গোলাম নবী পান্না
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৪ ১২:২৫ পিএম
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৪ ১২:৪৬ পিএম
অলংকরণ : জয়ন্ত সরকার
ঢেউ খেলে যায় নদীর বুকে নাও বেয়ে যায় মাঝি
আমার দেশের শ্যামলিমা সাজায় বৃক্ষরাজি।
ভোরের সূর্য উঁকি দিতেই জেগে ওঠে পাড়া
পাখির সুরে ঘুম ভেঙে পাই কাজের পথে সাড়া।
কৃষক ফলায় সোনার ফসল মাঠজুড়ে তার রেশ
হাওয়ার পরশ গায় মেখে এক মোহন পরিবেশ।
আকাশনীলে পাখিরা সব ডানা মেলে যায়
কিচিরমিচির মনের ভেতর স্বরটি খেলে যায়।
গাঁয়ের পথে রাখাল যখন বাজায় বাঁশের বাঁশি
ফুটে ওঠে দু’ঠোঁটজুড়ে গাঁয়ের বধূর হাসি।
এমন ছবি দেখে যখন শিল্পী এঁকে যায়
কবি তখন কাব্য কথায় স্মৃতি রেখে যায়।
পাখির পাঠশালা
নকুল শর্ম্মা
ময়না পাখির পাঠশালাতে
পড়ছে নানান পাখি
কেউবা পড়ছে মন দিয়ে আর
কেউবা দিচ্ছে ফাঁকি।
কাকাতুয়া হুতোম প্যাঁচা
শালিক টিয়ে কাক
কুটুম পাখি বউ কথা কও
দিচ্ছে মধুর ডাক।
কাকটা বসে গোমড়া মুখে
দেখছে সবার কাজ
বকটা বলছে হায়রে কপাল
আমার মাথায় বাজ।
সবাই পড়া শেষ করেছে
পরীক্ষাতে পাস
কাক আর বকের পরীক্ষাটা
হবে সামনের মাস।
ইচ্ছেটুকু
সারমিন চৌধুরী
ইচ্ছে করে পাখি হয়ে
নীল আকাশে উড়ি
আনন্দ মনে মিলেমিশে
মেঘের দেশে ঘুরি
কেমন করে উড়ব বলো
কোথায় পাব ডানা
পাখি হলে সাধ মেটাতাম
শুনতাম না মানা।
হঠাৎ আবার ইচ্ছে করে
বইতে নদীর মতো
সাত সমুদ্র ঘুরে আসতাম
লাগত মজা কত।
মাঠের সবুজ ঘাস হতাম
ফড়িং যেথায় নাচে
কচিকাঁচা শিশুরা এসে
খেলত আমার কাছে।