় সতর্কতা