মজার ঘটনা
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২৪ ১২:১৩ পিএম
আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৪ ১২:১৩ পিএম
অলংকরণ :জয়ন্ত সরকার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে একবার গয়ায় বেড়াতে গেছেন। সেখানে তখন সাহিত্যিক প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় থাকতেন। প্রভাতকুমার এবং আরও কয়েকজন উদ্যোগী হয়ে কবিকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করেন। সেই অনুষ্ঠানে একজন গান গাইলেন। অন্য একজন হারমোনিয়াম বাজালেন। অল্প বয়সি একটা মেয়েকে দিয়ে কবিতা আবৃত্তি করানো হলো। সেই কবিতার প্রথম লাইন ছিলÑ তবু মরিতে হবে। সভা থেকে ফেরার পথে গাড়িতে বসে কবি চারুচন্দ্রকে বললেনÑ দেখলে চারু আমার পাপের প্রায়শ্চিত্ত! আমি না হয় অল্প কয়েকটি গান-কবিতা লিখে অপরাধ করেছি। তাই বলে আমাকে ধরে নিয়ে এ রকম যন্ত্রণা দেওয়া কি ভদ্রতা-সঙ্গত। গান হলো, কিন্তু দুজনে প্রাণপণ শক্তিতে পাল্লা দিতে লাগলেন যে, কে কত বেতাল বাজাতে পারেন, আর বেসুরো গাইতে পারেন। গান যায় যদি এ পথে তো বাজনা চলে তার উল্টো পথে। গায়ক-বাদকের এমন স্বাতন্ত্র্য রক্ষার চেষ্টা আমি আর জীবনেও দেখিনি। তারপর ওই একরত্তি মেয়ে, তাকে দিয়ে নাকি সুরে আমাকে শুনিয়ে না দিলেও আমার জানা ছিল যে, তঁবু মঁরিতে হঁবে।
সূত্র : রবীন্দ্রনাথের হাস্য-পরিহাস