ফারুক আহমাদ আরিফ
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৫ ১৬:৪৯ পিএম
কাজুবাদাম চাষে ব্যয় কম হওয়ায় পাহাড়ের কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। প্রবা ফটো
প্রতিদিন কাজুবাদাম, কিশমিশ, খেজুরসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল দিয়ে সকালের নাশতা সারেন রাজধানীর শাহজাহানপুরের শাহাদাত হোসেন বিপ্লব। তিনি বলেন, এখন মানুষ স্বাস্থ্যসচেতন হচ্ছে। আমরা তরুণরাও স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিদিন ভোরে হাঁটতে বের হই। হেঁটে এসে কাজুবাদাম, কিশমিশ, খেজুর খেয়ে থাকি। যদিও কাজুবাদামের দাম বেশি, তবু চেষ্টা করি অল্প করে হলেও খেতে।
শুধু বিপ্লব নয়, ধানমন্ডির সোহাগ হাসানও প্রায় একই ধরনের খাবার খান। জিম করার কারণে ছোলা, চিনাবাদাম ও কাজুবাদাম প্রায়ই খাওয়া হয় তার। এ ছাড়া বর্তমানে অতিথি আপ্যায়ন, সেমিনার থেকে শুরু করে বেকারিজাতীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য তৈরিতে স্থান করে নিয়েছে কাজুবাদাম।
বিদেশি এ ফলটি বর্তমানে বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িসহ ১৯ জেলায় চাষ হচ্ছে। কম ব্যয় ও অধিক লাভের ফসল হিসেবে দ্রুত ফসলটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলার মানুষের মধ্যে চাষাবাদ বাড়ছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করে বিদেশে অর্থ আয়ের স্বপ্ন দেখছে সরকার।
বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নের ফাক্ষ্যংগ্রী পাড়ার চাষি পুলু মং মারমা দুই হেক্টর জমিতে কাজুবাদামের চাষ করেছেন। সেখানে ৯০০ গাছ রোপণ করেছেন তিনি। ২০২২ সালে করা বাগানে এ বছর ফল সংগ্রহ করেছেন ১৬ মণ। ২০০ টাকা কেজিতে ৫২ হাজার টাকা ও খুচরাসহ মোট ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন তিনি।
সম্প্রতি ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আগাছা পরিষ্কার করছেন পুলো মং মারমা। পাহাড়ের চূড়া থেকে ঢালু পর্যন্ত সারি সারি কাজুবাদামের গাছ। সবুজ পাতার গাছগুলোতে দুপুরের রোদ পড়ে চিক চিক করছে। কয়েকটি গাছে অসময়ে ধরা কাজুবাদাম ঝুলছে। কোনো কোনো গাছে ফুল এসেছে। এসব ফুল থেকে এ মৌসুমে ফল হবে না। তাই গুড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। গাছের চারপাশের আগাছা কেটে পরিষ্কার করা হচ্ছে।
জানতে চাইলে তারাছা ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল বেলাল জানান, প্রকল্পের অধীনে পুলু মং মারমার বাগানে ২০২১-২২ অর্থবছরে কম্বোডিয়া এম-২৩ প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়েছে। চারা রোপণের দ্বিতীয় বছর থেকেই ফল সংগ্রহ করা যায় তবে তিনি তৃতীয় বছর থেকে সংগ্রহ করছেন।
পুলু মং মারমা বলেন, বাগান করেছি আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে। এসব গাছ যত পুরনো হবে তত ফলন বাড়বে। আমার নিজের, সন্তান ও নাতিসহ তিন প্রজন্ম এটা থেকে সরাসরি লাভবান হবে। কেননা কাজুবাদাম গাছ ১০০ বছরের বেশি সময় বেঁচে থাকে। গাছের বয়স বাড়ার সঙ্গে ফলনও বাড়ে।
তিনি বলেন, কাজুবাদাম চাষে ব্যয় খুবই কম। বাগানে ইউরিয়া ও টিএসপি সার দিতে হয়। কিছু সেচের ব্যবস্থা করতে হয়। আমাদের এখানে প্রতি কেজি আমের দাম ৩০-৫০ টাকা, সেখানে এক কেজি কাজুবাদামের দাম ২০০ টাকা। আম পরিবহন ও সংরক্ষণ করা কষ্টকর। তবে কাজুবাদাম দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
তিনি জানান, তার দেখাদেখি সমাজের অনেকেই কাজুবাদাম, আম, আনারস ও পেঁপের বাগান করতে এগিয়ে আসছেন। তিনি নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।
আল বেলাল বলেন, তার অঞ্চলে গত ৩-৪ বছরে ১৭ জন চাষি কাজুবাদামের বাগান করেছেন। এতে জমির পরিমাণ ৭ হেক্টরের বেশি। এখন গাছগুলোর যে অবস্থা তাতে একটি গাছ থেকে ৩০-৩৫ কেজি বাদাম সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

পাহাড়ে চাষাবাদে বৃষ্টির ওপর নির্ভর করতে হয় উল্লেখ করে পুলু মং মারমা বলেন, এখানে সেচের খুবই সমস্যা। অনেকে যথাসময়ে সেচ দিতে পারেন না। এতে ফলন কমে যায়। তাই সরকারিভাবে কম খরচে শ্যালো মেশিনের ব্যবস্থা করলে সব চাষিই উপকৃত হতেন।
দেশে কাজুবাদামের চাহিদা যে হারে বাড়ছেÑ সেভাবে উৎপাদন বাড়ছে না। তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন হওয়ায় কৃষকরা দাম বেশি পাচ্ছেন। এতে উৎসাহী হয়ে বাগানের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে কাজুবাদাম আবাদ হয়েছিল ২ হাজার ২১ হেক্টর জমিতে। সেখানে উৎপাদন হয়েছিল ১ হাজার ৬১৬ টন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাদি জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩১৭ হেক্টর। উৎপাদন হয়েছে ৩ হাজার ৯৫ টন।
বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এমএম শাহ্ নেয়াজ বলেন, ২০২০ সালে কৃষকরা প্রতি কেজি কাঁচা কাজুবাদামের দাম পেতেন ৪০ টাকা। বর্তমানে পাচ্ছেন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। তিনি বলেন, কাজুবাদাম চাষে ব্যয় কম হওয়ায় পাহাড়ের কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। আমরা প্রকল্প থেকে সব ধরনের সুবিধা দিয়ে যাচ্ছি। জানুয়ারিতে ফুল আসে। এপ্রিল-মে মাসে ফল পেকে যায়।
কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশে বছরে ৮০০-৯০০ কোটি টাকার কাজুবাদাম আমদানি হয়। যে পরিমাণ উৎপাদন হয়, তার দাম পড়ে ৫০-৭০ কোটি টকা। আমরা যদি পাহাড়ে এ বাদামের আবাদ বাড়াতে পারি তাহলে নিজেদের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারব।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ৯০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকার কাজুবাদামের বাজার রয়েছে। এতে দেশে উৎপাদন হয় ১০ শতাংশ, বাকি ৯০ শতাংশই আমদানি। প্রতি বছর আমদানি করতে হয় ২৫০০ থেকে ৩০০০ টন।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও যমুনা ফিউচার পার্কের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এখন প্রতি কেজি কাঁচা কাজুবাদাম বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। আর ভাজা ১৭৮০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত।
দেশে প্রক্রিয়াজাত হওয়ায় কৃষক ন্যায্য দাম পাচ্ছেন
দেশে ২২টি কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। এসব কারখানার মধ্যে ১৫টিই বিদেশ থেকে আস্ত বাদাম এনে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে ছাড়ে। তবে বর্তমানে বেশকিছু কারখানা দেশীয় চাষিদের কাছ থেকে বাদাম কিনে প্রক্রিয়াজাত করছে। এতে বাজার বিস্তৃত হচ্ছে। চাষিরা ভালো দাম পাচ্ছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় বান্দরবানের বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারে কারখানা করে ২০১৯ সাল থেকে প্রক্রিয়াকরণ করছে কিষাণঘর অ্যাগ্রো। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসে ১০-১২ লাখ টাকার কাজুবাদাম বিক্রি করছে।
সম্প্রতি কারখানাটিতে গিয়ে দেখা যায়, হাতে ও মেশিনে কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। কারখানার বেশিরভাগ শ্রমিকই নারী। কিষাণঘর অ্যাগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, আগে আমাদের দেশে উৎপাদিত বাদাম আকারে ছোট হতো। এখন সার ও উন্নত জাতের চারা সরবরাহ করায় এবং কৃষকরা পরিকল্পিতভাবে চাষাবাদ করায় নাট বড় হচ্ছে। এতে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রতি ৫-৬ কেজি কাঁচা বাদাম থেকে ১ কেজি প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদাম পাওয়া যায়। এসব বাদাম আমরা ১৪০০-১৫০০ টাকা বিক্রি করছি।
ফল সংগ্রহ সম্পর্কে তিনি বলেন, কাজুবাদাম পেকে পড়ে গেলে কৃষকরা তা সংগ্রহ করেন। পরে ৩-৪ দিন ভালোভাবে রৌদ্রে শুকিয়ে বিক্রি করে থাকে। এগুলো শুকিয়ে সংগ্রহও করে রাখতে পারে কৃষক। পরবর্তীতে দাম বাড়লে বিক্রি করতে পারেন।
তিনি বলেন, সেসব বাদাম সংগ্রহ করে প্রথমে সিদ্ধ করা হয়। তারপর আবার কয়েকদিন রোদে শুকানো হয়। এরপর মেশিনে খোলস তুলে ফেলা হয়। তখন ভেতর থেকে সাদা ফল বেরিয়ে আসে। সেই বাদামের খোসা কিছু আবার পুরোপুরি ওঠে না। তখন হাতে সেই সেটা তোলা হয়। পরে বাজারজাত করা হয়।
বান্দরবানের বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ জানান, তারা চারা তৈরি করে পাহাড়ি চাষিদের মধ্যে কম মূল্যে বিক্রি করছেন। কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীনে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৪ লাখ ৫০ হাজার ও চলতি বছর ১ লাখ ৮০ হাজার চারা বিতরণ করবেন। সমতলের চেয়ে কম দামে পাহাড়ি অঞ্চলে চারা বিক্রি করা হয়।
স্থানীয় বাজারে আবদ্ধ
এদিকে চাষি পুলু মং মারমা, আশরাফুল আলম, সুফল চাকমাসহ কয়েকেজনের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলে ভালো ফসল উৎপাদিত হলেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কৃষক। তারা জানান, কাজুবাদামসহ প্রায় সব ধরনের পণ্য স্থানীয় বাজারগুলোর ওপর নির্ভর করতে হয়। এক্ষেত্রে সরকারিভাবে বাজার ব্যবস্থা উন্নত করতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এমএম শাহ্ নেয়াজ বলেন, কাজুবাদামসহ কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের জন্য শুধু এখানকার বাজারের ওপর নির্ভর না করে পণ্যগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে হবে। তার এখানে প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
এ ব্যাপারে কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, পাহাড়ি এলাকা সমগ্র বাংলাদেশের ১০ শতাংশ। আর এটিকে সমতল হিসেবে ভাগ করলে ২০ শতাংশ। এখানে ট্র্যাডিশনাল কিছু চাষাবাদ হতো। এখন সেখানে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ হচ্ছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি পাহাড়ে কফি, কাজুবাদাম, হলুদ, আদা, লেবু ও আনারসের চাষ ব্যাপক হারে বাড়ছে। কাজুবাদাম রপ্তানিমুখী কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে পারে। এই ফসলগুলো প্রক্রিয়াজাত ও ব্র্যান্ডিং করে দেশি-বিদেশি বাজারে জায়গা করে দিতে পারলে পাহাড়ি কৃষির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।
কী ধরনের সহায়তা দিচ্ছে সরকার
দেশে বছরে ৩ হাজার টন প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদাম আমদানি হয়ে থাকে। আর কাঁচা বাদাম আমদানি দরকার পড়ে ১০ হাজার টন। যার বাজারমূল্য ৯০০-১০০০ কোটির টাকার বেশি। দেশে উন্নত জাত ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার অভাবে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেতেন না। বর্তমানে দেশে ২২টি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠেছে। এতে কৃষকরাও ভালো দাম পাচ্ছেন।
শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশে ষাটের দশকে পার্বত্য অঞ্চলে কাজুবাদাম চাষ শুরু হয়। শুরুতে ভালো জাতের অভাব ও উপযুক্ত দাম না পেয়ে কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপরও কিছু বাগান টিকে ছিল। পরবর্তী সরকার ২০২১ সালের জুন মাসে প্রকল্প হাতে নেয়। এ প্রকল্প সারা দেশের ১৯ জেলার ৬৬টি উপজেলায় কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রকল্পের শুরুতে ২০২১ সালে দেশে কাজুবাদাম চাষ হতো ২ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ২০০ হেক্টরে চাষ হচ্ছে। তিন বছরে আবাদ বেড়েছে ২ হাজার হেক্টর।
তিনি বলেন, দেশে বেসরকারিভাবে কাজুবাদামের ২২টি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপিত হয়েছে। এর ফলে উৎপাদিত বাদামের বাজারজাতকরণ সহজ হচ্ছে। ভোক্তা পর্যায়ে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতি বছর গড়ে ২ হাজার ৫০০-৩ হাজার টন প্রক্রিয়াজাতকৃত কাজুবাদাম আমদানি করতে হয়। আমরা যদি পাহাড়ি অঞ্চল ও বাকি জেলাগুলোতে এটির চাষাবাদ বাড়াতে পারি তাহলে চাহিদা পূরণ শেষে রপ্তানি করতে পারব। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা কাজুবাদাম ও কফি রপ্তানি করে বছরে এক বিলিয়ন ডলার আয় করা।
তিনি বলেন, কম্বোডিয়ান এম-২৩ জাতের কাজুবাদামের চারা আমরা সরবরাহ করছি। চাষিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। তাদের নতুন বাগান সৃজন করে দিচ্ছি। দেশে ২২টি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার মধ্যে ১৫টি বিদেশ থেকে বাদাম এনে করা হতো। এখন অনেকেই দেশ থেকেই কিনছে। আগে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো, এখন প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা হওয়ায় সেটি ২০০ টাকায় চাষিরা বিক্রি করছেন। আর আমাদের কাজুবাদামগুলো আকারে বড়।