প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৩:২৫ পিএম
আলোচনা সভা শেষে একটি র্যালির আয়োজন করা হয়
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা নির্ধারিত এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘Tourism and Peace’ যার বাংলা করা হয়েছে ‘পর্যটন শান্তির সোপান’।
অর্থাৎ কেবলমাত্র অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য নয়, পর্যটন কাজ করে মানুষের মধ্যে বোঝাপড়া, সহমর্মিতা এবং শান্তি বিকাশের মাধ্যম হিসেবেও। আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানী ঢাকায় বারিধারায় অবস্থিত ডেস হোটেলে ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক (ডব্লিউটিএন) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন করে।
ডব্লিউটিএন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান এইচ এম হাকিম আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি সৈয়দ গোলাম কাদির এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল।
সৈয়দ গোলাম কাদির পর্যটনের ইতিহাস ও এর গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, বিশ্বব্যাপী পর্যটনের প্রচার ও প্রসারে ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএন ট্যুরিজম’ ঘোষিত এ দিবসটি সব সদস্য দেশে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হয়ে আসছে। আমাদের পর্যটন বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে।
বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, পর্যটনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় সমঝোতা। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে একটি সৌহাদ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে পর্যটনের ভূমিকা অপার।
ডব্লিউটিএন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান এইচ এম হাকিম আলী বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এ বিশাল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমরা এ খাতে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা। সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে পর্যটন শিল্প অন্যতম ভূমিকা পালন করতে পারবে।
আলোচনা সভা শেষে একটি র্যালির আয়োজন করা হয় যেখানে পর্যটন শিল্পের বিভিন্ন ব্যক্তিরা অংশ নেন।