প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৪ ১২:১৪ পিএম
নকীব খান
এ দেশের ব্যান্ডসংগীতে কয়েক প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় নাম নকীব
খান। একাধারে তিনি গীতিকার, সুরকার, গায়ক। ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, আইয়ুব বাচ্চুর
‘এখন অনেক রাত’, নিজের ‘ভালো লাগে জ্যোৎস্নারাতে’, কুমার বিশ্বজিতের ‘তোরে পুতুলের
মতো করে সাজিয়ে’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় ও কালজয়ী গানের সুরকার তিনি। আজ তার ৬৫তম
জন্মদিন। ১৯৬০ সালের ১৮ মার্চ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নে তার
জন্ম। তার বাবা আইয়ুব খান। বড় ভাই সুরকার ও গীতিকার জালাল উদ্দিন খান জিল্লু এবং
ছোট ভাই শাহবাজ খান পিলু ড্রামার, ভোকালিস্ট ও গীতিকার।
নকীব খান জানান, কৈশোরেই ব্যান্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
বালার্ক ব্যান্ডে গায়ক, পিয়ানিস্ট ও শিল্পী হিসেবে তার প্রথম আত্মপ্রকাশ।
কিছুদিন পর যোগ দেন সোলসে। বাংলাদেশের ব্যান্ডের নতুন স্বর সোলস। স্বাধীনতার পর
১৯৭২ সালে সাহেদ উল আলমের নেতৃত্বে নতুন স্বপ্নে বিভোর কয়েক তরুণ চালু করেন সুরেলা
নামে একটি অর্কেস্ট্রা দল। ১৯৭৪ সালে নাম বদলে রাখা হয় সোলস। সাজেদ, লুলু ও রনি
ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। শিল্পী তপন চৌধুরী ও আহমেদ নেওয়াজের পর সে বছরই সোলসে
যোগ দেন নকীব খান। তারপর নিজেদের কথা ও সুরে গান শুরু করে দলটি।
সোলসে একটানা প্রায় ১০ বছর ছিলেন নকীব খান। বাবা মারা
যাওয়ার পর চট্টগ্রাম ছেড়ে চলে আসেন ঢাকায়। ১৯৮৫ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড ‘রেনেসাঁ’।
১৯৮৮ সালে আসে দলের প্রথম অ্যালবাম রেনেসাঁ নামেই। ১৯৯৩ সালে ‘তৃতীয় বিশ্ব’, ১৯৯৮
সালে ‘৭১-এর রেনেসাঁ’ এবং ২০০৪ সালে ‘একুশ শতকের রেনেসাঁ’ নামে অ্যালবাম প্রকাশ
করেন তারা। মিউজিক কম্পোজার সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি তিনি।
শ্রোতাপ্রিয় সংগীতের মানুষের পাশাপাশি একজন করপোরেট
ব্যক্তিত্ব হিসেবেও সমাদৃত নকীব খান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি চাকরি করেছেন বেশ কিছু
বহুজাতিক ও দেশি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে।
১৯৯৩ সালে বিয়ে করেন নকীব খান ও নুসরাত খান। তাদের রয়েছে মেয়ে
ফাবিহা খান ও ছেলে জারিফ খান।