× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

৩০ বছরে জিডিপিতে কৃষির অবদান কমেছে ১৯ শতাংশ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৩ ০০:২২ এএম

আপডেট : ০৬ মে ২০২৩ ১৪:৪৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

কৃষিখাতে উৎপাদন বাড়লেও মোট জাতীয় উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষির অবদান কমেছে। ১৯৯১ থেকে ২০২০ পর্যন্ত ৩০ বছরে কমেছে ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ। ১৯৯১ সালে জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ২০২০ সালে দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশে। তবে সার্বিকভাবে কৃষিতে উন্নতি হয়েছে। যে হারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে কৃষির উন্নতি হয়েছে সেভাবে আবার বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। 

শুক্রবার (৫ মে) রাজধানী ঢাকার কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের হলরুমে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও গ্রামীণ উন্নয়ন : প্রাক-বাজেট বিশ্লেষণ ২০২৩-২৪’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২০০০ সালে জিডিপিতে মাথাপিছু আয় ছিল ৫২৫ ডলার, ২০২২ সালে তা ২৭২৩ ডলারে উন্নীত হয়েছে। কমেছে দারিদ্র্য। এই সময়ে দারিদ্র্য ৫২ দশমিক ৩ থেকে কমে হয়েছে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে গ্রাম থেকে শহরে স্থানান্তরিত হওয়ার হার বেড়েছে। ২০০১ অর্থবছরে গ্রাম থেকে শহুরে স্থানান্তরিত হওয়ার হার ছিল ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ, ২০১৭ তা ১১৯ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ড. জাহাঙ্গীর কৃষি গবেষণায় বাজেট বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষিতে উন্নতি করতে হলে গবেষণায় বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। সার্বিকভাবে কৃষিই হলো সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা। খাদ্যনিরাপত্তা থেকে শুরু করে শিল্পের কাঁচামাল কৃষি থেকেই আসে।

সমিতির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি, বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। সমিতির মহাসচিব মিজানুল হক কাজল, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য দেন।

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ব্যাপক অবকাঠামো তৈরির কারণে গ্রামীণ উন্নয়ন হয়েছে। এখন প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেই রাস্তাঘাট হয়েছে। এতে কৃষিপণ্য বিপণনে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের আয় বাড়ছে। মানুষ গ্রামে যাচ্ছে শহর থেকে। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে কৃষিকে শক্তিশালী অবস্থানে নিতে পদক্ষেপ নেন শেখ হাসিনা। সেই ধারাবাহিকতায় এ খাতে ব্যাপক উন্নতি হয়। তার ফল এখন আমরা ভোগ করছি। গত ১৫ বছরে কৃষির অগ্রগতি অসাধারণ। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ২৫ বছরের শাসনামলে মাথাপিছু আয় ছিল ১ দশমিক ৪০ ডলার। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হলে তখন হয় ৯৪ ডলার। সেখান থেকে তিনি সাড়ে তিন বছরে ২৭৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেন। কিন্তু পরবর্তী ২১ বছরে সেটি আশানুরূপ বৃদ্ধি পায়নি। ২১ বছরে হয়েছিল ৭০০ মার্কিন ডলার। আর ২০২২ সালে এটি ২৮২৪ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে কৃষিকে উপেক্ষা করা হতো। আর তিনি সেটিকে সম্পদ ও কর্মসংস্থান হিসেবে গ্রহণ করেছেন। মূল্যস্ফীতিকে তিনি অভিশাপের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটি কমাতে হবে। সমাজে বৈষম্য রাখা যাবে না। দাতা সংস্থাদের পরামর্শ, কৃষিতে ভর্তুকি কমাতে হবে। এটি গ্রহণ করা হবে না। বরং কৃষিতে ভর্তুকি বৃদ্ধি ও কৃষিপণ্যে ট্যাক্স যাতে না নেওয়া হয় সে ব্যবস্থায় যেতে হবে। তিনি পানি ও বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সম্পদের ক্ষেত্রে স্থানের আলোকে (উন্নত ও উন্নয়নশীল অঞ্চলের) দাম নির্ধারণ করা হবে বলে মন্তব্য করেন। 

মন্ত্রী তাজুল আরও বলেন, ‘আমার বাবা বলতেন, গরিবের ইজ্জত নেই। সেটির প্রমাণ পেতাম বিদেশে গেলে। তারা আমাদের মূল্যায়ন করত না। আর এখন বাংলাদেশকে সবাই শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করে থাকে। তার কারণ আমরা নিজেদের শক্তিতে উন্নতির দিকে যাচ্ছি। কারো কাছে হাত পেতে থাকছি না।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা