নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২২ ১৩:২৯ পিএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২২ ১৫:৫৯ পিএম
বেচা-কিনিতে জমে উঠেছে শাহ নগরের সবজি নার্সারী পল্লী
কৃষকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বগুড়ার শাহনগর সবজি নার্সারী পল্লী। করোনার কারণে গত তিন বছর ক্রেতা ছিল না। ওই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বেড়েছে ক্রেতা সমাগম ।
শাজাহানপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরে আলম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, শাহনগরে প্রায় ২৫০টি নার্সারী রয়েছে।
এখান থেকে মরিচ, টমেটো, বেগুন, ফুলকপিসহ বিভিন্ন সবজির চারা কিনতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন হাজারো কৃষক।
সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগাম শীতকালীন সবজির চারা কিনতে আসেন তারা।
শাহনগর নার্সারী মালিক সমিতির সভাপতি আমজাদ হোসেন জানান, এবার শাহনগরে প্রায় ২২০ থেকে ৩০০ সবজির বীজ বপন করে চারা তৈরি করা হয়েছে।
এ মৌসুমে প্রায় ১০ কেটি টাকার চারা বিক্রি করা হয় । এ বছর গ্রিন সুপার, বিজলীসহ কয়েকজাতের মরিচ চারা বিক্রি হচ্ছে হাজার ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায়।
বাঁধা কপির চারা ৮০ পয়সা পিস, ফুলকপি ১ টাকা পিস, বেগুনের একশত চারা ৫০ টাকা, পালং শাকের চারা ২০ টাকা কেজিতে বেচা-কেনা চলছে।
গত কয়েক দিন ধরে আবহাওয়া অনকূলে থাকায় নার্সারীগুলোতে নতুন উদ্যমে সবজি বীজতলায় চারা তৈরি, বিক্রি ও পরিচর্যার ব্যস্ততা বেড়েছে।
সারিয়াকান্দির কৃষক আফজাল হোসেন জানান, তিনি মরিচের চারা নিতে এসেছেন। তিনি চরের ৩০ বিঘাতে মরিচ লাগাবেন। তিনি আশা করছেন, এবার মরিচে ভালো ফলন হবে। ভালো লাভের আশাও করছেন।
শাজাহানপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূরে আলম জানিয়েছেন, শাহনগরসহ আশেপাশে গড়ে ওঠা নাসার্রীগুলো দেশের সবজির চারার চাহিদার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
জুলাই মাসে বৈরী আবহাওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে না পারায় নার্সারীগুলোতে বিক্রি কিছুটা কম ছিল।
এখন আবাওয়া ভালো হওয়ায় তারা আবার আশার আলো দেখছেন।
কয়েক দিন হলে আবহাওয়া অনকূলে থাকায় নার্সারীগুলোতে নতুন উদ্যমে সবজি বীজতলায় চারা তৈরি, বিক্রি ও পরিচর্যা ব্যস্ততা বেড়েছে।
১৯৮৫ সালের দিকে প্রথমে শাহনগর বড়পাথার এলাকায় সবজি নার্সারী ব্যবসা শুরু হয়। এখানে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের ।
/প্রবা/এইচকে/