ডুবুরি
ফারুক হোসেন
ইদিতা এবং হৃদিতা দুজনে জেনে গেছে বই পড়ে
ডুবুরি মানুষ ডোবে জলে আর ডুবুরি পাখিরা ওড়ে।
ডুবুরি মানুষ সাগর তলায় সাঁতার কাটতে জানে,
শ্বাসযন্ত্রটি পিঠে থাকে বাঁধা কৌশলে শ্বাস টানে,
ডুবুরি মানুষ সমুদ্রে ডুবে চলে,
সাগরের যত মুক্তো মানিক খুঁজে আনে কৌশলে।
ডুবুরি পাখিটা ছোট্ট জলজ হাঁসের ছানার মতো,
জলেই থাকে সে ডাঙায় কষ্ট ডাঙায় থাকে না অতো।
ডুবুরি পাখির দুঠোঁট হলদে রাঙা,
বিচরণ করে খাল বিল হ্রদ পুকুরে ডুবুরি চাঙা।
ডুবুরি পাখিরা পানিতে শিকারি প্রধানত মাংশাসী
শামুক ঝিনুক ব্যাঙাচি ফড়িং, কিন্তু খাবে না বাসি।
বড় জলাশয়ে বানায় নিজের বাসা
জলজ বৃক্ষে পানির উপরে শক্ত এবং খাসা।
ড্রইং টিচার বলল সেদিন তোমরা ডুবুরি আঁকো,
একে অন্যের আঁকা দেখবে না, দূরে দূরে তাই থাকো।
হৃদিকে বলল ইদি, চলো যাই দূরে যাই আর আঁকি,
ইদিতা আঁকল মানুষ এবং হৃদিতা আঁকল পাখি।
কুইন তুমি কেমন আছো
অতনু তিয়াস
কুইন তুমি কেমন আছো দূর আকাশের তীরে?
মিটিমিটি হাসছ বুঝি লক্ষ তারার ভিড়ে?
হাসিখুশি সৃষ্টি সুখে উঠছিলে বেশ বেড়ে,
হঠাৎ করে ডেঙ্গুজ্বরে তোমায় নিল কেড়ে!
ফিরবে তুমি সেই আশাতে আজও আছেন মা
রাগ করেছ কুইন তুমি? ঘরে ফিরলে না!
একটিবারও শুকায় না তো মায়ের চোখের নদী
কষ্ট ভুলে মায়ের কোলে ফিরে আসতে যদি!
গল্প ছড়া রূপকথাতে মুখর মানবতা
দেয়ালে আজ তোমার ছবির কেমন নীরবতা!
তুমিও যেন তোমার লেখা রূপকথার নীল পরি
কল্পলোকের গল্পে তুমি করছ ওড়াউড়ি।
ফিরে এসো ঘরে এসো, দূর আকাশের তারা
বুকটা মায়ের খাঁখাঁ করে কুইন তোমায় ছাড়া!
ব্যাঙ মারে ল্যাঙ
এস এম শহীদুল আলম
গাল ফুলিয়ে
ব্যাঙ,
দোলায় সবল
ঠ্যাঙ;
ডাকে ঘ্যাঙর-
ঘ্যাঙ।
পড়ল সাপের
ফাঁদে,
চিত হয়ে সে
কাঁদে;
তাকায় আকাশ-
ছাদে।
এই ক্ষণে মেঘ-
সৃষ্টি,
নামল গুঁড়ি
বৃষ্টি;
অভয় ব্যাঙের-
দৃষ্টি।
সাপকে মেরে
ল্যাঙ,
বেঁচে গেল
ব্যাঙ;
ড্যাঙ ড্যাঙা ড্যাঙ-
ড্যাঙ।