× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পুকুরে আর্টিমিয়া চাষে সম্ভাবনার নতুন যুগে বাংলাদেশ

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৪ ১৭:৫৩ পিএম

ওয়ার্ল্ডফিশের আয়োজনে কর্মশালায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ

ওয়ার্ল্ডফিশের আয়োজনে কর্মশালায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ

চিংড়ি কাঁকড়া ও মৎস্য শিল্পের বিকাশ টিকিয়ে রাখার জন্য এখন দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে আর্টিমিয়া। ওয়ার্ল্ডফিশ-এর আয়োজিত কর্মশালায় বক্তারা আর্টিমিয়া চাষ, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে আর্টিমিয়ার গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আর্টিমিয়া ফর বাংলাদেশ প্রকল্পের ‘ফাইনাল ওয়ার্কশপ এবং মেলা’ আয়োজন করা হয়। 

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান, এমপি। এছাড়াও সভাপতিত্ব করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মোঃ আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন চার্লস হোয়াইটলি, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. বিনয় কুমার বর্মন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মাননীয় মহাপরিচালক, ড. জুলফিকার আলীসহ সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও এবং বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান লবণ চাষের পাশাপাশি আর্টিমিয়া চাষের সম্ভাবনার পক্ষে বলেন এবং মৎস্য চাষে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্লাইমেট স্মার্ট টেকনোলোজির উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ‘দেশের লবণ খামারে লবণ চাষের সঙ্গে আর্টিমিয়া চাষের বিকাশ আমাদের মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দাতা সংস্থাদের এ নিয়ে আরো কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই।

সভাপতির ব্ক্তব্যে সৈয়দ মোঃ আলমগীর বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ডফিশের আর্টিমিয়া ফর বাংলাদেশ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে আর্টেমিয়া চাষের মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী অধ্যায় শুরু হয়েছে, যা বাস্তবায়ন করতে অনেক দূর যেতে হবে। এবং এই উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও এবং দাতাদের আরও এগিয়ে আসা উচিৎ।’

চার্লস হোয়াইটলি বলেন, ‘জলবায়ু-স্মার্ট মৎস্য চাষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা কাটিয়ে ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।’

কর্মশালায় ড. বিনয় কুমার বর্মনের পরিচালনায় একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সাতজন প্যানেলিস্ট জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে স্মার্ট উদ্ভাবনের সাফল্য এবং বিপণন কৌশলের সাফল্য ধরে রাখতে কী করা যেতে পারে সে সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেছেন।

অনুষ্ঠানটিতে অর্টিমিয়া চাষ ও উৎপাদন বিষয়ক একটি মেলা ও একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এছাড়া  আগত দর্শকরা আর্টিমিয়ার উপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী উপভোগ করেন। 

ক্ষুধা, দারিদ্র্য নিরসন, মৎস্য ও জলজ চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করে থাকে ওয়ার্ল্ডফিশ। কৃষি খাতে গবেষণার মাধ্যমে ওয়ার্ল্ডফিশ ২০২০ সালের মার্চ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আর্টিমিয়া ফর বাংলাদেশ প্রকল্পের ডেভেলপমেন্ট স্মার্ট ইনোভেশন (ডিএসআইআরএ) প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করে আসছে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল আর্টিমিয়া চাষের মাধ্যমে লবণ চাষীদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পটি প্রথমবারের মতো সফলভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লবণ চাষীদের সম্পৃক্ত করে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা